Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সন্ধ্যা-সকাল কারখানা বন্ধ রাখার পরামর্শ

ঢাকা, ২৩ মার্চ: সেচ মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ছটা পর্যন্ত শিল্পকারখানাগুলোকে বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন তারা ইতিমধ্যেই এ ব্যাপারে কলকারখানার মালিকদের কাছে অনুরোধ পাঠাতে শুরু করেছেন।

 

বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে কলকারখানার মালিকদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়া গেলে প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব হবে।

 

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকে রাতে কলকারখানা বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হচ্ছে বলা হলেও বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই বলছে বাস্তবে সরকার তাদের ওপর হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে। তারা বলছেন শিল্পকারখানাগুলো এত বিপদে পড়বে, বিশেষ করে রফতানি-নির্ভর শিল্পখাত।

 

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বা পিডিবির চেয়ারম্যান আলমগীর কবির বলেন, “গরমের কারণে এই মৌসুমে বিদ্যুতের বাড়তি চাহিদা তৈরি হওয়াতেই এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে। এতে যে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে তা সেচের জন্য এবং পিক আওয়ারে শহরের গ্রাহকদের দেয়া হবে।”

 

পিডিবির চেয়ারম্যান বলেন, “এই পদক্ষেপ সাময়িক, মাত্র এক-দেড় মাসের জন্য। এতে কলকারখানার উৎপাদনে খুব একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।”

 

তার এই বক্তব্যের সাথে অবশ্য একমত হননি ব্যবসায়ী নেতারা।

 

ব্যবসায়ীদের আপত্তিউদ্বেগ

এফবিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট এ কে আজাদ বলেন, “এই সিদ্ধান্ত একদম হটাৎই চাপিয়ে দেয়া হলো।এতে ক্ষুদ্র শিল্পগুলো বেশি বিপদে পড়বে কেননা তাদের কাছে জেনারেটরের মতো বিকল্প ব্যবস্থা থাকে না। মাঝারি শিল্পগুলোর তা থাকলেও তাদের উৎপাদন ব্যয় বাড়বে।”

 

তবে আজাদ বলেন, “দেশের স্বার্থে স্বল্প মেয়াদে এটা চললে সেটা তারা মেনে নেবেন তবে দীর্ঘ মেয়াদে এই সিদ্ধান্ত কার্যকরী থাকলে সরকারের সাথে তাদের ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হবে।”

 

তিনি বলেন, “এ ধরনের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবার আগে প্রস্তুতি নেয়ার স্বার্থে আলাপ করার প্রয়োজন ছিল।”

 

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকরাও একই ধরনের মত প্রকাশ করেছেন। তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের প্রতিষ্ঠান বিজিএমইএর সহ-সভাপতি নাসিরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, “লোড শেডিংয়ের কারণে দিনের বেলাতেও বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না বলে রাতেও কাজ চালাতে হয়।”

 

পিডিবির হিসাব মতে চলতি শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা সাত হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। সেই সাথে বাড়ছে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদন।প্রায় দেড় হাজার মেগাওয়াটের ঘাটতির কারণে ঢাকাসহ সারাদেশে লোডশেডিং বাড়ছে। সুত্র: বিবিসি।

 

বার্তা২৪/এসএফ

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট