Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

নভেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু: অর্থমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ মার্চ: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, “পদ্মাসেতু নির্মাণ কাজে আগামী অক্টোবরেই চুক্তির পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, আর নভেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।”

 

বুধবার সচিবলায়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

 

সকালে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের নতুন রাষ্ট্রদূত লি জুন (Li Jun) এর বৈঠক শেষে শেষে মুহিত সংবাদ সম্মেলন করেন।

 

পদ্মা সেতুতে চীন অর্থায়ন করবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “তারা বলেছে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আগে সুরাহা করতে।” তবে সুরাহা করলে তারা অর্থায়ন করবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “সে বিষয়ে তারা কিছু বলেনি।”

 

বিশ্বব্যাংকের অর্থ ছাড়ের বিষয়টি ‘না’ হয়ে যাবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, “সহজে ‘না’ হয় না। ৩০টির বেশি প্রকল্প রয়েছে, তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কও ভালো।”

এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, “পদ্মা সেতু নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে কথা এখনো শেষ হয়ে যায়নি। তারা ঋণের মেয়াদ ছয় মাসের জন্য বাড়িয়েছে। সেটা আমাদের কাছে খুব একটা গ্রহণযোগ্য নয়।”

 

মালয়েশিয়া পিপিপিতে পদ্মাসেতু নির্মাণে আগ্রহ দেখিয়েছে উল্লেখ করে ওই দিন তিনি বলেছিলেন, “যদি পিপিপি-তে যাব বলে মনে করি; তাহলে এর আগে যাদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে তা প্রত্যাহার করতে হবে।”

 

ওই দিন তিনি আরো বলেছিলেন, “পদ্মাসেতুতে নতুন উপায়ে অর্থায়ন করা হলে বিশ্বব্যাংকসহ চারটি সংস্থার কাছে বলা হবে- তোমরা কিভাবে কি করতে পার।’’ দুটি উপায় আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “একটা সরাসরি ঋণ, অন্যটি পিপিপি। তবে পিপিপি খুব ব্যয়বহুল। এটি যেহেতু বড় প্রকল্প আমরা চাইব আরো বিনিয়োগকারীকে নিয়ে সরাসরি করা যায় কিনা।”

 

উল্লেখ্য, ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ২৯০ কোটি ডলার, এডিবি ৬১ কোটি, জাইকা ৪০ কোটি এবং ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক ১৪ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার কথা। বাকি অর্থের যোগান দেবে সরকার। তবে দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্বব্যাংক তাদের অর্থায়ন স্থগিত করে।

 

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে তারা (চীন) চেষ্টা করছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “ঘাটিতি শুধু বাণিজ্য দিয়ে হয় না, বিনিয়োগ প্রয়োজন। তারা বিনিয়োগ করতে চায়।” তাদের সঙ্গে আমাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক উচ্চ মার্গের বলেও উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, আইটি সেক্টর, জাহাঙ্গীর গেট থেকে রোকেয়া সরনি টানেল নির্মাণ, মেঘনা দ্বিতীয় ব্রিজ, পিরোজপুর ঝালোকাঠি ব্রিজ ও ক্যাপিটাল ড্রেজিং এ ছয়টি ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করবে চীন।”

অর্থমন্ত্রী জানান, ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট হিসেবে পাগলা থেকে কেরানীগঞ্জ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও নরসিংদীতে সার কারখানার কাজ চলছে। কিছু কাজ বাকি আছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আগামী ২৪ মার্চ সার কারখানা খুলে দেয়া হবে।”

অর্থমন্ত্রী জানান, ২৮টি ক্ষেত্রে বিনিয়োগের কথা বলেছি। এর মধ্যে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি ছয়টিতে।

চীনের অর্থায়নে এজিবিশন হল নির্মাণ ৮/১০ বছর ঝুঁলে রয়েছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “এতো দিন ধরে পড়ে রয়েছে এতে তারা অসন্তুষ্ট। এক্সিবিশন হল করার কথা ছিল বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রের উল্টো দিকে সেখানে জায়গা নেই। তাই পূর্বাচলে করতে চেয়েছি। তারা বলেছে পানি বিদ্যুৎসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আগে নির্মাণ কর তার পরে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।”

বার্তা২৪/এসএমএ/জবা

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট