Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

জাবি ছাত্রী হলগুলোতে র‌্যাগিংয়ে অতিষ্ঠ নতুন শিক্ষার্থীরা

  জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ৯ এপ্রিল: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও কিছু সিনিয়র শিক্ষার্থী এখনও বেপরোয়াভাবে এটি যাচ্ছেন। বিভিন্ন সময় ছাত্র হলগুলোতে র‌্যাগিংয়ের ঘটনায় অভিযুক্তদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বহিষ্কার করলেও ছাত্রী হলের শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করার সাহসই পাননা।

 

বিভিন্ন হলের ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হলের তুলনায় ছাত্রী হলগুলোতে র‌্যাগিংয়ের ঘটনা বেশি ঘটে। কিন্তু ছাত্রীরা ভয়ে অভিযোগ করেন না। সাধারণত প্রথমবর্ষে ভর্তি হওয়া ছাত্রীরাই র‌্যাগিংয়ের  শিকার হয়। তাই অধিকাংশ ছাত্রীর ক্যাম্পাস জীবনের প্রথম দিনগুলো থাকে আতঙ্কের।

 

প্রথমবর্ষে ভর্তি হয়ে মা বাবাকে ছেড়ে হলে আসা নতুন শিক্ষার্থীদেরকে হলের বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীরা যেখানে স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করবেন। সেখানে তাদের কুরুচিপূর্ণ ব্যবহার প্রথমবর্ষের ছাত্রীদের কাছে আতঙ্ক হয়ে দেখা দিয়েছে।

 

হলের সিনিয়র ছাত্রীদের র‌্যাগিংয়ের ভয়ে অনেকে হল ছেড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে সব সিনিয়র ছাত্রীই খারাপ না বলে জানান র‌্যাগিংরে শিকার হওয়া প্রথম বর্ষেরে একজন ছাত্রী।

 

গত শনিবার গভীর রাতে তিন ঘণ্টাব্যাপী প্রীতিলতা হলের লোক প্রশাসন বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী উমাইয়া তাসনীম তনুজাকে একই হলের দ্বিতীয় বর্ষের ইংরেজি বিভাগের ছাত্রী সোহানা সুলতানা তিথি, অর্থনীতি বিভাগের আয়েশা সিদ্দিকা তামান্নাসহ একই ব্যাচের পিংকি, রুম্পা, মিশু ও তুলি র‌্যাগ দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

এ ঘটনায় রোববার উমাইয়া তাসনীম তনুজা দোষীদের বিচার ও তার সার্বিক নিরাপত্তা চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তনুজাকে অশ্রাব্য ভাষায় মা বাবা তুলে গালাগাল ও হল থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। এক পর্যায়ে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়লে ঘণ্টা তিনেক পর ছেড়ে দেয়া হয়।

 

তনুজা বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছি। এতে যদি আমি সঠিক বিচার না পাই তবে রাষ্ট্রীয় আইনের আশ্রয় নেবো।”

 

অভিযুক্ত ছাত্রী সোহানা সুলতানা তিথী বলেন, “আমরা সিনিয়র আপুদের কথামতো প্রথম বর্ষের ছাত্রীদের সঙ্গে পরিচিত হতে গিয়েছিলাম। কিন্তু যে মেয়েটা অভিযোগ করেছে সে বেয়াদব। তাকে শিক্ষা দেয়ার জন্য একটু বকাঝকা করা হয়েছে মাত্র।”

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক কে এম আক্কাস আলী বলেন, “তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দেয়া হবে।”

 

দেশের একমাত্র আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। আবাসিক হওয়ার কারণে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই হলে থাকেন।

 

২০০৯ সাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিন্ডিকেটের মাধ্যমে র‌্যাগিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে ক্যাম্পাসে পোস্টারিং করে। এতে বলা হয় কেউ র‌্যাগিংয়ে জড়িত হলে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হবে। এছাড়া  সব শিক্ষার্থীদের বিষয়টি মৌখিকভাবেও জানিয়ে দেয়া হয়।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


2 Responses to জাবি ছাত্রী হলগুলোতে র‌্যাগিংয়ে অতিষ্ঠ নতুন শিক্ষার্থীরা

  1. Md. Firoz Miah

    April 9, 2012 at 5:07 pm

    How a proscribe culture (very bad culture)can be occurred repeatedly in a famous university where there is still a administration. we are shameful to hear the news again.

  2. JEHIEN RABBY ROCKEY

    April 9, 2012 at 10:46 pm

    Salar sinior boro vayera apnadar sob kota ka size korta aami asche 12′th april.Wait for me.Don’t try to rage with me.