Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

অদৃশ্য ব্যবসায়ীর অভিযোগ নেই থানায়, রোববার জেলা প্রশাসনের তদন্ত শুরু

নরসিংদীতে র‌্যাবের গুলিতে ৬ ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্ত করবে নরসিংদী জেলা প্রশাসন। আগামী রোববার এ কমিটি গঠিত হবে। রোববার থেকেই তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন নরসিংদী জেলা প্রশাসক ওবায়দুল আজম। গত সোমবার নরসিংদী-মদনগঞ্জ সড়কে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে র‌্যাবের গুলিতে ৬ জন নিহত হন। এছাড়া আহত হন ৪ জন। এ ঘটনায় নরসিংদী সদর মডেল থানায় পৃথক ৩টি মামলা করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের দাবি মারুফ হাসান নামের এক ব্যবসায়ীর ৪০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ছিনতাইকারীদের আটকানোর চেষ্টা করা হলে আক্রান্ত হয় র‌্যাব। এ সময় বন্দুকযুদ্ধে ৬ জন নিহত হয়।
অবশ্য সেদিন নরসিংদীতে কোন ছিনতাইয়ের ঘটনার সাক্ষী পাওয়া যায়নি। ছিনতাইয়ের শিকার কথিত ব্যবসায়ী মারুফ হাসান-ও এ বিষয়ে থানায় কোন অভিযোগ করেননি।
গতকাল যোগাযোগ করা হলে নরসিংদী জেলা প্রশাসক ওবায়দুল আজম বলেন, ঘটনা সোমবারের হলেও বৃহস্পতিবার ঘটনার বিবরণ দিয়ে একটি পত্র পাঠিয়েছে র‌্যাব। এ ধরনের ঘটনা প্রথা-অনুযায়ী নির্বাহী বিভাগের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হয়ে থাকে। আমরা রোববার তদন্ত কমিটি গঠন করবো। সেদিন থেকেই কমিটি কাজ শুরু করবে। ওদিকে নরসিংদী মডেল থানা র‌্যাবের পক্ষ থেকে দায়ের করা ৩টি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। সেখানে কি ঘটেছিল তা জানার জন্য আহত আসামিরা সুস্থ হয়ে উঠলেই জিজ্ঞাসাবাদ করবো।
ছিনতাইয়ের অভিযোগ নেই: ঘটনা ছিনতাইয়ের হলেও এখন পর্যন্ত থানায় ছিনতাই ঘটনার কোন মামলা হয়নি। থানা পুলিশের কাছে ছিনতাইয়ের কোন অভিযোগও যায়নি। এমনকি র‌্যাবের দাবি অনুযায়ী ছিনতাই হওয়া ৪০ হাজার টাকার মালিকানাও কেউ দাবি করেনি। নরসিংদী মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, যে ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাই হয়েছিল বলে র‌্যাব অভিযান চালিয়েছে তিনি আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেননি। তিনি মামলা করবেন কিনা তা-ও বলতে পারবো না। এখন পর্যন্ত ছিনতাইয়ের কোন মামলা হয়নি। মামলায় আহত ৪ যুবককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে কারাগারে পাঠানো যুবক মনিরকে দু’দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।
হতাহতদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ: র‌্যাব দাবি করেছে, অভিযানে যারা হতাহত হয়েছে তারা সবাই অপরাধী। এর প্রমাণ হিসাবে র‌্যাব কিছু মামলা ও অভিযোগ সংগ্রহ করেছে। র‌্যাবের তথ্য অনুযায়ী- নিহত জামাল মিয়ার বিরুদ্ধে ৩টি মামলা, মোশারফের বিরুদ্ধে ১টি মামলা, নাহিদের বিরুদ্ধে ১টি, আরিফের বিরুদ্ধে ১টি মামলা আছে। আহতদের মধ্যে অমর বিশ্বাস ও শাওনের বিরুদ্ধে ১টি করে মামলা আছে। বাকি ৪ জনের বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অপরাধের তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। গতকাল র‌্যাব ১১-এর মেজর খন্দকার গোলাম সরওয়ার বলেন, এসব মামলার বাইরেও স্থানীয়রা হতাহতদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ করেছেন। নিহত ছাত্র নাহিদের স্থানীয় রিপোর্ট ভাল নয়। অপর ছাত্র আরিফের বিরুদ্ধে একটি মেয়েকে ধর্ষণের মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত মাসুদ আফ্রাদের বড় ভাই কামাল তার ফুফুকে খুন করেছে। বর্তমানে সে জেলে আছে। ছোট ভাই কাওসার ডাকাতি মামলার আসামি। সে-ও জেলে আছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট