Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে অপরাজিত থাকার চ্যালেঞ্জ রাজস্থানের

মুম্বাই, ১০ এপ্রিল: ডেকান চার্জার্সের বিপক্ষে সোমবারের ম্যাচে ঘাম ঝরানো জয় পেয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। আইপিএল-এর দ্বাদশ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা রাজস্থান রয়্যালস। বুধবারের ম্যাচে জয়ের ধারা বজায় রেখে রাজস্থানকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠতে চাইছে মুম্বাই।

 

ডেকান চার্জার্সের অধিনায়ক কুমার সাঙ্গাকারার বিতর্কিত রান আউটটা বাদ দিলে সোমবার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের শেষ বলে জয়টাকে কোনোভাবেই সাধারণ বলে ভাবা যাবে না। রাজস্থানের বিপক্ষে বুধবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে একই ধরনের নৈপূণ্য দেখাতে চায় মুম্বাই।

 

চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে ডাফ বলিঞ্জারের একটা বল খেলতে গিয়ে আঙুলে আঘাত পান শচিন টেন্ডুলকার। এরপর থেকে আর মাঠে নামা হয়নি শচিনের। তার অবর্তমানে রোহিত শর্মা ডেকানের বিপক্ষে ম্যাচে ছয়টি ছক্কার মারে ৫০ বলে ৭৩ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেছেন। এর মধ্যে শেষ বলে জয়সূচক রান পাওয়ার ছক্কাটাও ছিল। যে কারণে কিছুটা হলেও উদ্দীপ্ত মুম্বাই। বোলিং বিভাগে মুনাফ প্যাটেল এবং লাসিথ মালিঙ্গার পেস বল প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের ভোগাচ্ছে। শেষ ম্যাচে ডেকানকে নয় উইকেটে ১৩৮ রানে আটকে ফেলার কাজটা সারেন এই দুই পেসার। তারা  সাতটি উইকেট শিকার করেন।

 

অন্যদিকে চলতি টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত অপরাজিত আছে রাজস্থান রয়্যালস। মুম্বাইয়ের বিরুদ্ধে বুধবারের ম্যাচটা তাদের তৃতীয়। টানা দুই ম্যাচে জয়ের ধারায় ছেদ পড়তে দেবে না রয়্যালস। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে ৩১ রানে হারানোর পর ২২ রানে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়েছে রাজস্থান। শ্রেয়তর রান রেটের কারণে তারা পুনে ওয়ারিয়র্সকে টপকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। প্রথম দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে সৌরভের পুনে ওয়ারিয়র্স দলও।

 

পরিসংখ্যান অবশ্য কথা বলছে রাজস্থান রয়্যালসের পক্ষে । ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত  আইপিএল-এ সাতবারের মোকাবেলায় চারটি জয় পেয়েছে রাজস্থান। এ কারণে অবশ্যই মানসিকভাবে এগিয়ে থাকবে রয়্যালসরা।

 

পাঞ্জাবের বিপক্ষে ম্যাচে ৬৬ বলে ৯৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন রয়্যালসের আজিংকা রাহানে। এটি ছাড়াও তাদের দলগত নৈপূণ্য ছিল প্রথম দুই ম্যাচে চোখে পড়ার মত। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ব্র্যাড হজের ৪৪ এবং অশোক মানেরিয়ার ৪০ রানের সুবাদে ১৬৮ রানের মোটামুটি একটা সংগ্রহ গড়েছিল রাজস্থান।

 

পাঞ্জাবের বিপক্ষে চার উইকেট শিকারী ত্রিনিদাদ এন্ড টোব্যাগোর মিডিয়াম পেসার কেভন কুপার কলকাতার বিপক্ষে ২৮ রানে তিনটি উইকেট নিয়ে দলের বিজয় ত্বরান্বিত করেন। রাজস্থান দলে এবার তেমন কোনো তারকা ক্রিকেটার নেই। অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়াটসনকেও পাওয়া যাচ্ছে না টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত। কাজেই রাহুল দ্রাবিড়ের নেতৃত্বাধীন রয়্যালসদের দলগত নৈপূণ্য ছাড়া জয়ের উপায় নেই।

 

লংকান ব্যাটসম্যান দীনেশ চান্ডিমাল অবশ্য দলে যোগ দিয়েছেন। বুধবারের ম্যাচে তারই প্রথম একাদশে খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাদ পড়তে পারেন ওয়াইজ শাহ। আজকের ম্যাচে দুই দলেরই অভিন্ন লক্ষ্য- জয়। মুম্বাইয়ের চ্যালেঞ্জ সামলে রাজস্থানের পক্ষে অপরাজিত থাকার ইচ্ছা বাস্তবায়ন করাটা কাগজে কলমে অন্তত সহজ বলে মনে হচ্ছে না।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট