Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

গণগ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপি’র ঢাকা চলো কর্মসূচিকে ঘিরে দেশ জুড়ে চলছে গণগ্রেপ্তার। ঢাকার সবগুলো প্রবেশমুখে একাধিক চেকপোস্ট ও নিরাপত্তা চৌকি বসানো হয়েছে। কড়া তল্লাশি করা হচ্ছে। পুলিশের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে আগন্তুকদের। রাজধানীর যাত্রবাড়ী, পল্টন, মতিঝিল, রমনা, বংশাল, দারুস সালাম, মোহাম্মদপুর, মিরপুর থানায় অন্তত ২০০ সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। এদের সবাইকে ডিএমপি অধ্যাদেশ ও ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গণগ্রেপ্তারের এ সুযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার বাণিজ্যের অভিযোগও পাওয়া গেছে। নিরীহ মানুষজনকে গ্রেপ্তার করে উৎকোচ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নগরীজুড়ে থানা পুলিশের পাশাপাশি রায়ট ডিভিশন ও দাঙ্গা দমন ইউনিটের রিজার্ভ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। হলুদ জ্যাকেট পরে মোড়ে মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্টদের তৎপরতা লক্ষ করা গেছে। বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। গতকাল কমলাপুর রেলস্টেশনে পুলিশী তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে নেমেই ৪ স্তরের পুলিশী বলয়ের মধ্যে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের। ট্রেন থেকে নামার পরই জিআরপি পুলিশ একদফা তল্লাশি করেছে। এরপর স্টেশন চত্বর পার না হতেই মতিঝিল থানা পুলিশের চেকপোস্ট। তার পর আবার ডিবি’র লোকজনের খবরদারি। স্টেশন চত্বর থেকে বের হতেই র‌্যাবের তল্লাশি। কমলাপুর স্টেশনে গতকাল মতিঝিল জোনের পেট্রল ইন্সপেক্টর আবুল বাশারের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছিলেন। সঙ্গে ছিল পুলিশের সিভিল টিম। খালি হাতে কোন যুবককে স্টেশন থেকে বের হতে দেখলেই পুলিশের জেরার মুখে পড়তে হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আবার পড়তে হয়েছে র‌্যাবের চেকপোস্টে। মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও মালামাল পরীক্ষা করেছে র‌্যাব। দায়িত্ব পালনরত র‌্যাবের এসআই লুৎফর রহমান জানান, এখানে ১৪ জন র‌্যাব সদস্য দায়িত্ব পালন করছে। নির্দেশ দেয়া হয়েছে  বিস্ফোরকজাতীয় কোন দ্রব্য বা অস্ত্র নিয়ে  স্টেশন থেকে যাতে কেউ বের হতে না পারে। এছাড়া সন্দেহভাজন কাউকে দেখলে আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি।
হয়রানি: বেলা ৩টার দিকে রাজশাহী থেকে ছেড়ে আসা সিল্কসিটি ট্রেন এসে থামে কমলাপুর স্টেশনে। ট্রেন থেকে নেমেই পুলিশের চেকপোস্টের মুখে পড়েন রাজশাহীর লক্ষীপুরের বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক আনোয়ার হোসেন। তার সঙ্গে ছিল স্ত্রী জিনাত বেগম আর ৯ বছরের ছেলে অনিক। আনোয়ারের পরনে ছিল পাঞ্জাবি, তার স্ত্রী বোরকা পরেছিলেন। জেরার মুখে পুলিশকে আনোয়ার বলেন, আমি রাজশাহীর তালাইমারী প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক। স্ত্রী অসুস্থ। তাকে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে এসেছি। এর আগে জাপান-বাংলাদেশ হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মিজানুর রহমানের প্রেসক্রিপশনও দেখান তিনি। সঙ্গে ছিল বিভিন্ন হাসপাতালে করা নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাগজপত্র। কিন্তু পুলিশ এসব শুনতে চায়নি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় পাশের একটি কক্ষে। সেখানে তাদের দেহ তল্লাশি করা হয়। সঙ্গে আনা কাপড় চোপড়, ওষুধের প্যাকেট খুলে তছনছ করে পুলিশ। আধা ঘণ্টা ধরে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের যেতে দেয়া হয়।  দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনগুলো কমলাপুর স্টেশনে থামার সঙ্গে সঙ্গে রেলওয়ে পুলিশকে তৎপর হতে দেখা গেছে। পুলিশের সন্দেহ ছিল খালি হাতে আসা যুবক ও দাড়ি-টুপিওয়ালা মাঝ বয়সী লোকজন।
সাদা মাইক্রোবাসটি ভর্তি: কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে পুলিশের একটি সাদা মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-৫১-১৪৪০) দাঁড়িয়েছিল। সন্দেহভাজনদের আটকের পর তাদের মাইক্রোবাসে আটকে রাখা হয়। দুপুর ১টার সময় পুরো বাসটি ভর্তি ছিল। দেড়টার দিকে সজীব নামের এক যুবককে বেদম মারধর করতে করতে মাইক্রোবাসটির কাছে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে আসে দায়িত্বরত এএসআই খালেক। তাকে গাড়িতে তোলা হয়। জানতে চাইলে দায়িত্ব পালনরত পেট্রল ইন্সপেক্টর আবুল বাশার বলেন, গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় এদের আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয়া হবে। বেলা ৩টার দিকে দায়িত্ব পালনরত এক পুলিশ সদস্য জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। রেলওয়ে থানার ওসি আলাউদ্দীন চৌধুরী জানান, ১২ই মার্চকে কেন্দ্র করে আমাদের বেশ কয়েকটি টিম স্টেশনে কাজ করছে। সন্দেহভাজন হিসেবে ২০-২৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের অনেককে যাচাই-বাছাই শেষে ছেড়ে দেয়া হতে পারে।
সাতক্ষীরায় ১৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, আগামী ১২ই মার্চ ঢাকা চলো কর্মসূচিকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা জেলায় জামায়াত-বিএনপি’র ১৫ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদেরকে পুলিশ আটক করে। আটককৃত পৌর বিএনপি’র সভাপতি হাবিবুর রহমান হবিকে অসুস্থ থাকার কারণে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিল, কালীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা জামায়াতের তথ্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আজিজুর রহমান, সদর উপজেলার ঘোনা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবদুল ওয়াদুদ ও সাতক্ষীরা পৌর বিএনপি’র সভাপতি হাবিবুর রহমান হবি, সাতক্ষীরা জেলা সদরের খানপুর গ্রামের জামায়াত কর্মী মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, গোলাম মোস্তফা, আলী মোর্তজা, একই উপজেলার পরাণদহ গ্রামের মহিদার রহমান, আফতাফ দর্জি, খলিলনগর গ্রামের ছাত্রশিবির কর্মী রনি হোসেন, কুচপুকুর গ্রামের ইমরান হোসেন, কালীগঞ্জ উপজেলার ভাড়াসিমলা গ্রামের আবুল কাশেম, দেবহাটা উপজেলার খেজুরবাড়িয়া গ্রামের রওশান আলী, পারুলিয়া গ্রামের নজরুল ইসলাম।
সোনারগাঁয়ে আটক ১০
সোনারগাঁ প্রতিনিধি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবারে সোনারগাঁও থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের ১০ জন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে। নাশকতার আশঙ্কায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। তবে আটককৃতদের পরিবারের দাবি, তারা ১২ই মার্চ কর্মসূচি সফল করতে বিএনপি’র পক্ষে বিভিন্ন স্থানে পোস্টার লাগানোর অপরাধে তাদের আটক করে।
সোনারগাঁ থানার উপপরিদর্শক মো. শাহ আলম জানান, উপজেলার কাঁচপুর, বারদী, উদ্ববগঞ্জ এলাকায় নাশকতার আশঙ্কায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চালিয়ে বারদী ও উদ্ববগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে তারেকুর রহমান টিপু, রুবেল, জামান, ওমর ফারুক, কাজী নাজমুল হোসেনসহ ৬ জনকে আটক করা হয়। অন্যদিকে কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসআই অজয় কুমার পাল জানান, তিনি রুবেল সাউদ, দ্বীন ইসলাম, মিজানুর রহমান ও মো. ফারুক নামের ৪ জনকে আটক করেন।  আটককৃত এ ৪ জনের বিরুদ্ধে গত বছরের ১০ই জুলাই বিএনপি’র ডাকা হরতালে কাঁচপুর পয়েন্টে পুলিশের ওপর হামলা চালানোর ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহ করা হয়। এদিকে বিএনপি ও জামায়াত কর্মী আটকের খবরে সোনারগাঁ থানায় ছুটে আসেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার ও সোনারগাঁ থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মান্নানসহ বিভিন্ন নেতা-কর্মীরা।
এ সময় জেলা বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, ১২ই মার্চ ঢাকা চলো কর্মসূচি বানচাল করার জন্যই আমাদের নেতা-কর্মীদের আটক করছে পুলিশ। বিএনপি’র পোস্টার লাগিয়ে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করায় তাদের পুলিশ আটক করেছে। এ আটক স্বৈরাচারী সরকারের বহিঃপ্রকাশ। আমাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মী কারা বরণের জন্য তৈরি আছে।
খুলনায় গ্রেপ্তার ২৭
স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে জানান, ১২ই মার্চের চলো চলো ঢাকা চলো মহাসমাবেশকে সামনে রেখে খুলনায় পুলিশ গণগ্রেপ্তার শুরু করেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে নগর ও জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইদুর রহমানসহ বিএনপি, জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের ২৭ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম কামরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর নাজিরঘাটস্থ ছাত্রাবাসে পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় ওই ছাত্রাবাস থেকে খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইদুর রহমান, ওবাইদুর রহমান সোহাগ ও হাফিজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জামায়াত নেতা ড. শাহজালাল, শামসুল হুদা, ইউসুফ হাওলাদার ও রাশেদ হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অপরদিকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের খুলনা মহানগরী সেক্রেটারি গাজী মোর্শেদ মামুন অভিযোগ করে বলেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নগরীর নাজিরঘাটস্থ ছাত্রাবাসে অভিযানের সময় খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স ছাত্রাবাসের ১২টি কক্ষ ভাঙচুর, কোরআন-হাদিস ও ইসলামী সাহিত্য তছনছ করেছে। এ সময় বস্তাভর্তি দাওয়াতি প্রকাশনা, নগদ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংকের চেক বই, ৬০ হাজার টাকা মূল্যের একটি ল্যাপটপ, ৫০ হাজার টাকা মূল্যের দু’টি ডিজিটাল ক্যামেরা, ৫টি মোবাইলসহ প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃত মহানগরী সভাপতি সাইদুর রহমানের আজ (গতকাল) শুক্রবার এমবিএ প্রথম সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল।
দাকোপ থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলো বিএনপি নেতা আবদুল বারীক গাজী, মুক্তিযোদ্ধা  শেখ ফারুক, আবদুল মালেক খান, আবদুর রাজ্জাক, সেলিম হাওলাদার, রতন রায়, বাচ্চু ফকির, প্রিন্স হালদার, সুমন গাজী, খোকন সরদার, আবদুর রহিম, ছাত্রদল নেতা মোজাফ্‌ফর হোসেনসহ ১৫ জন এবং জামায়াত নেতা মো. আবু সাইদ ও আবুল হোসেন সরদার। এছাড়া কয়রা থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলো বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম ও জামায়াত নেতা আজিজ হাওলাদার, আকরাম হোসেন।
নগর মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ওয়াচ) শহিদুল ইসলাম জানান, নগরীতে নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন সম্ভাবনায় ৮ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে সোনাডাঙ্গা থানায় ৬ জন ও খুলনা সদর থানায় রয়েছে দু’জন। তিনি জানান, আটককৃতরা কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য কিনা সেটি জানা নেই। ওই আটজন ছাড়া বাকি ২৪ জন নগরীর ৫ থানার বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি বলে তিনি জানান।
সরাইলে ৫ ছাত্র গ্রেপ্তার
সরাইল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি জানান, সরাইলে নাশকতায় জড়িত থাকার সন্দেহে পাঁচ মাদরাসা ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলা চত্বরে সংঘবদ্ধভাবে ঘোরাফেরা করার সময় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, রাত সাড়ে ১২টার সময় পাঁচ মাদরাসা ছাত্রকে সংঘবদ্ধভাবে ঘুরতে দেখে সন্দেহ হয়। তারা নিজেদের মাদরাসা ছাত্র ও চারদলীয় জোটের কর্মী বলে জানায়। তাদের কথাবার্তা ও চলাফেরায় সন্দেহ হওয়ায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে- ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জের সবুজ মিয়ার পুত্র সামছুল আলম (১৮), একই জেলার দুবাউড়া গ্রামের হাসান বেপারীর পুত্র সাদেকুল ইসলাম (২০), নাসিরনগর উপজেলার কাইতুরা গ্রামের বাচ্চু মিয়া (২২), সরাইল উপজেলার কালীকচ্ছের আ. গফুর মিয়ার পুত্র মো. ইব্রাহিম মিয়া (১৮) ও জেলার বিজয়নগর উপজেলার গাজিউর রহমানের পুত্র মাসুকুর রহমান (১৯)।
মানিকগঞ্জে বিএনপি’র
৯ নেতাকর্মী আটক
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, মানিকগঞ্জে বিএনপি’র ৫ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। তবে বিএনপি নেতাদের দাবি, আটকের সংখ্যা ৯ জন। গত বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন উপজেলা থেকে এদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঘিওর থানা পুলিশ তরা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে মানিকগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আসলাম হোসেনকে।
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ-উল-ইসলাম জানান, ১২ই মার্চের কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা ঘটানোর আশঙ্কায় তাকে আটক করা হয়েছে।
অন্যদিকে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে আলম, আমিনুর, নয়ন ও লুৎফর নামের ৪ বিএনপি কর্মীকে ঢাকা চলো কর্মসূচির  পোস্টার লাগানোর সময় গ্রেপ্তার করে।
তবে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান   বলেন, ঢাকা চলো কর্মসূচি সামনে রেখে ঘিওর, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলায় গণ গ্রেপ্তার চালানো হচ্ছে। এ পর্যন্ত তাদের ৯ জন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
যশোরে জামায়াত-শিবিরের
৪ নেতাকর্মী আটক
স্টাফ রিপোর্টার, যশোর থেকে জানান, ১২ই মার্চ নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগে যশোর শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে যশোর কোতোয়ালি পুলিশ জামায়াত-শিবিরের ৪ কর্মীকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলো- আজাদ হোসেন, আবু জার গিফারী, হাসিবুজ্জামান ও সফিকুল ইসলাম। পুলিশ জানায়, আটককৃতরা শহরের বারান্দীপাড়ার একটি মেসে সরকারবিরোধী চক্রান্ত করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।
মাদারীপুরে গ্রেপ্তার ২
মাদারীপুর প্রতিনিধি জানান, গতকাল সন্ধ্যায় মাদারীপুর থানা জামায়াতের সভাপতি মোকলেছুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সন্ধ্যা ৮টায় চরমুগরীয়া আধুনিক হাসপাতাল থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


2 Responses to গণগ্রেপ্তার

  1. lishun

    March 11, 2012 at 4:20 pm

    Auamileg becom mad.

  2. lishun

    March 11, 2012 at 4:22 pm

    now bangladesh become policestate country.