Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

দিস ইজ অ্যা সেক্যুলার গভর্ণমেন্ট: হাইকোর্ট

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।  সেখানে ভাংচুরকরা মন্দির-বাড়ী-ঘরসহ সকল প্রকার স্থাপণা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে সরকারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। স্থাপণা পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার তিন দিন পর ধর্মীয় অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করার ব্যবস্থা নিতেও পুলিশ প্রধানকে বলা হয়েছে। চট্টগ্রামের এসপি জেড এ মোরশেদ এবং হাটহাজারি থানার ওসি হাজির হলে আদালত গতকাল এ নির্দেশ দেয়। বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী এবং বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেয়। এসপি আদালতকে জানান, এ ঘটনায় ৫টি মামলা হয়েছে। ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার উস্কানিদাতা হিসেবে চারজনকে সনাক্ত করা হয়েছে। পুলিশ সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিয়েছে। এসময় ক্ষুদ্ধ হয়ে আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী বলেন, এসব কথা আমরা ৮৮, ২০০১ সালে শুনেছি। একইকথা এখন শুনতে চাই না। তখন হাইকোর্ট বলেন, মি. চৌধুরী, এখন ৮৮ বা ২০০১ সাল নয়, ২০১২ সাল। দেশ এখন ধর্মনিরপেক্ষ সরকার দ্বারা শাসিত হচ্ছে। দিস ইজ অ্যা সেকুল্যার গভর্নমেন্ট। ২০০১ এর নির্বাচনের পর যে নির্যাতন হয়েছিলো তাতে সারাবিশ্ব কেঁপে উঠেছিলো। এ পর্যায়ে সুব্রত চৌধুরী বলেন, শুধু যে পুলিশ সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নেয়নি তাই নয়, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিও নির্যাতিত ব্যক্তিদের পাশে দাড়ায়নি। উল্টো একুশে টিভি এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় একজন আওয়ামী লীগ নেতা টিভি চ্যানেলটিকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন। এসময় হাইকোর্ট বলেন, অনেক সময় খবর চাপা রাখতে হয়। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তারা মুসলাম নয়। তারা শয়তান। তাদের উদ্দেশ্যে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করা। হাটহাজারীতে মন্দিরে ভাংচুরের ঘটনায় প্রকাশিত একটি খবর আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী নজরে আনলে গত রোববার আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে এসপি, ওসিকে তলব করে। একই সঙ্গে মন্দিরে ভাংচুরের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট