Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা- সময় বাড়ছে না, বেজে উঠেছে বিদায়ের সুর

সালমান ফরিদ: যথাসময়েই সাঙ্গ হচ্ছে ১৭তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা। ব্যবসায়ীরা সময় বাড়ানোর অনুরোধ করলেও আয়োজক সংস্থার তাতে সায় নেই। ফলে নির্ধারিত ৩১শে জানুয়ারিতেই শেষ করা হবে এ মেলা। ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার সচিব আহসানুল কবীর জানিয়েছেন, এখনও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত মেলার সময় না বাড়ানোর। মানবজমিনকে তিনি বলেন, ৩১শে জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে মাসব্যাপী মেলা শেষ হবে। অনুষ্ঠানে সেরা স্টল ও প্যাভিলিয়নকে পুরস্কৃতও করা হবে। এদিকে শেষ সময়ে এসে মেলায় বিদায়ের সুর বেজে উঠেছে। ক্রেতাদের মধ্যে এরই মাঝে শুরু হয়েছে ‘আগে এলে আগে পাবেন’ অবস্থা। আর বিক্রেতারা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন শেষ মুহূর্তে কিভাবে পণ্য ক্রেতার হাতে তুলে দেবেন, সে প্রচেষ্টায়। প্রতিটি স্টল ও প্যাভিলিয়নে চলছে কেনাকাটার ধুম। চলছে দর-কষাকষি। এক দামের স্টলেও দাম কিছুটা কমিয়ে ‘অনার’ করা হচ্ছে। ফলে পছন্দের জিনিস না নিয়ে কেউ এখন আর খালি হাতে ফিরছেন না। সর্বত্রই ভিড়। পোশাকপণ্য থেকে শুরু করে খাবারের দোকান, ক্রোকারিজ, জুতা, আবাসন, ফার্নিচার, গৃহশয্যা, ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য, বিনোদন পার্ক সব স্টলেই প্রচণ্ড ভিড়। ভিড়ের কারণে সন্ধ্যার পর আর স্বাভাবিক হাঁটাচলাও করা যায় না। বিকাল থেকে মেলার দিকে রীতিমতো স্রোত নামে মানুষের। লোকারণ্য হয়ে যায় মেলা ও আশপাশ। তবে এত ভিড়ের পরও প্রবেশ টিকিট কিনতে পর্যাপ্ত বুথ থাকায় মেলায় ঢুকতে খুব একটা বেগ পেতে হচ্ছে না দর্শনার্থীদের। ব্যবসায়ীরা জানান, শুরুর দিকে কেনাকাটা কম হলেও ৫-১০ দিন পর থেকে জমে ওঠে মেলা। এখন তা একেবারেই তুঙ্গে। শুধু রাজধানী ঢাকারই না, কেনাকাটা করতে ঢাকার বাইরে থেকেও শৌখিন ও সাধারণ ক্রেতা আসছেন। ব্যাগ ভরে নিয়ে যাচ্ছেন দেশী-বিদেশী পছন্দের পণ্য। মেলায় সবচেয়ে বেশি ক্রেতা হাঁড়ি-পাতিল, ওভেন, টিভি, ফ্রিজসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের। এসবের দেশী-বিদেশী স্টল থেকে তারা জিনিসপত্র যাচাই-বাছাই করে কিনেছেন। তবে দেশীয় ইলেকট্রনিক্স পণ্যের প্যাভিলিয়নে ভিড় চোখে পড়ার মতো। এখন সাশ্রয়ী দামে মানসম্মত দেশীয় পণ্য পাওয়ায় এদিকে বেশি আগ্রহ বলে জানিয়েছেন একাধিক ক্রেতা। এদিকে মেলায় আসা ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ব্যাংকিং সুবিধা দিতে সোনালী, জনতা ও ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের আলাদা তিনটি মিনি প্যাভিলিয়ন রয়েছে। এছাড়া টাকা তোলার সুবিধা দিতে মেলার দু’পাশে মার্কেন্টাইল ও ইসলামী ব্যাংকের পৃথক দু’টি অস্থায়ী এটিএম বুথও আছে। পাঁচটি এটিএম ও দু’টি ‘ডিপোজিট’ মেশিন আছে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের মিনি প্যাভিলিয়নে। ব্যাংকের অস্থায়ী শাখা মেলা চলাকালীন পর্যন্ত খোলা থাকছে। ফলে মেলাতেই টাকা জমা দেয়া ও তোলার সুবিধা ভোগ করছেন ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। একটি ব্যাংকের কর্মকর্তা জানান, প্রতিদিন এক হাজারের বেশি গ্রাহক এটিএম ব্যবহার করছেন। ব্যবসায়ীরা কোন ধরনের ঝক্কিঝামেলা ছাড়া মেলা প্রাঙ্গণেই টাকা জমা দিচ্ছেন। এবার প্যাভিলিয়ন ও স্টলের সংখ্যা গত মেলার চেয়ে কিছুটা কম। গতবার ৫৩১টি থাকলেও এবার ৫০৫।  ৫০, সংরক্ষিত প্যাভিলিয়ন ৪৪, প্রিমিয়ার মিনি প্যাভিলিয়ন ৩৬, সংরক্ষিত মিনি প্যাভিলিয়ন ১৫, প্রিমিয়ার স্টল ৪৭, সাধারণ স্টল ৩০৩, রেস্তরাঁ ৬, মা ও শিশু কেন্দ্র তিনটি এবং একটি বিনোদন পার্কও আছে। এদের মধ্যে রয়েছে ১২ দেশের ৪৭টি প্রতিষ্ঠান।

 

 

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট