Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বিপদ-আপদ আসলে হাসিনা বিদেশে যান: মোশাররফ


ঢাকা, ১৮ মার্চ: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, “দেশে কোনো বিপদ আপদ আসলে শেখ হাসিনা বিদেশে চলে যান। মঈনুদ্দিন ফখরুদ্দিন আসার পর তিনি আমেরিকায় চলে গেছেন। এর আগে আরেকবার ভারতে যাওয়ার সময় বোরকা পরা অবস্থায় ধরা পড়েন। এজন্য তিনি এখন খালেদা জিয়াকে পাকিস্তান চলে যেতে বলছেন।”

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজিত ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা ও স্বাধীনতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন জিসাসের চেয়ারম্যান আবুল হাশেম রানা।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, “ওয়ান-ইলেভেনের পর খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে পাঠানোর জন্য অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে, কিন্তু তিনি যান নি। বলেছেন, আমি মরলে দেশের মাটিতেই মরবো।”

তিনি বলেন, “নিজের দলের অধীনে নির্বাচন করে লাশের ওপর দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় যেতে চায়। একবার যেহেতু বাকশাল কায়েম করে ক্ষমতায় থাকতে পারেননি তাই আর কখনো এমন কিছু করে ক্ষমতায় যেতে পারবেন না। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে।”

সরকার সবক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়ে পুলিশকে ব্যবহার করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “১২ মার্চের সমাবেশে যেভাবে বাধা দিয়েছেন এ থেকেই বুঝা যায় সংসদ নির্বাচনে প্রশাসনকে কতো বেশি ব্যবহার করবেন।”

সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে মোশাররফ বলেন, “বেডরুম যদি পাহারা দিতে না পারেন তাহলে সৌদি কূটনৈতিক রাস্তায় মারা গেলো কেন? জনগণের নিরাপত্তা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব। তারা এটি দিতে পারে নি। দেশের মানুষ কোথাও নিরাপদ নয়।”

তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ মিডিয়া বন্ধ করে দিচ্ছে। তাদের হাতে সংবাদপত্র স্বাধীন নয়, দেশ ও জাতি নিরাপদ নয়।”

স্বাধীনতার ঘোষকের নাম নিয়ে আওয়ামী লীগ ইতিহাস বিকৃতি করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমানকে তারা ভয় পায়। এজন্যই দিনের আলোর মতো সত্যকে গোপন করতে নানা বক্তব্য দিচ্ছে। জিয়াউর রহমান সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। এজন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে বীর উত্তম পদক দিয়েছেন। অথচ আওয়ামী লীগ বলে, তিনি নাকি মুক্তিযুদ্ধও করেন নি।”

জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক লেখার দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষককে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় ফাসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

স্বাধীনতার ঘোষণা যে জিয়াউর রহমান দিয়েছেন এ ব্যপারে ২৮টি বইয়ের রেফারেন্স আছে বলে দাবি করেন মোশাররফ। তিনি বলেন, “গায়ের জোরে কিছু কথা বলা যায়। কিন্তু ইতিহাসকে বিকৃত করার সুযোগ নেই।”

জিসাসের প্রধান উপদেষ্টা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, “টিভি চ্যানেল ও পত্রিকার হেডলাইন তৈরির জন্য অ্যাডভোকেট কামরুল উল্টা পাল্টা কথা বলেন। এসবে আমাদের কান না দিয়ে নিজেদের কাজে ব্যস্ত থাকতে হবে।”

তিনি বলেন, “মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় ভুমিকা পালন করেছেন। তিনি ক্রান্তিকালে এ ঘোষণা দিয়ে ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছেন। এটিকে কোনো রায়, সংবিধানের সংশোধন কিংবা কোনো বক্তব্য দিয়ে বদলানো সম্ভব নয়।”

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, এয়ার ভাইস মার্শাল অব. আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম, অভিনেত্রী রীনা খান।

বার্তা২৪/কেএমআর/জাই

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট