Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

শ্রীলঙ্কায় ভারত বিরোধিতা তুঙ্গে

কলম্বো, ২৩ মার্চ: শরিক দলের আবদার রাখতে গিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে কোণঠাসা হলো ভারত। জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনে আমেরিকার আনা মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রস্তাবে বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেই ভোট দিয়ে কলম্বোর রোষানলে পড়ল নয়া দিল্লি।

 

একেই ভারতের সঙ্গে কোনো প্রতিবেশীর ভালো সম্পর্ক নেই, তার ওপর আবার নতুন করে ‘শত্রু’ বানিয়ে ফেলল মনমোহনের সরকার। কোনো দেশের সম্মতি ছাড়াই (এ ক্ষেত্রে শ্রীলঙ্কা) সে দেশের বিরুদ্ধে আনা কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রস্তাব এর আগে ভারত সমর্থন করেনি। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এর আগে কখনও এমনটা ঘটেনি। আর এতেই মারাত্মক চটেছে ভারতের প্রতিবেশী এই দ্বীপ রাষ্ট্রটি।

 

শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জুড়ে ভারত বিরোধী নানা খবর প্রকাশিত হয়েছে। শ্রীলঙ্কার প্রথমসারির এক সংবাদপত্রে লেখা হয়েছে ‘India is a loser’। কোথাও লেখা হয়েছে, “India has failed to carry Asia”।

 

আসলে তামিলদের পক্ষ নিয়ে ভারত সরকার যে শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষদের বিরোধী কাজ করেছে সেটাই বলা হচ্ছে। তাদের বক্তব্য, এলটিটিই জঙ্গিরা যখন দেশের সাধারণ মানুষদের নির্বিচারে খুন করত তখন ভারত সরকার কোথায় ছিল?

 

আমেরিকার বিরুদ্ধেও ফুঁসছে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার সংবাদপত্রে লেখা হয়েছে আমেরিকার লজ্জা, কত কষ্ট করে আমাদের বিরুদ্ধে ওরা মাত্র ২৪টা ভোট জোগাড় করতে পেরেছে।

 

ভারতীয় পত্রিকাগুলোর অনলাইন সংস্করণে লেখা হয়েছে, শ্রীলঙ্কার এই ভারত বিরোধী মনোভাবে সবচেয়ে খুশি চীন ও তার বন্ধু পাকিস্তান। পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে চীন ওপাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে শ্রীলঙ্কাকে কৌশলগত ভাবে ব্যবহার করতেই পারে, এমনই আশঙ্কা করছেন ভারতীয় কূটনীতিকরা। এলটিটিই সুপ্রিমো ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের কিশোরপুত্র বালাচন্দ্রনকে গুলি করে খুন করার অভিযোগ রয়েছে শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, লক্ষ, লক্ষ তামিলকে নৃশংসভাবে অত্যাচার ও হত্যা করার অভিযোগে অভিযুক্ত সে দেশের সেনাবাহিনী।

 

প্রসঙ্গত, তামিল জঙ্গি সংগঠন এলটিটিই-র সঙ্গে লড়াইয়ের শেষ পর্বেই যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ উঠতে থাকে শ্রীলঙ্কার রাজাপক্ষে সরকারের বিরুদ্ধে। নিহত এলটিটিই প্রধান প্রভাকরণের ছেলে বালাচন্দ্রনের ক্ষতবিক্ষত দেহের ভিডিও সম্প্রতি একটি ব্রিটিশ চ্যানেলে দেখানোর পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংসদের ভিতরে ও বাইরে ডিএমকে এবং এডিএমকে সরকারের উপর চাপ তৈরি করতে থাকে। প্রাথমিকভাবে সরকারের তরফে জানানো হয়, সাধারণত এই ধরনের প্রস্তাব ভারত সমর্থন করে না। তবে শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন বলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রস্তাবে সায় দেয় ভারত। এই ঘটনায় রাজাপক্ষে সরকার ভারত বিরোধিতা সামনে এসে পড়েছে। সূত্র: ওয়েবসাইট।

 

বার্তা২৪/এসএফ

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট