Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

পুলিশের প্রতি ড. মিজানের প্রশ্ন: রাজাকার পালায় কিভাবে?

ঢাকা, ১০ এপ্রিল: মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান আবুল কালাম আযাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, “রাজাকার বাচ্চু কীভাবে পালায়?”

 

তিনি বলেন, “সর্ষে ভূত থাকলে তাড়াবেন কী করে? কোন সন্ত্রাসী কোন দোকানে চা খায়, কোথায় দাঁড়ি কামায়, সে খবরও পুলিশ ও গোয়েন্দারা রাখেন, তাহলে রাজাকার বাচ্চু কীভাবে পালায়?”

 

মিজানুর রহমান  বলেন, “যুদ্ধাবস্থার প্রস্তুতি নিয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার এগিয়ে নিতে হবে। এ নিয়ে কালক্ষেপণের সুযোগ আছে বলে মনে হয় না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মাধ্যমে দায়মুক্তির সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, তাকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে।”

 

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডির ওয়ার্ল্ড ভলান্টিয়ার্স অ্যাসোসিশেয়ন (ডব্লিউভিএ) মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ৪১ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

 

অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, ‘যুদ্ধাপরাধীদের যে যেখানেই থাকুক, তাকে খুঁজে এনে যুদ্ধাপরাধের বিচার করা হবে। বিচারকার্যে যেন কোনো বিতর্কের সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আমরা সতর্কতার সঙ্গে বিচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”

আইনমন্ত্রী তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে বলেন, “তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংবিধানে রাখা যায় না। কারণ, এটি সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করেছেন। সুতরাং, এটি কোনো সরকারই রাখতে পারবে না। তবে যদি কেউ তা রাখে, তবে সেটি হবে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে হলে রাষ্ট্র পরিচালিত হতে হবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে।”

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা সাংবাদিক কামাল লোহানীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বাহাত্তরের সংবিধানের অন্যতম রচয়িতা ব্যারিস্টার এম আমিরুল ইসলাম, সংগঠনের সহ-সভাপতি শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী এবং সংগঠনের আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার ড. তুরিন আফরোজ।

 

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট