Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

কুইক রেন্টাল পদ্ধতি পুরোপুরি ব্যর্থ: সুবিদ আলী ভূঁইয়া

ঢাকা, ৯ এপ্রিল: বিদ্যুত জ্বালানি ও খনিজসম্পদ  বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল অব. সুবিদ আলী ভূঁইয়া বলেছেন, ‘‘কুইক রেন্টালের নামে দুর্নীতি হচ্ছে কিনা, তা জনগণ বিচার করবে। বিদ্যুত সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে কুইন রেন্টাল চালু করা হয়েছিল, যা এখন পুরোপুরি ব্যর্থতায় পর্যবসিত হতে যাচ্ছে।’’

 

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত ‘বিদ্যুত সংকট ও জনস্বার্থ’  এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, ‘‘মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, জার্মানিসহ অনেক দেশ বিদ্যুৎ ঘাটতির সময় কুইক রেন্টাল চালু করেছিল। সে প্রেক্ষাপটে সরকার  এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

 

কুইক রেন্টালের জন্য যখন প্রস্তাব আনা হয় তখন সংসদীয় কমিটি এটার জোরালো প্রতিবাদ করেছিল। এছাড়া এ পদ্ধতিটি বিনা টেন্ডারে করা হয়েছে। এখন খাতে কী হচ্ছে সে ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’’

 

বর্তমান সরকার যখন ক্ষমতা আসে তখন বিদ্যুতের যে প্রকট সমস্যা ছিল তখন যদি কুইক রেন্টাল চালু না করা হতো তবে বর্তমানে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কী হতো তাও একবার ভেবে দরকার বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

তিনি বলেন, ‘‘বিদ্যুৎ ঘাটতি উত্তরণের জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে।  বাংলাদেশে অনেক ব্যক্তি আছে যারা কয়েক হাজার কোটি টাকা এ খাতে বিনিয়োগ করতে পারবেন।

 

ব্যক্তি পর্যায়ে কেউ যদি এখানে বিনিয়োগ করতে আসে তাহলে সরকার তাকে সাধুবাদ জানাবে।’’

 

সরকারের একার পক্ষে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘বেসরকারি বিনিয়োগ আসলে অচিরেই এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে।’’

 

তিনি বলেন, ‘‘বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান না করে আমাদের যে টার্গেট মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া, সেটা কোনোভাবে সম্ভব নয়। তাই এ খাতেকে জোর দিতে হবে সব সময়।’’

 

তিনি বলেন, ‘‘বর্তমান সরকার ক্ষমতা আসার পর থেকে বিদ্যুৎ সমস্যার সমধান করার জন্য আন্তরিক। সেজন্য গতবছর বাজেটে বিদ্যুৎ খাতকে সবচেয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে এ খাতে বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছিল।’’

 

তিনি বলেন, ‘‘যারা বিদ্যুৎ নিয়ে সমালোচনা করেন, তাদের উচিত আমাদের বর্তমানে কত চাহিদা আছে, সেটা আগে জেনে নেয়া।’’

 

প্রোডাকশন বাড়াতে গেলে কস্ট বেশি লাগবে, এটাই স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন।

 

সরকার গত তিনি বছরে যে যে প্রকল্পগুলো হাতে নিয়েছে তার সুফল পেতে আরো কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান তিনি।

 

ওয়ার্কার্স পাটির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর সভাপতি হাসানুল হক ইনু, কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম প্রমুখ।

 

আলোচনা সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এম শামসুল ইসলাম।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট