Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

নদীগুলো বাঁচতে চায়, ওদের বাঁচান

ঢাকা, ৪ মার্চ: নদীগুলো বাঁচতে চায়, তাদের বাঁচাতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সবাই সচেতন হলে বর্জ্যদূষণ থেকে নদীগুলোকে রক্ষা করা সম্ভব বলে মনে করেন তারা।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বাংলাদেশের নদী ব্যবস্থাপনা: বর্তমান দূরাবস্থা ও পরিত্রান’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা)। এতে সভাপতিত্ব করেন আহসান উল্যাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এমএম শফি উল্যাহ।

আলোচনায় অংশ নেন, পবা’র চেয়ারম্যান আবু নাছের খান, ড. রশিদ-ই মাহবুব, কলামিস্ট কামাল লোহানী, ফজলে হোসেন বাদশা এমপি প্রমুখ।

‘বাংলাদেশে নদী ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক।

ম. ইনামুল হক বলেন, “ভারত কর্তৃক দু’টি আন্তর্দেশীয় নদীর প্রবাহ প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশের নদীগুলির পানি প্রবাহ প্রচন্ডভাবে হ্রাস পেয়েছে। ভারত গঙ্গা নদীর ওপর ফারাক্কার নিকট ব্যারেজ দিয়ে এর প্রবাহের একটা বড় অংশ সংযোগ খালের মাধ্যমে পশ্চিম বঙ্গের নদীতে চালান করে দিচ্ছে। একই পরিস্থিতি করেছে, তিস্তা নদীর ওপর গজলডোবার কাছে ব্যারেজ দিয়ে।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ও ভরতের মধ্যে ১৯৯৬ সালে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন চুক্তি হয়েছে, কিন্তু তিস্তার পানি বন্টন নিয়ে বিরোধ এখনো মিমাংসা হয়নি।”

নদীর প্রবাহ কমে যাওয়ার আরো দুটি বড় কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, নদী ও ভূগর্ভস্থ পানির অতি উত্তোলন এবং এর আশপাশের জলাভূমিসমূহের অতি নিষ্কাশন। শীতকালে বোরো চাষের জন্য পাম্পের মাধ্যমে নদী ও খালের পানি ওঠায় এবং ভূগর্ভস্থ পানিও নলকুপের মাধ্যমে তুলে সেচকাজ করে। এতে নদী প্রবাহ ব্যাপকহারে কমে যাচ্ছে।

তিনি জানান, নদীগুলো পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় থাকলেও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় যত্রতত্র ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মাণ করে অনেক ছোট নদীকে মেরে ফেলেছে এবং বড় নদীগুলো আস্তে আস্তে শুকিয়ে যাচ্ছে।

নদীদূষণের কারণে দেশের সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্প শেষ হয়ে যাচ্ছে বলেও জানান ড. শফিউল্যাহ। তিনি জানান, নদী ও জলাভূমি দূষণের ফলে বাংলাদেশ এখন প্রতি বছর চল্লিশ হাজার কোটি টাকার মাছ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কামাল লোহানী বলেন, নদীগুলো ড্রেজিংয়ের সব মেশিন অচলপ্রায়। কেনার সময় এগুলো পরীক্ষা করে নেয়া হয় না। কিন্তু পরে দেখলে তো আর লাভ হবে না।

তিনি বলেন, “স্থানীয় পর্যায়ে নদীগুলোকে বর্জ্যদূষণ থেকে রক্ষায় সচেতনতার মাধ্যমে সবাই চেষ্টা করা প্রয়োজন।”

নদীমাতৃক, পাখা-পাখালী ও বন-বনানীর দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এখন বলা যাবে না, মাঝি-মাল্লাদের নিয়ে গান রচনা করাও যাবে না বলে জানান তিনি।

কামাল লোহানী বরেন, “সংস্কৃতি হারিয়ে যাচ্ছে। জনজীবনের এসব উপাদান সংরক্ষণে মুক্তিযুদ্ধের মতো সবাই একহয়ে আন্দোলন করতে হবে।”

পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, নদীগুলোর এখন চার ধরণের সমস্যা। সেগুলো হলো, নদী দখল, দূষণ সমস্যা, নদীর তলদেশ ভরা ও নদীর প্রবাহ দিন দিন কমে যাওয়া।

তিনি বলেন, “সংস্কৃতি হারিয়ে গেলে সবাইকেও একদিন হারিয়ে যেতে হবে। এটি সবাইকে মনে রাখা দরকার। নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় সবাইকে এগুলো বাঁচিয়ে রাখতে হবে।”

তিনি বলেন, নদী কমিশন গঠন করলেও সেটি অকার্যকর। তাই মন্ত্রী পর্যায়ের কাউকে কমিশনের প্রধান করার পরামর্শ দেন তিনি। সে সঙ্গে কমিশনে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের লোকজনদের সদস্য করারও পরামর্শ দেন তিনি।

বার্তা২৪/কেএমআর/জিসা

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


3 Responses to নদীগুলো বাঁচতে চায়, ওদের বাঁচান

  1. sikiş izle

    March 13, 2012 at 1:36 am

    I used to be curious about your future article admin seriously required this website super wonderful blog site

  2. escort ilanlari

    March 14, 2012 at 4:39 am

    Great submit admin! i bookmarked your web webpage. i’ll look ahead when you can have an e-mail variety including.

  3. smackdown oyunları

    March 14, 2012 at 4:10 pm

    you’re actually variety 1 admin your running a blog is wonderful i constantly check out your blog site i’m guaranteed you might be the perfect