Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বিমানবন্দরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা

 সমুদ্রসীমার রায় নিয়ে জার্মানির হামবুর্গ থেকে দেশে ফেরার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনিসহ প্রতিনিধি দলকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। গতকাল সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার পর কর্মকর্তারা উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমার বিরোধে সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল-ইটলস এর রায় বাংলাদেশের পক্ষে আসায় শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নয়, দেশের সর্বস্তরের মানুষ খুশি। বিমানবন্দরে দীপুমনি নিজে কিছু না বললেও এ বিজয়ের কারিগর অতিরিক্ত পররাষ্ট্রসচিব  খুরশিদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, ইটলসের রায়ে বাংলাদেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং মহীসোপানের বাইরের সামুদ্রিক সম্পদে অধিকার পেয়েছে। তিনি বলেন, আশা করি ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমার মামলায়ও আমরা একই ধরনের রায় পাবো। এ ক্ষেত্রে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধের বিষয়ে বালাদেশের পক্ষে আসা আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায় নিয়ামক হিসেবে কাজ করবে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল মিয়ানমারের বিপক্ষে বাংলাদেশের করা তিনটি দাবিই মেনে নিয়েছে। ১৪ই মার্চ আদালত যে রায় দিয়েছেন তাতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে ১৩০ নয় বরং ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অর্থনৈতিক এলাকা পাবে। শুধু তাই নয় বরং ওই দূরত্বের পর বাংলাদেশের ব্যবহারের জন্য মহীসোপানও উন্মুক্ত থাকবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্য বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় বছরের ৩৬৫ দিনই দায়িত্ব পালন করছে। আমি মনে করি, এ রায়ের ফলে সমুুদ্রের যে সীমানায় বাংলাদেশের অধিকার রক্ষিত হয়েছে সেখানেও দক্ষতার সঙ্গে আধুনিক বাহিনীর মতো তারা দায়িত্ব পালন করবেন। পররাষ্ট্রসচিব  বলেন, ন্যায্যতার ভিত্তিতে রায় হওয়ায় মিয়ানমার ও বাংলাদেশের কোন ক্ষতি হয়নি বরং চাহিদার চেয়ে বেশিই পেয়েছে বাংলাদেশ। বঙ্গোপসাগরে মিয়ানমার যেভাবে নিজেদের রেখা টেনেছিল তাতে বাংলাদেশ কোনভাবেই মহীসোপানে নিজেদের অধিকার পেতো না। কেননা, মিয়ানমার আর ভারতের টানা রেখার পর বাংলাদেশের জন্য কেবল ১৩০ নটিক্যাল মাইলই অবশিষ্ট ছিল। এ কারণেই আন্তর্জাতিক আদালতে যায় বাংলাদেশ। তিনি বলেন, মিয়ানমার আদালতের কাছে মিয়ানমার সেন্টমার্টিন দ্বীপের মাত্র ৬ কিলোমিটার বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ দেয়ার আবেদন করেছিল। তবে মিয়ানমারের ওই দাবি নাকচ করে দেন আদালত। উল্টো বাংলাদেশের দাবি অনুযায়ী সেন্টমার্টিন দ্বীপের থেকে ১২ কিলোমিটার পর্যন্ত বাংলাদেশকে দিয়ে দেন আদালত। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের তিনটি দাবিই মেনে নিয়েছে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত সর্বোচ্চ এ আদালত।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


One Response to বিমানবন্দরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা

  1. shafiqul islam shafi

    March 17, 2012 at 10:21 am

    great