Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ইউসুফকে নিয়ে গভীর সংকটে প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ

ঢাকা, ৩০ মার্চ: প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। সিসিডিএম’র কর্মকর্তারা প্রচণ্ড চাপের মুখে দিন আছেন- এমনটা বলার সুযোগ নেই। কারণ লীগ আয়োজনের মালিক সিসিডিএম। অথচ বিসিবির নির্বাচিত পরিচালক জি এস হাসান তামিম চৌধুরী সিসিডিএম’র চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে গেছেন ‘সূর্য তরুণের ঘটনায়’ পদত্যাগ করেন।

এরপর কাউন্সিল হানিফ ভূঁইয়াকে সিসিডিএম’র চেয়ারম্যান পদে ভারপ্রাপ্ত করা হয়। তিনি কোনো দায়িত্ব পালন করছেন বলে মিডিয়ার কাছে এমন কোনো তথ্য নেই। হানিফ ভূঁইয়া বদলে বর্তমানে আছেন সিসিডিএম’র ভাইস চেয়ারম্যান। এই যদি হয় সিসিডিএম’র অবস্থা তাহলে লিগ চলবে কি করে? ঘুরে ফিরে সদস্য সচিব ইকবাল ইউসুফ চৌধরীকে সব প্রশ্নে জবাব দিতে হচ্ছে।
তার অবস্থাটা এখন ‘শ্যাম রাখি না কুল রাখি’। ২৮ মার্চ ভিক্টোরিয়ার পক্ষে ম্যাচ রেফারি রায় দিয়ে আবাহনীর পয়েন্ট কেটে নিয়েছে। এর পেছনে ছিল পাকিস্তানের মুহাম্মদ ইউসুফের ভিক্টোরিয়ার পক্ষে খেলতে নামা। আবাহনী আল্টিমেটাম দিয়েছিল ‘মোহাম্মদ ইউসুফ’ বৈধ কিনা পরিষ্কার করে তা জানাতে। সেদিনও ঘটনার কয়েক ঘণ্টা অতিবাহিত হয়ে গেলেও সিসিডিএম’র মূল কর্তাদের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সুপার লীগ স্থগিতের ঘটনার সূত্রপাত্র ২৮ মার্চ আবাহনী-ভিক্টোরিয়ার ম্যাচ দিয়ে। ঘটনার আগেই মোহামেডান সিসিডিএম’র কাছে লিখিত আবেদনে মুহাম্মদ ইউসুফকে ভিক্টোরিয়ার না খেলতে দেয়ার আবেদন করে। তাতে উল্লেখ ছিল ইউসুফ মোহামেডানের ক্রিকেটার। তিনি জাল ছাড়পত্র জমা দিয়ে ভিক্টোরিয়ার হয়ে মাঠে নেমেছেন। সে দিনই (২৮ মার্চ) সিসিডিএম সুপার লিগ স্থগিতের ঘোষণা দেয়।
এ নিয়ে একাধিকবার লিগ স্থগিতের ঘটনা ঘটলো। কিন্ত এবারের ঘটনা ত্রিভূজ সমস্যায় আবর্তিত। অথচ বিসিবি যাদের হাতে যে সিসিডিএম’র দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন তারা কেউ দায়িত্ব পালন করেন না। সুপার লিগের বর্তমান পরিস্থিতিতে একটা বিষয় স্পষ্ট সিসিডিএম কাগজে কলমে আছে বাস্তবে এর কোনো প্রতিফলন নেই।
মোহামেডান ২৯ মার্চ ঘোষণা করে সিসিডিএম স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত না জানালে তারা সুপার লিগে খেলবে না। সিসিডিএম সিদ্ধান্ত জানাব কী করে? সিসিডিএম তো এখন ভিত্তিহীন। ভিত্তিহীন বলেই তো আবাহনী ম্যাচে না খেলে পুরো দিন ড্রেসিং রুমে বসেছিল। আবাহনী, মোহামেডান আর ভিক্টোরিয়ারসঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা করে তো তখনই বিষয়টি সুরাহা করা যেতো। দুই দলের ‘অবৈধ’ ক্রিকেটারের ঘটনায় দুই পয়েন্ট হারিয়ে শোধ নিতে অপেক্ষায় আছে আবাহনী। তবে এই মুহুর্তে আবাহনীর বর্তমান অবস্থান পরিষ্কার নয়। যা পরিষ্কার মোহামেডান আর ভিক্টোরিয়ার। দুই দলই বলছে ইউসুফ তাদের ক্রিকেটার।
একদিন আগেই সিসিডিএম একতরফাভাবে মুহাম্মদ ইউসুফকে বৈধ ঘোষণা করে। আর কাল সিসিডিএম’র চূড়ান্ত সিদ্ধামত্ম গ্রহণের বৈঠক হবে। সিসিডিএম এই বৈঠকের কথা আগেই জানিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু বৈঠকের আগেই কেন ইউসুফের ছাড়পত্র বৈধ ঘোষণা করা হলো? এমন তো নয় সিসিডিএম জানে না মোহামেডানের আবেদনে কী উল্লেখ করা হয়েছে?
বর্তমান প্রেক্ষাপটে মোহামেডান যদি সুপার লিগে না খেলে তা হলে কি পদক্ষেপ নেবে সিসিডিএম? আর যদি স্থগিত লিগ চালু না হয় তাহলে এর পর কি হবে?
জানতে চাওয়া হয় সিসিডিএমের সদস্য সচিব ইকবাল ইউসুফ চৌধুরী নিকুর কাছে। তিনি বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমরা নিজেদের মধ্যে বৈঠক করেছি। এবং বিসিবি সভাপতির কাছে একটি নির্দেশনা চেয়েছি। কাল দেখা যাক বৈঠকে কী হয়। আর মোহামেডান আজ আরো একটি চিঠি দিয়েছে। আমরা ইউসুফের ছাড়পত্রটি খতিয়ে দেখব। তার ছাড়পত্র কি আসলেই জাল কিনা। মোহামেডান আর খেলবে না এমন তো নয়। যদি প্রমাণ হয় ইউসুফ জাল ছাড়পত্র দিয়েছে তাহলে ভিক্টোরিয়ার পয়েন্ট কাটা যাবে।”
কিন্তু তাহলে আপনারা কোনো তদন্ত ছাড়াই ইউসুফের ছাড়পত্র বৈধ ঘোষণা করলেন কী করে? জবাবে নিকু বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, “এখন মোহামেডান আর ভিক্টোরিয়ার কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হবে। আর বিসিবি সভাপতির নির্দেশনা মেনেই এগুনো হবে। সিসিডিএম’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হানিফ ভূঁইয়া ঢাকাতে নেই। কাল বৈঠক পরিচালনা করবেন নাজমুল করিম পিংকু। তিনি সিসিডিএম’র ভাইস চেয়ারম্যান। আসলে আমরা একটি ক্রাইসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।”
Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট