Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ইন্দিরার জীবনচিত্র নয়, বাংলাদেশের জন্মকাহিনীর চলচ্চিত্র

চেন্নাই, ২৯ মার্চ: হলিউডে নির্মিতব্য চলচ্চিত্র বার্থ অফ এ নেশন-এর নির্মাতা কৃষ্ণা শাহ সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমস-এর লেখক গৌতম ভাস্করকে জানিয়েছেন, তার এ চলচ্চিত্রটি ইন্দিরা গান্ধীর জীবনীভিত্তিক নয় বরং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ইন্দিরার ভূমিকার অংশটুকু নিয়ে নির্মিত হবে।

অস্ট্রেলিয় পরিচালক ব্রুস বেরেসফোর্ড চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করবেন। ভারতে ইন্দিরা গান্ধীর প্রধানমন্ত্রীত্বকালে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নাটকীয় সব ঘটনাপ্রবাহ এ চলচ্চিত্রে তুলে ধরা হবে। কৃষ্ণা শাহের দেয়া তথ্যানুযায়ী, ‘পশ্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্ব পাকিস্তান আলাদা হয়ে মুজিবুর রহমানের অধীনে বাংলাদেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠার পথে রিচার্ড নিক্সন ও চীনা সরকারের বাধা উপেক্ষা করে ইন্দিরা যেভাবে কাজ করেছিলেন’- তা তুলে ধরা হবে চলচ্চিত্রে।
গৌতম ভাস্করকে ফোনে কৃষ্ণা শাহ মুম্বাই থেকে জানিয়েছেন, চলচ্চিত্রটি যদিও কিছুটা জীবনচিত্র ধরনের হতে পারে কিন্তু ‘‘এটা হচ্ছে এক জাতির জন্মের যুদ্ধ কাহিনী, অনেকটা গান্ধী বা পার্ল হারবার চলচ্চিত্রে মতো। কাহিনী সবারই জানা আছে।’’
যেহেতু এমন বিষয়ের ওপরই চিত্রনাট্য তৈরি করা হয়েছে ফলে আশা করা হচ্ছে চলচ্চিত্রটি কোনো বিতর্ক উসকে দেবে না। কংগ্রেস কখনোই নেহরু- গান্ধী পরিবারের কারো ব্যাপারে জীবনভিত্তিক চলচ্চিত্র তৈরি অনুমতি দেয়নি, দেয় না। ভারতের এ রাজনৈতিক দলটির বর্তমান প্রধান সোনিয়া গান্ধীর ওপর একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন জগ মুন্ধ্রা। কিন্তু তার সব প্রচেষ্টাই বিফলে গেছে। গৌতম ভাস্করকে একবার মুন্ধ্রা বলেছিলেন যে, এ চলচ্চিত্রের প্রকল্পটি তার বড় সাধের কাজ। কিন্তু সে সাধ অপূর্ণ রেখেই জগ মুন্ধ্রা গত বছর মারা গেলেন। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অনুমতি মেলেনি।
কৃষ্ণা শাহ জানিয়েছেন এ চলচ্চিত্রের জন্য পরিচালক নির্বাচন করতে তিনি ছয়মাস ধরে তিনি দুনিয়া চষে বেড়িয়েছেন। অনেকের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। ক্যাথারিন বিগলো (দি হার্ট লকার), জনাথন ডেমি (রাচেল গেটিং ম্যারিড) এবং জোডি ফস্টার (দি বিভার) এর মতো অনেক পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন। শেষ পর্যন্ত ব্রুস বেরেসফোর্ডের সঙ্গে রফা হল। তার ১৯৮৯ সালে চলচ্চিত্র ড্রাইভিং মিস ডেইজি সেরা চলচ্চিত্র হিসেবে অস্কার জিতেছিল।
কৃষ্ণা জানিয়েছেন, ‘ব্রুস বার্থ অ এ নেশনের চিত্রনাট্যটি ভালোবেসেছেন। ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি তিনি মুগ্ধ এবং তিনি ভারতকেও ভালোবাসেন। গান্ধী চলচ্চিত্রের জন্য যেমন রিচার্ড অ্যাটেনবরো লাগসই ছিলেন, তেমনি বার্থ অফ এ নেশনের জন্য ব্রুস বেরেসফোর্ড।’’
Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট