Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

আমেরিকান রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়: সিপিবি

ঢাকা, ৫ মার্চ: বাংলাদেশে আমেরিকার বিশেষ বাহিনীর সৈন্যদলের উপস্থিতি সম্পর্কে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ডি.ডি. মজিনার বক্তব্যকে অগ্রহণযোগ্য বলে সিপিবি’র সভাপতি মনজুরুল আহসান খান ও সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম আখ্যায়িত করেছেন। রাষ্ট্রতদূত রোববার এটা দাবি করেন।

সিপিবি নেতারা বলেন, ‘‘আমেরিকার কংগ্রেস কমিটির কাছে শুনানির সময় অ্যাডমিরাল রবার্ট উইলার্ড জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আমেরিকার ‘স্পেশাল ফোর্সের’ সদস্যরা ‘অবস্থান’ করছে। আমেরিকান রাষ্ট্রদূতের ভিন্নতর বক্তব্য কতোটা বিশ্বাসযোগ্য, সে প্রশ্ন সবার মনে উদয় হওয়াটা স্বাভাবিক। তারপরও, তার বক্তব্য থেকে একথা বেরিয়ে আসে যে ‘ঘাঁটি’ না থাকলেও ‘অনেক বছর ধরে’ বাংলাদেশে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। এদের মধ্যে ‘বিশেষ বাহিনীর’ সদস্যও আছে যারা নিয়মিত যাওয়া-আসার মধ্যে থাকেন। তিনি আরো বলেছেন, সন্ত্রাসবাদ দমনের পাশাপাশি ‘সমুদ্রসীমা ও স্থলসীমানায় পাহারার ক্ষেত্রে আমেরিকার বিশেষ বাহিনী বাংলাদেশকে ঘনিষ্টভাবে সহযোগিতা করছে’। এসব কথা থেকে এটাই স্পষ্ট যে আসলে বাংলাদেশে মার্কিন ‘উপস্থিতি’ দীর্ঘদিন ধরে বহাল আছে। ‘ঘাঁটি’ নেই বলে উল্লেখ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত এদেশে তাদের সামরিক উপস্থিতির ঘটনাকে আড়াল করে ধূম্রজাল ছড়াতে চেষ্টা করেছেন।’’

বিবৃতিতে তারা বলেন, ‘‘বাংলাদেশকে তার স্থলসীমা, সমুদ্রসীমা রক্ষা ও এদেশকে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমেরিকা দীর্ঘদিন ধরে সহযোগিতা করে চলেছে বলে রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে মার্কিন ভূমিকার প্রশ্নটিকে স্বাভাবিকভাবেই সামনে আনে। সে সময় তারা স্বাধীন দেশের অভ্যূদয়কে ধ্বংস করতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প্রত্যক্ষ মদত দিয়েছিল। আণবিক অস্ত্র সজ্জিত ৭ম নৌবহরকে বঙ্গোপসাগরে পাঠিয়েছিল, গণহত্যা সংগঠনকারী সন্ত্রাসীদের সহযোগিতা করেছিল। বাংলাদেশের অভ্যূদয় রুদ্ধ করার জন্য যে মার্কিনীরা এক সময় সক্রিয় ছিল, সেই বাংলাদেশের স্থলসীমা, সমুদ্রসীমা রক্ষা ও তাকে সন্ত্রাসী শক্তির হাত থেকে রক্ষা করতে চায় তখন সেটাকে ‘ভূতের মুখে রাম নাম’ বলে আখ্যায়িত করাই যুক্তিসংগত।’’

বিবৃতি নেতারা বলেন, ‘‘আমেরিকান রাষ্ট্রদূত একথা পরিষ্কার করেননি যে কোন চুক্তি অনুসারে তাদের বিশেষ বাহিনী ও অন্যান্য সৈন্য বাংলাদেশে বহু বছর ধরে আসা যাওয়া করছে? হানা, সোফা প্রভৃতি ‘গোপন চুক্তিগলোর’ বিষয়ও তিনি গোপন করে গেছেন। আমাদের জানা মতে, এর আগে অন্তত দুই দুইবার সরকারের অনুমতি নেয়ার আগেই এদেশে মার্কিন সৈন্য পদার্পন করেছে।’’

বিবৃতিতে তারা আমেরিকান রাষ্ট্রদূতকে দেশের গোয়েন্দা দফতরে সমাদরে আমন্ত্রণ জানানো, তাকে পুলিশের ইউনিফর্ম পরিয়ে দেয়া ইত্যাদি উদ্দেশ্য ও এসব কাজ কতোটা যথাযথ হয়েছে, সে সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন।

সিপিবি নেতাদ্বয় সরকারের মার্কিন প্রীতি ও সাম্রাজ্যবাদের প্রতি নতজানু নীতির তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, ‘‘এই নীতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম সম্পর্কে সংবিধানের ২৫ নং ধারার বরখেলাপ।’’

বার্তা২৪/জিসা

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট