Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের ধর্মঘট, শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ

চবি, ২ এপ্রিল: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের লাগাতার ধর্মঘটে শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিবির। এছাড়া শিবির কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয় ট্রান্সপোর্টে সাতটি শিক্ষক-কর্মচারী বাসের টায়ার কেটে ফেলেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে নগরীর বটতলী রেল স্টেশন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গামী শাটল ট্রেন ঝাউতলা রেল স্টেশনে পৌঁছালে শিবিরের কিছু কর্মী ট্রেনের ড্রাইভারকে মারধর করে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

 

এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

 

নগরীর ষোলশহর রেলস্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার ফরহাদুজ্জামান বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গামী শাটল ট্রেন নগরীর ঝাউতলা রেল স্টেশনে পৌঁছালে কিছু লোক ড্রাইভারকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এরপর থেকে শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।”

 

এদিকে, শত শত পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীর চোখকে ফাঁকি দিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের যাতায়াতের জন্য বাসের টায়ার কেটে ফেলেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিবির। সোমবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ট্রান্সপোর্টে শিবির কমপক্ষে  সাতটি বাসের টায়ার কেটে ফেলে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্বরত একটি গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পেরেছি শিবির ধর্মঘটের অংশ হিসেবে শাটল ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের বাসের টায়ার কেটেছে।”

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রধানের অবহেলা ও ব্যর্থতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের বাসের টায়ার কাটা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের প্রধান বজল হক নিজের দায় থেকে মুক্তির জন্য বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সপোর্টের নিরাপত্তা দেয়া আমার দায়িত্ব নয়। তাদের নিজস্ব কর্মী সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে। এখানে আমাদের কিছু করার নেই।”

 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর সিরাজ উদ দৌলাহ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় শাটল সচল করার বিষয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।” বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তার কোনো সমস্যা নেই বলে জানান তিনি।

 

ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষে দুই ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনায় ৩৮দিন বন্ধ থাকার গত ১৮ মার্চ খুলে দেয়া হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। হত্যাকারীদের গ্রেফতারসহ চার দফা দাবিতে ওইদিন থেকেই ধর্মঘট চালিয়ে আসছে ইসলামী ছাত্র শিবির।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট