Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

স্বাধীনতা পদক পেলেন ১০ জন

ঢাকা, ২৫ মার্চ: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১০ জনকে স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়েছে।
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার সকালে এক অনুষ্ঠানে মনোনীতদের হাতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ এই পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পদকের জন্য মনোনীতরা দুই লাখ টাকার চেক ও সম্মাননাপত্র পেয়েছেন।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার দুই নম্বর আসামী শহীদ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন এবং সিরাজগঞ্জে প্রতিরোধ যুদ্ধের সংগঠক মহকুমা প্রশাসক শহীদ আবুল কালাম শামসুদ্দিন ২০১২ সালের মরণোত্তর স্বাধীনতা পদক পান।

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য আরো পুরস্কার পান চাঁদপুরে মুক্তিবাহিনীর চিকিৎসকের দায়িত্ব পালনকারী মুক্তিযোদ্ধা ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী এবং মুক্তিযোদ্ধা নয়ীম গহর।

সাংবাদিকতায় দৈনিক সংবাদের সাবেক সম্পাদক বজলুর রহমান স্বাধীনতা পুরস্কার (মরণোত্তর) পান। বজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন।

শিক্ষাক্ষেত্রে নজরুল গবেষক অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এই পুরস্কার পান। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বন্দিশিবিরে আটক ছিলেন।

সাহিত্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য আবুল ফজল মরণোত্তর পুরস্কার পান।

চিকিৎসাবিদ্যায় পুরস্কার পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত। তিনি ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়ে সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

গবেষণা ও প্রশিক্ষণক্ষেত্রে কৃষিবিজ্ঞানী ড. কাজী এম বদরুদ্দোজা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী পদার্থবিদ ড. কামরুল হায়দার স্বাধীনতা পদক পেয়েছেন।

ডা. সৈয়দা বদরুন নাহার চৌধুরী, নয়ীম গহর, প্রাণ গোপাল দত্ত, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, কাজী এম বদরুদ্দোজা এবং কামরুল হায়দার প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নেন।

মোয়াজ্জেম হোসেনের পক্ষে তার স্ত্রী কোহিনূর মোয়াজ্জেম হোসেন পুরস্কার নেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মোয়াজ্জেম হোসেনকে হত্যা করা হয়।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে বন্দি অবস্থায় ঢাকা সেনানিবাসে শহীদ আবুল কালাম শামসুদ্দিনের পক্ষে তার ছেলে আবুল কালাম সালাউদ্দিন প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার নেন।

আবুল ফজলের পক্ষে তার মেয়ে মমতাজ জানাহ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নেন।

বজলুর রহমানের পক্ষে তার স্ত্রী আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এই পুরস্কার নেন।

২০১২ সালে যারা স্বাধীনতা পদক পেয়েছেন তাদের প্রত্যেকে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি মেডেল, দুই লাখ টাকা এবং সম্মাননা পত্র পেয়েছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্যসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররফ হোসেইন ভূইঞা।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যের শুরুতেই স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এ বছর যারা স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন, তারা মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার পাশাপাশি, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও অবদান রেখে যাচ্ছেন।”

 

বার্তা২৪/জবা

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট