Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার আবেদনপত্র বাছাই চলছে


ঢাকা, ১২ মার্চ: বেসরকারি খাতে নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার আবেদনপত্র প্রাথমিক বাছাইয়ের পর টেকনিক্যাল কমিটি কাজ শুরু করেছে। প্রাথমিক বাছাইয়ে যোগ্য বিবেচিত ১৬ আবেদনকারী ব্যাংক পরিচালনার যোগ্য কি-না সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে এই কমিটি।

এ স্তরে যারা যোগ্য বিবেচিত হবেন তাদের আবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড বা মূল্যায়ন কমিটির কাছে পাঠানো হবে। এরপর সার্বিক তথ্য পর্যবেক্ষণ করে নতনু ব্যাংক গঠনের লাইসেন্স প্রদানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। চলতি মাসেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের চারজন মহাব্যবস্থাপকের সমন্বয়ে গঠিত ওর্য়াকিং গ্রুপ (টেকনিক্যাল কমিটি) দ্রুত কাজ শেষ করে চলতি সপ্তাহে তাদের মতামত বোর্ডকে জানাবে।

এ প্রসঙ্গে ওয়ার্কিং গ্রুপের এক সদস্য সোমবার মিডিয়াকে বলেন, ‘‘আমরা আবেদনপত্র বাছাইয়ের দ্বিতীয় স্তরের কাজ শুরু করেছি। দ্রুত কাজ এগিয়ে চলছে। আশা করছি চলতি সপ্তাহে আমরা আমাদের মতামত বোর্ডকে জানাতে পারব।’’

এ মাসের মধ্যে নতুন ব্যাংক গঠনে লাইসেন্স প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, নতুন ব্যাংক গঠনের আবেদনে সাড়া দিয়ে জমা পড়া মোট ৩৭টি আবেদনপত্রের ১৬টি প্রাথমিক বাছাইয়ে যোগ্য বিবেচিত হয়েছে। এই ১৬ ব্যাংকের তালিকা ও উদ্যোক্তাদের নাম ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

প্রাথমিক স্তরের বাছাইয়ের জন্য গঠিত কমিটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংক প্রবিধি ও নীতি বিভাগের (বিআরপিডি) তত্ত্বাবধানে গত তিন মাস ধরে প্রাধমিক বাছাইয়ের কাজ সম্পন্ন করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র জানিয়েছে, ৫ থেকে ৬ জন উদ্যোক্তাকে নতুন ব্যাংক গঠনে লাইসেন্স প্রদান করা হতে পারে। তবে প্রকৃত সংখ্যা কত দাঁড়াবে সে বিষয়ে বোর্ড চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক গতবছরের ১ অক্টোবর নতুন ব্যাংক গঠনের জন্য বেসরকারী উদ্যোক্তাদের কাছে আবেদন জমাদানের আহবান জানান। এতে সাড়া দিয়ে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে মোট ৩৭টি আবেদন জমা পড়ে।

সিলগালা করা বাক্সে এসব আবেদন জমা রাখা হয়। এরপর শুরু হয় আবেদনপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রাথমিক কাজ ।

উল্লেখ্য, আবেদনের সাথে অফেরতযোগ্য ১০ লাখ টাকার সিকিউরিটি মানি জমা দিতে হয় উদ্যোক্তাদের।

নতুন ব্যাংক গঠনের শর্তাবলীতে রয়েছে ৪শ’ কোটি টাকা মূলধন নিয়ে ব্যাংকের যাত্রা শুরু করতে হবে। কোন ঋণ বা কর খেলাপী ব্যক্তি নতুন ব্যাংকের পরিচালক বা শেয়ার হোল্ডার হতে পারবেন না। এমনকি গত ৫ বছরেও কেউ খেলাপি থাকলে বা এ বিষয়ক কোন মামলা অনিষ্পত্তি থাকলে তার আবেদন বিবেচনায় নেয়া হবে না।

আর এ জন্য উদ্যোক্তার আবেদনপত্রের সঙ্গে কর ও ঋণ সংক্রান্ত রিটার্ন ও সার্টিফিকেট দাখিল করতে বলা হয়। দাখিল করা তথ্যের সঙ্গে আবেদনকারীর হিসাবের মিল আছে কি-না তিন স্তরে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বার্তা২৪/জিসা

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট