Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

আবারো এয়ারপোর্টে নাজেহাল শাহরুখ

নিউইয়র্ক, ১৩ এপ্রিল: ‘মাই নেম ইজ খান অ্যান্ড আই অ্যাম নট এ টেরোরিস্ট’। শাহরুখের ক্যারিয়ারের সফল একটি ছবি ‘মাই নেম ইজ খান’। যেখানে তার বলা উপরের ডায়ালগটি এখনো বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু এই সংলাপটি শুধু ছবিতেই না, বাস্তব জীবনেও কয়েকবার ব্যবহার করতে হয়েছিল শাহরুখকে। নতুন করে আবারো তাকে এই সংলাপ দিয়েই নিজের সাফাই গাইতে হলো নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেইনস এয়ারপোর্টে। খবর বিবিসি’র।

 

নামের সঙ্গে ‘খান’ থাকায় এবং ইসলাম ধর্মের অনুসারী হওয়ায় তাকে কয়েকঘণ্টার পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা ওই বিমানবন্দরের পুলিশ ডিপার্টমেন্টে শাহরুখকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়।

 

শাহরুখ বৃহস্পতিবার সকালে মুম্বাই থেকে ইয়েল ইউনিভার্সিটির উদ্দেশে আমেরিকারর পথে রওনা করেন। ইয়েল ইউনিভার্সিটির সম্মানজনক ‘চাব ফেলোশিপ’ নিতে শাহরুখ সেখানে যাচ্ছিলেন। কিন্তু বিমানবন্দরে সেই কথা বলার পরও পুলিশ ছাড়েনি শাহরুখকে। দুই ঘণ্টা পর শাহরুখের এই নাজেহালের খবর ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে পৌঁছালে তারা এসে শাহরুখকে বিমানবন্দর থেকে নিয়ে যায়।

 

এদিকে শাহরুখের এক ঘনিষ্ঠ সূত্র বিবিসি’র নিউইয়র্কের প্রতিবেদক সেলিম রিজভিকে বলেন, “শাহরুখ খান এই ঘটনায় অনেক কষ্ট পেয়েছেন।”

 

এমনকি শাহরুখও তার এই নাজেহালের কথা ইয়েল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের জানান। তিনি এই ঘটনা নিয়ে মজা করে বলেন, “আমার যখনই ইচ্ছা করবে এয়ারপোর্টে একটু বেশি সময় কাটানোর, আমার মনে হয় তখন আমার আমেরিকায় চলে আসা উচিত। কারণ এখানকার পুলিশ আমাকে খুব জলদিই ছাড়তে চায় না।”

 

শাহরুখ তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত অভিজ্ঞতার ব্যাপারে বলেন, “তারা আমাকে আমার উচ্চতা কতো জানতে চেয়েছিল, আমি ভুল বললাম। তারা আমাকে জিজ্ঞেস করে আমার গায়ের রঙ কী? আমি বললাম আমি শ্বেতাঙ্গ ছিলাম। এতেই মনে হয় তারা একটু ক্ষেপে গিয়েছিল। কিন্তু আমার কাছেও তাদের প্রশ্নগুলো অপমানজনক লাগছিল।”

 

তাছাড়া, শাহরুখ এখন ক্ষণে ক্ষণেই আমেরিকা এবং তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে মজা করছে। নাজেহাল হওয়ার পরপরই শাহরুখ তার টুইটারে লেখেন, “আবারো কয়েকঘণ্টার জন্য আমেরিকার পুলিশ আমাকে তাদের বিশেষ নজরদারিতে রেখেছিল। আমি যখনই নিজেকে তারকা ভাবতে শুরু করি, তখনই আমেরিকায় এসে আমার সেই সব ভাবনা মাটির সঙ্গে মিলিয়ে যায়।”

 

ভারত থেকে আম্বানি পরিবারের একটি ব্যক্তিগত প্লেনে করে শাহরুখ নিউইয়র্কে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন মুকেশ আম্বানি, নীতা আম্বানী এবং তাদের মেয়েও। আম্বানী কন্যাও ইয়েল ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষার্থী। কিন্তু আম্বানী পরিবারের কাউকে আটকায়নি নিউইয়র্ক পুলিশ। শুধুই শাহরুখকে তার ধর্মের জন্যই আটকানো হয় বিমানবন্দরে।

 

এদিকে শাহরুখকে জেরা করার প্রতিবাদে ভারতে শাহরুখ ভক্তদের মধ্যে এখন শুরু হয়েছে আমেরিকা বিরোধী বিক্ষোভ। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের শাহরুখ ভক্তরা আমেরিকার বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে রাস্তায়ও নেমেছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


One Response to আবারো এয়ারপোর্টে নাজেহাল শাহরুখ

  1. lipon mondol

    April 13, 2012 at 5:10 pm

    american police is so crazy and mad.