Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

চট্টগ্রামে হোটেল থেকে বিমানবাহিনী কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রাম, ৫ এপ্রিল: চট্টগ্রামে রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বিমানবাহিনী কর্মকর্তার। নগরীর কোতোয়ালী থানার স্টেশন রোডের আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করেছে।

নিহত মামুনুর রশীদ বিমানবাহিনীর স্কোয়াড্রন লিডার । বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি ঢাকা থেকে এসে স্টেশন রোডের হোটেল সিলভার ইন-এর ২১৩ নম্বর ‍রুমে ওঠেন।

পুলিশ জানায়, বেলা আড়াইটার দিকে হোটেল কর্তৃপক্ষের দেয়া খবরের ভিত্তিতে তারা সেখানকার একটি কক্ষ থেকে বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা মামুনের লাশ উদ্ধার করে।

হোটেল কর্তৃপক্ষ তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করলেও পুলিশের ধারণা এটি একটি রহস্যজনক মৃত্যু। তবে নিহতের শরীরে কোনো আঘাত বা অস্বাভাবিক কোনো চিহ্ন প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল কাদের বিমান বাহিনী কর্মকর্তার লাশ উদ্ধারের কথা স্বীকার করে বলেন, “পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছে। ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর কারণ এখনই বলা সম্ভব নয়। ”

এদিকে বিমানবাহিনীর একটি সূত্র জানায়, নিহত মামুনুর রশীদ বিমানবাহিনী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গঠিত একটি তদন্ত কমিটির সদস্য। এই কাজেই তিনি চট্টগ্রাম এসেছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ দিকে র‌্যাব-৭ এর একটি দল কমান্ডিং অফিসার (সিও) মেজর জুলফিকার আলী মজুমদারের নেতৃত্বে গভীররাতে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার তালসরা দরবার শরিফে অভিযান চালায়। পরবর্তীতে অভিযোগ ওঠে র‌্যাবের ওই দলটি অভিযানের নামে দরবার শরিফের প্রায় দুই কোটি টাকা লুট করে নিয়ে যায়। র‌্যাবের ওই দলে বিমানবাহিনী থেকে প্রেষণে আসা কর্মকর্তা শেখ মাহমুদুল হাসানও ছিলেন।

এ ঘটনায় র‌্যাবের সিও জুলফিকার ও শেখ মাহমুদুল হাসানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আনোয়ারা থানায় মামলা হয়।

এদিকে বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে ঘটনায় অভিযুক্ত শেখ মাহমুদুল হাসান জড়িত কি-না তা খতিয়ে দেখতে একটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন স্কোয়াড্রন লিডার মামুনুর রশীদ।

নিহত স্কোয়াড্রন লিডার মামুন বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্য হিসেবে ওই ঘটনায় র‌্যাবে প্রেষণে আসা বিমানবাহিনী কর্মকর্তা শেখ মাহমুদুল হাসানের জড়িত থাকার বিষয়টি তদন্ত করতে চট্টগ্রাম আসেন বলে জানা যায়।

নিহতের দেহে জখম কিংবা কোনো অস্বাভাবিক চিহ্ন প্রাথমিকভাবে পাওয়া না গেলেও একটি স্পর্শকাতর ঘটনার তদন্তে এসে অকস্মাৎ মৃত্যুর ঘটনা রহস্যজনক বলে মনে করছেন সিএমপি’র গোয়েন্দা বিভাগের একটি সূত্র।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট