Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘শিবিরের চর’ চবি ছাত্রলীগের সভাপতি মামুনকে নিয়ে নাটকীয়তা

চবি, ২৫ ফেব্রুয়ারি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মামুনুল হককে নিয়ে শুরু হয়েছে নাটকীয়তা। এতদিন সভাপতি মামুনুল হকের নেতৃত্বে যারা বিভিন্ন সাংগাঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এসেছে এখন তারাই মামুনকে শিবিরের চর বলে আখ্যায়িত করছে। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মামুনুল হককে নিয়ে শুরু হয়েছে এই নাটকীয়তা।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মামুনুল হককে নগরীর গোলপাহাড় মোড় থেকে অপহরণ ও মারধর করেছে একদল মুখোশধারী সন্ত্রাসী। এ সময় তার কাছ থেকে মোবাইল ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয় তারা এবং জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মামুনুল হক। পরে রাত সাড়ে তিনটার দিকে হাত-পা বাধা অবস্থায় আহত মামুনুল হককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ফেলে রেখে যায় সন্ত্রাসীরা। গুরুতর আহতাবস্থায় মামুনকে হাসপাতালের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করে পথচারীরা।

এদিকে, শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রন্টু দাশ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন মামুন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “গত বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর জিইসি মোড়ে অবস্থিত একটি রেসেত্মারাঁয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কর্মী সভার আয়োজন করা হয়। সভায় কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের বিষয়ে সভাপতি মামুনুল হককে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন এবং ছাত্রশিবিরের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে জানতে চান। এ সময় তিনি কোনো প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি।”

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মামুনুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “গত ৮ ফেব্রুয়ারি শিবিরের হামলায় আহত রাহাত হোসেন হিমেলকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখে আমি নগরীর জিইসি মোড়ে যাচ্ছিলেন। পথে গোলপাহাড় এলাকায় মুখোশধারীরা অস্ত্র ঠেঁকিয়ে চোখ বেঁধে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় আমাকে। আমি পদত্যাগ করিনি। আমাকে অস্ত্রের মুখে জোর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করা হয়।”

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল মনসুর সিকদার অভিযোগ করে বলেন, “৮ ফেব্রুয়ারি ছাত্রলীগ-শিবির সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে যে দুটি মামলা করা হয়েছে তাতে মামুনুল হকের নাম নেই। এতেই প্রমাণিত হয় যে তিনি শিবিরের চর।”

বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি বদিউল আলম বলেন, “যারা ঘটনাস্থলে ছিল আমরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। মামুনুল হক ঘটনাস্থলে ছিলনা বিধায় মামলায় তার নাম উল্লেখ করা হয়নি।”

অপরদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম ও রুবাইয়াত হোসাইন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি মামুনুল হকের শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়ে বিবৃতি কপিতয় স্বার্থান্বেসী ব্যক্তির, ছাত্রলীগের নয়। যারা সভাপতির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা লোভ-লালসা ও শিবিরের প্ররোচনায় ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে গ্রুপিং সৃষ্টির লক্ষ্যে এমন কাজ করছে।”

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

এ ধরনের পদত্যাগপত্রের কোনো ভিত্তি নেই এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ তা গ্রহণ করেনি বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বা২৪/এটি

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট