Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদলীয় নেতা স্টেডিয়ামে

ব্যাট-বলের জাদুই কাল রাজনীতির সব পথ মিলিয়ে দিয়েছিল এক বিন্দুতে। এশিয়া কাপের ফাইনালে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের প্রেরণা দিতে গতকাল স্টেডিয়ামে গ্যালারিতে বসে খেলা দেখেছেন প্রেসিডেন্ট মো. জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। রাজনৈতিক সংস্কৃতির উল্টো রথে সওয়ার হাসিনা-খালেদা জাতির নানা সঙ্কট, দুর্যোগ ও জাতীয় ইস্যুতে এক টেবিলে বসতে না পারলেও দেশবাসীর আবেগের খেলা ক্রিকেটের সম্মোহনী টানে ছুটে গেছেন ক্রিকেট মাঠে। উপভোগ করেছেন টাইগারদের ক্রীড়া নৈপুণ্য। নানা টানাপড়েন, ঘাত-প্রতিঘাত, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত ও বিবাদ ভুলে এক স্টেডিয়ামে দু’ নেত্রীর উপস্থিতিকে ইতিবাচক চোখে দেখছেন সবাই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  সোয়া ৪টার দিকে যখন স্টেডিয়ামে পৌঁছেন তখন ব্যাট করছিল পাকিস্তান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে ঢোকার পরপরই পাকিস্তানের ব্যাটসম্যান শহীদ আফ্রিদি আউট হন। প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ পাশাপাশি বসে খেলা উপভোগ করেন। শেখ হাসিনার সঙ্গে বসে খেলা দেখেন তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ পরিবারের সদস্যরা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে স্টেডিয়ামে যান প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান। রাত ৮টার দিকে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পৌঁছেন খালেদা জিয়া। স্টেডিয়ামে তাকে অভ্যর্থনা জানান বিসিবি প্রেসিডেন্ট আ হ ম মোস্তফা কামাল। হসপিটালিটি বক্সে বিরোধী দলের নেতার সঙ্গে বসে খেলা দেখেন ঢাকার সাবেক মেয়র ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, বিরোধী নেতার চিফ সিকিউরিটি কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে আকবর, একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মাহবুব আল আমিন ডিউ ও প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান সোহেল। অবশ্যই বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সস্ত্রীক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক প্রথম থেকেই স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখেন। খালেদা জিয়ার প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল জানান, ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিবি) ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে কথা বলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বসার জায়গা নিশ্চিত হওয়ার পরপরই স্টেডিয়ামের উদ্দেশে রওনা দেন বিরোধীদলীয় নেতা। এছাড়াও দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতা স্টেডিয়ামে বসেই খেলা উপভোগ করেছেন বলে জানা গেছে। এর আগেও বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার মধ্যকার খেলা দেখতেও স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওইদিন খেলা শেষে তিনি গ্যালারি থেকে মাঠে নেমে ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানান। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কিংবা দীর্ঘদিনের রেওয়াজ সশস্ত্র বাহিনীর কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানেও দুই নেত্রীকে এক সঙ্গে দেখা যায়নি বহুদিন। কিন্তু বাংলাদেশীদের প্রাণের খেলা ক্রিকেট তাদের অন্তত এক স্টেডিয়ামে মিলিয়েছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট