Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone
শেখ হাসিনা
আসুন আমরা এক হয়ে দেশের জন্য কাজ করি
খালেদা জিয়া
আমি বিশ্বাস করি ধর্য ছাড়া রাজনিতি সম্ভব নয়

বাগেরহাট, ১৬ মার্চ: সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুধমুখী ফরেস্ট অফিস এলাকার মরাভোলা এলাকায় র্যাব-৮ এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে পাঁচ বনদস্যু নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার সকালে এ ঘটনার পর এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১১টি বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ও ২৪০ রাউণ্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
সুন্দরবনে হেলিকপ্টার নিয়ে এই প্রথম র্যাব অভিযান চালালো বলে এলাকাবাসী জানান।
নিহতরা হলেন, বাগেরহাটের শরণখোলার সোনাতলা গ্রামের মজিবর ফরাজীর ছেলে সোহাগ বাহিনীর প্রধান সোহাগ ফরাজি (৩২), রামপালের প্রশাদনগর বর্নী গ্রামের রাহেন মিস্ত্রির ছেলে জিহাদ বাহিনীর প্রধান জিহাদুল ইসলাম (৩০), গামা বাহিনীর সদস্য আলমগীর হোসেন ওরফে আলামীন (২৮), আসাদুজ্জামান (৩০) ও কবির (২৯)।
র্যাব-৮ এর পটুয়াখালী ইউনিটের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নুরুজ্জামান জানান, শুক্রবার সকালে র্যাবের টহল হেলিকপ্টার সুন্দরবনের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় বনের অভ্যন্তরে দস্যুদের অবস্থান নিশ্চিত করে।
পরে মেসেজটি র্যাব-৮ এর পটুয়াখালী ইউনিটকে জানালে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান শুরু করে। উপস্থিতি টের পেয়ে বনদস্যুরা গুলিবর্ষণ শুরু করে। র্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। দেড় ঘণ্টা বন্দুকযুদ্ধের পর বনদস্যুরা পিছু হটে।
এরপর সুন্দরবনের দুধমুখী ফরেস্ট অফিসের কাছে মরাভোলা এলাকা ঘেরাও করে তল্লাশি শুরু করে র্যাব । এসময় পাঁচ বনদস্যুর গুলিবিদ্ধ লাশ, ১১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২৪০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি বন্দুক, দুইটি শর্টগান, একটি রিভলভার, একটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল, দুইটি এয়ারগান।
সুন্দরবনের বনজীবী জেলে ও বাওয়ালীরা উদ্ধারকৃত লাশ বনদস্যু সোহাগ বাহিনীর প্রধান সোহাগ, জিহাদ বাহিনীর প্রধান জিহাদ, জুলফিকার আলী গামা বাহিনীর সদস্য আলমগীর হোসেন ওরফে আলামীন, আসাদুজ্জামান ও কবির বলে শনাক্ত করেন।
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা (ডিএফও) মিহির কুমার দে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
বার্তা২৪/আজা/এআর