Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সালাহউদ্দিন কাদেরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হতে পারে আজ

ঢাকা, ৪ এপ্রিল: মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় আটক বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে বুধবার অভিযোগ গঠন করার আদেশ হতে পারে।

 

বুধবার প্রথম ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারক নিজামুল হকেরে নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশ দেয়ার কথা রয়েছে।

 

এর আগে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদেশের জন্য আরো কয়েক দফা শুনানি পিছিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

 

পরে গত ২৭ মার্চ  মঙ্গলবার আবারো পিছিয়ে  ৪ এপ্রিল আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন। আদালতে নবনিযুক্ত বিচারপতি আনোয়ারল হক সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর অভিযোগের নথিপত্র দেখে শেষ করতে না পারায় আদেশের দিন পুনঃনির্ধারণ করা হয় বলে ট্রাইব্যুনাল শুনানিতে বলেন।

 

এর আগে গত ২০ মার্চ এ বিষয়ে আদেশ দেয়ার কথা থাকলেও ২৭ মার্চ দিন ধার্য করেন দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনাল। ওইদিন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের একজন অনুপস্থিত থাকায় নতুন দিন ধার্য করা হয়েছে। যদিও আইনে এ বিষয়ে কোনো বিধি-নিষেধ নেই।

 

সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ২০১০ সালের ১৯ ডিসেম্বর একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেফতার দেখানো হয়। ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর আদালতের নির্দেশে প্রথমবারের মতো সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

 

গত বছরের ৪ অক্টোবর বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দাখিল করেন প্রসিকিউশন টিম। ট্রাইব্যুনাল ওই বছরের ৭ জুলাই থেকে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেন তদন্ত সংস্থার তদন্ত দল। চট্রগ্রামের রাইজানসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে এ রিপোর্ট প্রসিকিউশনের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালে জমা দেন।

 

সালাউদ্দিন কাদেরের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়া তদন্ত রিপোর্টে ৫৫ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রের সঙ্গে এক হাজার ২৭৫ পৃষ্ঠার আনুষাঙ্গিক নথিপত্র সহ ১৮টি সিডি উপস্থাপন করা হয়।

 

বিএনপির এ নেতার বিরুদ্ধে গত  ১৫ জানুয়ারি নয় ধরনের ৭৭টি অভিযোগ উপস্থাপন করেন রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম। ওই দিন তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ)আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

 

এর আগে ট্রাইব্যুনাল গত ১৯ ডিসেম্বর সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছয়টি আবেদন খারিজ করেছিল। সেগুলো হলো, সাক্ষ্য ও ফৌজদারি আইন প্রয়োগ, বিদেশী আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ, ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তদমেত্ম রাষ্ট্রপক্ষের মতো ডিফেন্সকেও ১১ মাস সময় দেয়া, মানবতাবিরোধী অপরাধের সংজ্ঞা নির্ধারণ এবং চুক্তি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগ।

 

২০১১ সালে ট্রাইব্রুনালে গ্রেফতার আবেদনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২০১০ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোরে বনানির একটি বাসা থেকে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ওই বছর হরতালের দিন গাড়ি পুড়িয়ে মানুষ হত্যার দায়ে তাকে আটক করা হয়।

 

ওই বছর এর আগের দিন ১৫ ডিসেম্বর মানবতাবিরোধী অপরাধের মালায় গ্রেফতারের জন্য ট্রাইব্যুনালের কাছে আবেদন করা হয় এবং ১৯ ডিসেম্বর তাকে ট্রাইব্যুনালের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

 

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট