Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

প্রধানমন্ত্রীর কাছের লোকই হচ্ছেন ডিএসই’র প্রেসিডেন্ট

ঢাকা, ১৪ মার্চ: কে হচ্ছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রেসিডেন্ট? রোববার পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পর ডিএসইতে শুরু হয়েছে এ নিয়ে ব্যাপক গুঞ্জন। বর্তমান অস্থিতিশীল বাজারকে স্থিতিশীলতায় তার কী ভূমিকা হবে? এ ধরনের নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত এখন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা। একইসঙ্গে শোনা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর খুব কাছের কেউ হতে যাচ্ছে ডিএসই’র প্রেসিডেন্ট।

 

গত এক বছরের বেশি সময় ধরে অব্যাহত ধসে তলানীতে ঠেকেছে শেয়ারবাজার পরিস্থিতি। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে নতুন প্রেসিডেন্টকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেই কাজটি খুব বেশি সহজ হবে না। এ জন্য প্রয়োজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ একজন প্রেসিডেন্ট। যার মধ্যে রয়েছে দেশের শেয়ারবাজারের প্রতি দায়বদ্ধতা।  এখন দেখার বিষয় কে হচ্ছেন প্রেসিডেন্ট এবং কতটা দক্ষ হাতে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারেন।

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিএসই’র এক পরিচালক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন,‘‘প্রেসিডেন্ট হিসেবে যার নাম শোনা যাচ্ছে তিনি সরকারের উর্ধ্বতন মহলের সঙ্গে পুঁজিবাজার স্বাভাবিক করার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি এর আগেও ডিএসই’র প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।’’

 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরোও একজন পরিচালক বলেন, ‘‘নতুনদের মধ্য থেকে কেউ প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন না। প্রেসিডেন্ট কে হবেন তা ইতিমধ্যে  নির্ধারণ হয়ে গেছে। এখন শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা বাকি।’’

 

তিনি বলেন, ‘‘ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত প্রতিবেদনে যাদেরকে শেয়ারবাজারের পরিচালনা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে একজন  প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন।’’

 

জানা গেছে, তিনি ডিএসইর সাবে’ক প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীর খুব কাছের। দেশের পুঁজিবাজারের প্রতিটি ক্ষেত্রেই রয়েছে তার সরব পদচারণা। রাজনৈতিকভাবেও তিনি  বেশ প্রভাবশালী।

 

তার নাম ছাড়াও ডিএসই’র একজন সিনিয়র পরিচালকের নাম শোনা যাচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে তিনি ভিন্ন মেরুর হলেও প্রধামন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছে তার পারিবারিক সম্পর্ক। ১/১১ এর সময়ে এই পরিবারের এক সদস্য প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলাও লড়েছেন। ফলে তিনিও এবার প্রেসিডেন্ট হতে পারেন!

 

তবে বিনিয়োগকারীদের নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো মাথাব্যথা নেই। তারা মগ্ন আছেন নিজেদের লোকসান পুষিয়ে নিতে।

 

বিনিয়োগকারীদের সাথে আলাপ করলে তারা জানান, “আমাদের মাথায় এখন এ চিন্তা আসছে না। আমাদের চিন্তা হচ্ছে কিভাবে হারানো পুঁজি ফিরে পাওয়া যায়।” তারা বলেন,  ‘‘পরিচালনা পরিষদে যারাই আসুক তাদের কাছে আমাদের একটাই দাবি- তা হচ্ছে একটি স্থিতিশীল বাজার। যেখানে বিনিয়োগ করে তারা আমরা স্বস্তি পেতে পারি।’’

 

প্রসঙ্গত, গত ১১ মার্চ বর্তমান প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভি’র পরিচালকের মেয়াদ শেষ হয়। ওইদিনই নতুন পরিচালক নির্বাচন শেষ হয়। আগামী ১৫ মার্চ ডিএসই পরিচালনা পর্ষদের বার্ষিক সাদারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানেই নির্বাচিত হবেন নতুন প্রেসিডেন্ট।

 

বার্তা২৪/ওআর/জিসা

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট