Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে বাজারে যান না এরশাদ

ঢাকা, ২ এপ্রিল: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, “দ্রব্যমূল্যের চরম ঊর্ধ্বগতিতে আজ বাজারে যেতে পারি না। বাজারে যেতে ইচ্ছে করে না। আমার যদি এ অবস্থা হয়, তাহলে আমার চেয়ে যারা নিচু পর্যায়ে তাদের অবস্থা কি। তারা কি ভাবছে, কি খেয়ে বেঁচে আছে তা বুঝা যায়।”

 

যুব সংহতির ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন যুব সংহতির সভাপতি লিয়াকত হোসেন খোকা।

 

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেন, “দেশের সামনে কোনো আশার আলো নেই। মানুষ আজ হতাশাচ্ছন্ন। রাস্তায় বেরুতে পারে না জীবনের ভয়ে। গায়ের ওপর দিয়ে গাড়ি তুলে দিতেও আজ ড্রাইভারদের বুক কাঁপে না। লোডশেডিংয়ে মানুষের জীবন দুর্বীসহ হয়ে পড়েছে। কৃষক সেচ দিতে পারছে না। পুকুর ও নদীতেও পানি নেই। সরকার এসব সমস্যার সমাধান দিতে পারছে না। জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসলে সব সমাধান হবে।”

 

সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, “দেশে প্রতিবছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী শিক্ষা নিয়ে বের হচ্ছে। কিন্তু চাকরি হচ্ছে না। এতে বেকারত্ব বাড়ছে।”

 

উপস্থিত যুবসংহতি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচনী যুদ্ধে তোমরা আমার সিপাহসালার। এ যুদ্ধে তোমাদের জয় ছিনিয়ে আনতে হবে।”

 

অনুষ্ঠানে কাজী জাফর আহমদ বলেন, “দেশের যে সংকট তা বর্ণনাতীত। মোটামুটি ১১টি সংকট মানুষকে প্রচণ্ড হতাশ করছে। দ্রব্যমুল্যের পাগলা ঘোড়া, অর্থনৈতিক দৌরাত্ম, শেয়ারবাজার কেলেংকারী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ কমে যাচ্ছে, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি। বিদেশে শ্রমবাজার হারাচ্ছে। এমন সংকট দেশে কখনো হয়নি।”

 

এদিকে মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে সভাস্থলে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন নেতাকর্মীরা। পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উপস্থিতি থাকলেও পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে ছিল বিশৃংখলা। যুবসংহতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিয়া মো. আলমগীর ও যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দুলালের সমর্থকদের মধ্যে মঞ্চে বসা নিয়ে বিশৃঙ্খলার সুত্রপাত হয়।

 

সভায় আরো বক্তৃতা করেন মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশীদ, গোলাম হাবিব দুলাল, এমএ হান্নান, নুর ই হাসনা লিলি চৌধুরী এমপি, এসএম ফয়সল চিশতী, আমিনুল ইসলাম ঝন্টু, সৈয়দ মিজানুর রহমান, মোতাহার হোসেন রাশেদ ও মিয়া আলমগীর।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


2 Responses to দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে বাজারে যান না এরশাদ

  1. sajib

    April 3, 2012 at 2:51 am

    Akbar vabun to apni bajare jete parcen na shekhane sadharon manush ki korbe?Jara din mujur tara ki kore bachbe?

  2. EMRAN

    April 4, 2012 at 4:41 pm

    tik e bollechen.but onar dol khamotai ashle je ei shober shomadan hobe,tar koto toko nishchoiota ache…
    Amar kase to akash koshom mone hoi…..