Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা বিরোধ তিন বছরের লড়াই শেষে রায় আজ

ঢাকা, ১৪ মার্চ: তিন বছরের সমুদ্রসীমা বিরোধের আইনী লড়াইয়ের রায় দেয়া হবে আজ বুধবার। বাংলাদেশ সময় বিকাল সাড়ে ৪টায় জাতিসংঘের বিশেষায়িত আদালত- ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দি ল অফ দি সি (আইটিএলওএস) এর বিচারপতি জোস লুইস জেসাস রায় দেবেন।

 

তিন বছরের আইনি লড়াইয়ের পর এ রায়ের ফলে উপকূল থেকে বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণে গভীর এলাকায় দুই দেশের সমুদ্রসীমার বিরোধ কাটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

বাংলাদেশ এ রায়ের জন্য অপেক্ষা করছে বলে মন্তব্য করেন ট্রাইবুন্যালের একজন আইজীবী।

 

এর আগে বাংলাদেশের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের তরফে গত বছর শুনানি শেষে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করে আইটিএলওএস। ১৯৯৪ সালের ১৬ নভেম্বর কার্যকর হবার পর থেকে আইটিএলওএস-এ দায়েরকৃত ১৬তম মামলা হচ্ছে বাংলাদেশ-মিয়ানমার মামলা।

 

১৪ ডিসেম্বর ২০০৯ সালে মামলাটি আইটিএলওএস-এ মামলা দাখিল করে বাংলাদেশ। এরপর এ বিরোধ নিষ্পত্তিতে আইটিএলওএস-এর বিচারিক এখতিয়ার মেনে নিতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে বিশেষ মতৈক্য হয়। পরে ২০১০ এর ১ জুলাই বাংলাদেশ নিজের পক্ষে সব দলিলপত্র আদালতে দাখিল করে, মিয়ানমার দলিলপত্র দাখিল করে সে বছরের ১ ডিসেম্বর।

 

দুই পক্ষের লিখিত যুক্তি তর্ক দাখিলের পর মামলাটির মৌখিক যুক্তি তর্ক পর্বের শুনানি হয়।

 

শুনানি

২০১১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশ মৌখিক যুক্তি তর্কের প্রথম পালা শুরু করে। ২৪ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের যুক্তি তর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে শুনানির মৌখিক যুক্তি তর্কের পালা বা ওরাল আর্গুমেন্ট রাউন্ড শেষ হয়।

 

প্রথম পালায় মিয়ানমার মৌখিক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে ১৫, ১৬, ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর। তারপর শুরু হয় মৌখিক যুক্তি তর্কের দ্বিতীয় পালা। সেই পালায় বাংলাদেশ ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর মোট ৯ ঘণ্টা ও মিয়ানমার ২৪ সেপ্টেম্বর একদিনে মোট ৯ ঘণ্টা যুক্তি তর্ক উপস্থাপনের সুযোগ পায়।

 

বাংলাদেশের আশার ভিত্তি

জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের প্রধান হিসাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং মিয়ানমার প্রতিনিধিদলের প্রধান হিসাবে দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল ড. তুন শিন শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন।

 

মামলার শুরু থেকে যুক্তিতর্ক ও শুনানি পর্বে বাংলাদেশ বলে আসছে যে, ১৯৮২ সালের ইউএন কনভেনশন অন দি ল অফ দি সি (আনক্লজ) অনুযায়ি বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারিত হবে উপকূল রেখা থেকে ইকুইটি ডিসট্যান্স বা ন্যায্য দূরত্বের ভিত্তিতে।

 

অন্যদিকে মায়ানমারের দাবি হলো, সীমানা নির্ধারিত হবে ইকুইডিসট্যান্স বা সমদূরত্বের ভিত্তিতে। এ ভাবে যদি সীমানা নির্ধারিত হয় তবে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলের সোজা পশ্চিমের দিকের বঙ্গোপসাগরের প্রায় পুরোটাই মিয়ানমার ও ভারতের দখলে চলে যাবে।

 

অবশ্য বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির বিষয় হলো আনক্লজ, ১৯৮২ অনুযায়ি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে মিয়ানমারের দাবির এ সমদূরত্বের নীতি প্রয়োগযোগ্য নয়। শুনানিতে বাংলাদেশের পক্ষের আইনজীবীরা এ সমদূরত্ব নীতি যে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী প্রয়োগযোগ্য নয়- সেটাই বলে আসছেন।

বাংলাদেশের যুক্তি-তর্ক কতটা গ্রহণযোগ্য হলো ট্রাইব্যুনালের কাছে? সে জবাব পাওয়া যাবে আজকের রায়ে। এ রায়ের ফলে বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণে গভীর এলাকার গ্যাস ব্লকগুলোতে অনুসন্ধানসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ পেতে পারে বাংলাদেশ।

 

বার্তা২৪/এসএফ/ফাআনা

 

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


One Response to বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমা বিরোধ তিন বছরের লড়াই শেষে রায় আজ

  1. Monirul Islam

    March 14, 2012 at 5:44 pm

    Is Dr. Kamal Hossain attaing at the hearing ?