Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

মোবাইল ব্যাংকিং :পাঁচ ব্যাংকে বাড়তি সময় দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

ঢাকা, ১১ এপ্রিল: বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যেই মোবাইল ব্যাংকিং চালু করতে না পারায় পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকে বাড়তি সময় দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক। গত রোববার আটে এপ্রিল এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হলো এনসিসি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এনএ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক এবং জনতা ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক সুত্রে জানা গেছে, রাষ্টায়াত্ত সোনালী ব্যাংক মোবাইল ব্যাংক ২০১১ সালের এপ্রিলে অনুমতি নেয়। বাংলাদেশ ব্যাংক আগামী ৩১ মে’র মধ্যে সোনালী ব্যাংককে এই মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালুর জন্য সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে। বেসরকারী এনসিসি ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং চালুর জন্য সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে ৩১ মে। ব্যাংকটি ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অনুমোদন নিয়েছিল। স্ট্যান্ডার্ট ব্যাংক চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন নিলেও এখন এই সেবা আলোর মুখ দেখেনি। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের জন্য ব্যাংকটির জন্য ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে। রাষ্টায়াত্ত জনতা ব্যাংক গত মার্চ মাসে অনুমোদন পাওয়ায় তাদের জন্য ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালুর জন্য বলা হয়েছে। আর সিটি ব্যাংক এন.এ.’র জন্য চলতি এপ্রিল মাসের শেষ দিন পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে মোবাইল ব্যাংকিং চালু করতে অনুমোদন নেয়া ১৮টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে মোবাইল ব্যাংকিং চালু করেছে ১৩টি ব্যাংক, এগুলো হলো- টাস্ট ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, মাকের্নটাইল ব্যাংক লিমিটেড, এবি ব্যাংক লিমিটেড, ডার্চ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, ব্রাক ব্যাংক লিমিটেড, সাউথ ইস্ট লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এবং বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড।

ব্যাংকিং ব্যবস্থা সহজ, আধুনিক এবং সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মোবাইল ব্যাংকিং চালুর জন্য অনুমোদন পাওয়া ব্যাংকগুলোকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ পাঁচটি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করতে না পারায় আট এপ্রিল তাদের নিয়ে বৈঠকে বসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বৈঠক শেষে তাদেরকে বিভিন্ন মেয়াদে সময় বেঁধে দেয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক দাশগুপ্ত অসীম কুমার বলেন, “বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে যারা চালু করতে পারেনি, তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে মোবাইল ব্যাংকিং চালু করতে একেক ব্যাংককে একেক সময় দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “মোবাইল ব্যাংকিং একটি নতুন বিষয়। ব্যাংকগুলো এর জন্য কিছু সময় চেয়েছে, আমরাও দিয়েছিলাম। তবে দ্বিতীয় দফা নির্ধারিত সময়ে মোবাইল ব্যাংকিং চালু না করতে পারলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “শহর-নগরে দেশের ৬০ শতাংশ মানুষ  মোবাইল ব্যাবহার করে। এ ব্যবস্থা চালু হলেই সাধারণ মানুষের কাছে অতি জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। যেসব ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিংয়ের আওতায় এখনো আসেনি। তাদের পেমেন্ট সিস্টেমের আওতায় আসা দরকার।”

জানা গেছে, ব্যাংকগুলোতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে বেশ তৎপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক।  গ্রাম-শহরের গ্রাহকদের প্রযুক্তি নির্ভর করতে এ ব্যাংক গুলোকে মোবাইল  ব্যাংকিং চালু করতে নির্দেশ দেয়া হয়। মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহারকারী গ্রাহকরা অনুমতি সাপেক্ষে পরস্পরের মধ্যে যেকোনো সময় ফান্ড ট্রান্সফার করতে পারবেন। নিজ ব্যাংক ছাড়াও অন্য ব্যাংকের গ্রাহকের একাউন্টে যে কোন সময় ফান্ড ট্রান্সফার করার সুবিধা রয়েছে। বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সবচাইতে দ্রুততম সময়ে ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফান্ড ট্রান্সফারের সুবিধাও পাওয়া যাবে।

মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, ব্যালেন্স জানার সুবিধা, ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ, ব্যাংকের এফডিআর এবং স্কিম সমূহের তথ্যাবলি জানতে পারবেন। এছাড়া ঋণ সুবিধা এবং ট্রানজাকশন সম্পর্কিত তথ্যাবলিও জানতে পারবেন এবং গ্রাহক স্টেটমেন্ট ডাউনলোড করতে পারবেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট