Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

ডেটলাইন ১২-১২-১২

মাহমুদ মানজুর: গত ২৯শে ফেব্রুয়ারি ন্যান্সির ‘রঙ’ ছেড়ে ১লা মার্চ দেশ ছাড়লেন হাবিব। ঢাকা থেকে স্ত্রীকে নিয়ে উড়াল দিলেন থাইল্যান্ডে। স্টুডিও’র চার দেয়াল ভেদ করে প্রকৃতির নৈসর্গিক আবেশে। ন্যান্সির গান নিয়ে টানা ছয় মাসের রুদ্ধদ্বার গবেষণা। সংগীত পরিচালক হিসেবে এ অ্যালবামটি হাবিবের জন্য অনেক বড় চ্যালেঞ্জও বটে। কারণ নিজের বাইরে এটাই প্রথম কোন মৌলিক গানের অ্যালবাম, যেখানে তিনি এককভাবে দায়িত্ব নিয়েছেন। তাইতো অ্যালবামটি নিয়ে বড্ড চাপে ছিলেন শেষ না করা পর্যন্ত। ফলে বাংলালিংকে ডিজিট্যালি মুক্তি দিয়েই চলে গেলেন আড়ালে, থাইল্যান্ডে, পাতায়া সৈকতে সূর্যস্নানে। ফেরার কথা চলতি সপ্তাহের যে কোন দিন। হাবিব ঢাকায় না থাকলেও এরই মধ্যে তার রুদ্ধদ্বার পরিশ্রমের ফসল সোনারঙ ছড়াচ্ছে। ‘রঙ’ অ্যালবামে হাবিব-ন্যান্সির একমাত্র দ্বৈত গান ‘ঝরা পাতা’ উড়ছে সর্বত্র। ফেইসবুক মারফত ঢাকায় বসে পাতায়া সৈকতে এমন তথ্য পাঠাতেই হাবিবের জবাব, আল্‌হামদুলিল্লাহ্‌। আশা করছি শিগগিরই আরও কয়েকটি গান বাতাসে ভাসবে। আর আগামী মাসে ফিজিক্যালি অ্যালবামটি প্রকাশ হলে, এই ফিডব্যাকটা দশগুণ বেড়ে যাবে, আশা করছি। কারণ এই অ্যালবামটি নিয়ে আমার হিসাব-নিকাশ কিংবা স্বপ্ন ছিল সবচেয়ে আলাদা। বিচ্ছিন্নভাবে আমার-ন্যান্সির অনেক সফলতা। বিশেষ করে প্লে-ব্যাকে। ফলে এককভাবে পুরো একটি অডিও অ্যালবাম করার পর, সেই মাপে ফলাফল না পেলে প্রথম পরাজয় আমার হবে। দ্বিতীয় পরাজয় ঘটবে ন্যান্সির। হাবিব আরও বলেন, আমি এখন পাতায়া কিংবা থাইল্যান্ডে রেহানকে নিয়ে উড়ে বেড়াচ্ছি। আমাদের বিয়ের পর এটাই প্রথম কোন আনন্দময়-নিশ্চিন্ত সফর। এর মাঝেও আমি কান খাড়া করে রেখেছি ঢাকার উদ্দেশ্যে। ‘ঝরা পাতা’ গানটির কথা খুব শুনছি। নিয়ম করে নজর রাখছি ফেইসবুকেও। সেখানেও শ্রোতা-ভক্ত-বন্ধুদের ফিডব্যাক ভাল পাচ্ছি। ফেইসবুক চ্যাটবক্সে হাবিবের কাছে জিজ্ঞাসা ছিল, ‘রঙ’-এর পর নতুন করে কি ভাবছেন? লন্ডন প্রবাসী হেলাল-কায়া’র রিমেক প্রজেক্ট? নাকি কোন চলচ্চিত্রের গান? একটু থেমে হাবিবের চটজলদি জবাব, এখনই কিছু বলতে পারছি না। তাছাড়া এখনও আমি ‘রঙ’-এর ঘোর থেকে বেরুতে পারিনি। এখান থেকে কিছু ফিডব্যাক পাই। তার পরে না হয় নতুন কাজ নিয়ে ভাববো। খানিক বাদে হাবিব আরও জানান, এখনও তেমন কিছু ভাবিনি। তবে হিসাব মতে ফোক রিমেক প্রজেক্টটা হওয়া উচিত। যদিও সেটা এ বছরে শেষ করা হবে কিনা, সন্দেহ আছে। কেন সন্দেহ? এটাতো অনেক দিনের প্রজেক্ট। হাবিব বলেন, আসলে আমি ১২ই ডিসেম্বর নিয়ে নতুন করে ভাবছি। আমি চাইছি ১২-১২-১২, এই তারিখে আমার নতুন একক মুক্তি পাক। গেল বছর জুন মাসে ‘আহ্বান’ প্রকাশের পর এ বছরেই আরেকটি একক প্রকাশের কোন পরিকল্পনা আমার ছিল না। উল্টো ভেবেছি, তিন বছরের আগে আর কোন একক দিবো না। কিন্তু যখনই ১২-১২-১২ তারিখটি আমার কাছে স্পষ্ট হলো, তখনি আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম নতুন এককের। এটিই আমার আগামী একক অ্যালবামের ডেটলাইন। কিন্তু একক অ্যালবাম নিয়ে একটা তারিখের ওপর ভর করে এমন চটজলদি সিদ্ধান্ত কেন? এমন প্রশ্নে হাবিব সম্ভবত থাইল্যান্ডে বসে খানিক বিরক্তই হয়েছেন কিংবা ক্ষুব্ধ। তবুও সামলে ওঠে ঠাণ্ডা মাথায় বললেন, ভাই এমন সুন্দর তারিখ আমিতো পরের কথা, আমার সন্তানরা পাবে কিনা জানি না। কারণ এমন একটি দিন ১০০ বছর পর পর আসে। শুধু সেটাই নয়। ১২ সংখ্যাটি আমার জীবনে সবচেয়ে ভাগ্যবান সংখ্যা। এর পেছনে মেলা যুক্তি আছে, আধ্যাত্মিক বিষয় আছে। সেটা আর না বলি। সে জন্যই ১২ই ডিসেম্বর আমার চতুর্থ একক প্রকাশের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। উল্লেখ্য, গেল বছরের ১২ই জুন প্রকাশ পায় হাবিবের সর্বশেষ একক ‘আহ্বান’। একই বছর ১২ই অক্টোবর বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট