Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

টিফা নয় টিকফা হচ্ছে আগামী মাসে

আশরাফ খান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের শর্ত মেনে নিয়েছে। দু’দেশের মধ্যে ‘টিফা’ চুক্তি সম্পাদনে যুক্তরাষ্ট্র শর্ত দিয়েছিল বাংলাদেশের তরফে দুর্নীতির আশ্রয় না নেয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে বিষয়টি চুক্তিভুক্ত করতে হবে। অত্যন্ত অমর্যাদাকর শর্তের বিষয়টি জোট সরকার ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার সুরাহা করতে পারেনি। বর্তমান সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, দুর্নীতি কথাটিই রাখা যাবে না। যদি রাখতে হয় তাহলে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুই পক্ষের ক্ষেত্রেই থাকতে হবে। সরকারের এই শক্ত অবস্থানের পর যুক্তরাষ্ট্র দুর্নীতি শব্দটি না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির যে খসড়া বাংলাদেশ সরকারের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে, তাতে দুর্নীতির কথা বলা হয়নি।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, খসড়া চুক্তিতে ‘টিফা’র নতুন নাম রাখা হয়েছে ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন ফোরাম এগ্রিমেন্ট (টিকফা)। সিদ্ধান্ত হয়েছে, ডব্লিউটিও’র শর্ত অনুযায়ী মেধাস্বত্ব না দেয়ার অধিকার বাংলাদেশ ২০১৩ সাল পর্যন্ত ভোগ করতে পারবে। ২০১৫ সাল পর্যন্ত পেটেন্ট ছাড়া ওষুধপত্রসহ ফার্মাসিউটিক্যাল সামগ্রী বিপণন করার সুযোগ পাবে। পুরুষ শ্রমিকের পাশাপাশি নারী শ্রমিক মজুরি এবং অন্যান্য অধিকার ও সুযোগ-সুবিধায় সমতা ও কল-কারখানায় শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার নিশ্চিত করা ও শিশুশ্রম বন্ধ করার প্রশ্নে দু’পক্ষ এখনও মতৈক্যে আসতে পারেনি। পররাষ্ট্র সচিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশ থেকে উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধিদল ওয়াশিংটনে ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভের সঙ্গে কথা বলেছেন। এসব বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থা তুলে ধরে দ্রুত পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতি ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দেন। পরে বাণিজ্য সচিব তাদেরকে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রসমূহে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানান। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে তারা নিয়মিত ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। আশা করছেন চিহ্নিত তিনটি বিষয়ে খুব শিগগিরই ঐকমত্য হয়ে যাবে। আগামী মাসের মধ্যে ‘টিকফা’ চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কোর গ্রুপ কাজ করছে।
‘টিকফা’ চুক্তি হলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের গার্মেন্ট সামগ্রীর শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। এ নিয়ে কার্যকর আলোচনা শুরু করা যাবে। স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া, কানাডায় বাংলাদেশের গার্মেন্ট সামগ্রী শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার ভোগ করছে। যুক্তরাষ্ট্রে এ সুযোগ পাওয়ার ব্যাপারে ‘টিকফা’কে বাংলাদেশ প্লাটফরম হিসেবে ব্যবহার করবে। ‘টিকফা’ চুক্তির আওতায় মন্ত্রী পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি বছরে দু’বার, প্রয়োজনে আরও বেশি বৈঠকে বসে বিদ্যমান বা উদভূত সমস্যার সমাধানে সরকারের কাছে সুপারিশ রাখবে।
‘টিফা’ চুক্তির ব্যাপারে দু’ দেশের মধ্যে আলোচনা শুরু হয় ২০০২ সালে। দুর্নীতি, মেধাস্বত্ব, শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে মতানৈক্য থাকায় চুক্তিতে আসা সম্ভব হয়নি। এ সরকার দায়িত্বে আসার পর বোঝাপড়া শুরু হয়। এখন তা চূড়ান্ত রূপ লাভ করতে যাচ্ছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


6 Responses to টিফা নয় টিকফা হচ্ছে আগামী মাসে

  1. sikiş izle

    March 13, 2012 at 1:52 am

    Nice one particular web site owner good results weblog submit excellent sharings on this webpage always have fun

  2. Genclik Platformu

    March 14, 2012 at 3:47 am

    I was looking for this great sharing admin very much thanks and also have nice blogging bye

  3. escort ilanlari

    March 14, 2012 at 4:41 am

    Great submit admin! i bookmarked your net web site. i will appear forward if you can have an e-mail variety including.

  4. su arıtma cihazları

    March 14, 2012 at 10:57 am

    i bookmarked you in my browser admin thank you a lot i is going to be looking for your upcoming posts

  5. fırsat

    March 14, 2012 at 1:52 pm

    i cant get how you’ll be able to reveal like this wonderful posts admin significantly thanks

  6. smackdown oyunları

    March 14, 2012 at 2:24 pm

    Amazing put up admin thank you. I observed what i was looking for right here. I will review entire of posts in this day