Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

পাচারের উদ্দেশ্যে সাত যমজ শিশু :সাবেক ডিআইজি ও তার স্ত্রীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

সাবেক ডিআইজি আনিসুর রহমান ও তার স্ত্রী আনোয়ারাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাচারের উদ্দেশ্যে সাত যমজ শিশু হেফাজতে রাখার অভিযোগে ৪ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আরিফুর রহমান আজ এই রায় দেন। এদিকে তাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবী কাজী মো. সাজাওয়ার হোসাইন বলেছেন, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। ছয় বছর আগে আনিসুর রহমানের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ভাড়া বাড়িতে সাত জোড়া যমজ শিশু থাকার খবর প্রকাশিত হয়। অভিযোগ ওঠে, পাচারের জন্য ওই শিশুদের নিজেদের বাড়িতে রেখেছেন। ওই সময়ে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। বলেন, ১৪ জনই তাদের সন্তান। ওই সময়ে মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট এলিনা খান ২০০৬ সালের ২ জুন রাজধানীর বাড্ডা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে তিনি একটি এজাহার দায়ের করেন, যা ২০০৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মামলা হিসাবে গ্রহণ করে আদালত। এজাহারে বলা হয়, ওই দম্পতির ১৪ সন্তানের মধ্যে ৭ জন একেবারেই অল্প বয়সী। আসামিরা শিশু রহস্যের ঘটনায় সঠিক তথ্য সরবরাহ না করে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকম তথ্য দেওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে শিশুরা তাদের নয়। আসামিদের জীবন, কর্ম ও ইতিহাস বলে, তারা ওই শিশুদের বিদেশে পাঠানো বা পাচার বা ক্রয় বিক্রয়ের জন্য বেআইনিভাবে বিভিন্ন শিশু হাসপাতাল, ক্লিনিক বা আসল অভিভাবকদের হেফাজত থেকে নিজেদের জিম্মায় রেখেছেন। জানা যায়, অল্পবয়সী সাত শিশুর মধ্যে জান্নাতুল মারিয়াম নাজিফা মামলা চলাকালীন সময়ে মারা যায়। অপরদিকে জান্নানতুল মারিয়াম নাফিজা, জান্নাতুল তানিসা রহমান এবং চার ছেলে শিশু আইমান রহমান আনিস (উসহাম), নাসেফ আকন আনিস, আনাস অকন আসিন ও দাইয়ান রহমান (ওসাত) জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির আগারগাঁওয়ের আশ্রয় কেন্দ্র ‘প্রশান্তিতে’ রয়েছে। উল্লেখ, ৪ এপ্রিল আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন ১৮ এপ্রিল। এ মামলায় আনিসুর পলাতক এবং তার স্ত্রী আনোয়ারা জামিনে ছিলেন। আনিসুর মামলা চলাকালে এ আদালত থেকেই জামিন নিয়ে পালিয়ে যান।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট