Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ডেসটিনি থেকে কোনো পরিচালক পদত্যাগ করেননি


ডেসটিনি থেকে কোনো পরিচালক পদত্যাগ করেননি। তবে অর্গানোগ্রাম পরিবর্তন জনিত কারণে পাঁচজন পরিচালককে এখন ডেসটিনি গ্রুপের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন_ মোহাম্মদ গোফরানুল হক, সাঈদ-উর-রহমান, মেজবাহউদ্দিন স্বপন, ইঞ্জিনিয়ার শেখ তৈয়েবুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস। একটি পত্রিকায় ডেসটিনির এই পাঁচজন পদত্যাগ করেছেন বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করেন তারা। গতকাল গভীর রাতে তারা জানিয়েছেন, পদত্যাগ নয়, বরং আমাদের পদোন্নতি ঘটেছে।
গত বেশ কয়েক বছরে ডেসটিনির কলেবর কয়েকগুণ স্ফীত হয়ে সেটি সারাদেশে তথা এশিয়ায় এখন একটি মহীরুহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এ অবস্থায় বেশ কয়েক বছর আগে গঠিত অর্গানোগ্রামে এখন আর ডেসটিনি পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছিল না। আর সে কারণেই ডেসটিনিতে নতুন নতুন দক্ষ ও মেধাবী জনশক্তির সনি্নবেশ ঘটানোর লক্ষ্যে পাঁচ পরিচালকে পদোন্নতি দিয়ে গ্রুপের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় এবং সেই শূন্যস্থান পূরণের লক্ষ্যে বেশ কয়েকজন মেধাবী সিইওর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এই শূন্যপদে যোগদানের জন্য ইতিমধ্যে প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের স্বনামধন্য বেশ কয়েকজন পেশাজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তাদের একজন এদেশে ঘুরে গেছেন। আর অর্থ ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য এইচএসবিসির হংকং শাখায় কর্মরত এক ব্রিটিশ নাগরিকের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। এই পদে নিয়েগের জন্য দুবাইয়ের সিটি ব্যাংক এনএ-এর একজন শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গেও কথা চলছে।
পাঁচজনের পদত্যাগ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন বলেন, এই সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট। একটি মহল লাগাতারভাবে আমাদের ক্ষতি করার জন্য মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং বিকৃত খবর প্রচার করছে।
ডেসটিনির অন্যতম কর্ণধার মেজবাহউদ্দিন স্বপন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম।
সে কারণে এখন পদোন্নতি হয়েছে। সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে থেকে প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় আত্মনিয়োগ করেছি। এটি আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান, পদত্যাগের খবর নেহায়েত গুজব। অপর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শেখ তৈয়েবুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠান থেকে পদত্যাগ করতে যাব কেনো? এটি আমাদের প্রতিষ্ঠান, আমরা তিলে তিলে গড়ে তুলেছি। এখন বরং আমাদের চেয়েও আরো মেধাবী লোককে প্রতিষ্ঠান বিকাশে ভূমিকা রাখার সরাসরি সুযোগ করে দিচ্ছি। আর আমরা কাজ করবো সিদ্ধান্ত গ্রহণের জায়গায় থেকে, এতে লাভবান হবে ডেসটিনিই।
এ বিষয়ে মোহাম্মদ গোফরানুল হক বলেন, কোন পত্রিকায় কী লেখা হলো তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। আমরা কর্মের সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করি। আর সে কারণেই আজ ডেসটিনি এত বড় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ দিন অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে ডেসটিনি সম্প্রসারিত হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের চেয়েও দক্ষ-মেধাবী লোকজন আছেন, যারা ডেসটিনির সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন। আর সে কারণেই উপযুক্ত ব্যক্তিকে উপযুক্ত স্থানে নিয়োগ দেওয়ার জন্য অর্গানোগ্রামে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখন আমরা আরো উঁচু স্তরে থেকে পরিচালনার কাজটি তদারকি করতে পারব ও দিক নির্দেশনা দিতে পারব।
ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল আমীন স্বেচ্ছাচারিতা করেন বলে পত্রিকায় যে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে ওপরের এই তিনজনই তা নাকচ করে দেন। তারা বলেন, ওনার গতিশীল নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় প্রতিষ্ঠানটি যে এতদূর এসেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
এদিকে গভীর রাতে অপর দুজনের মন্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট