Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

কোটা বাতিলের দাবিতে অনড় পরীক্ষার্থীরা

আন্দোলনের মুখে বিসিএস পরীক্ষার ফল স্থগিত এবং পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা এলেও কোটা বাতিলের দাবিতে অনড় পরীক্ষার্থীরা। গতকাল দিনভর রাজধানীর শাহবাগে অবরোধ কর্মসূচি পালনের পর বিকালে ৩৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল স্থগিত করে পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)। একই সঙ্গে ফল পুনর্মূল্যায়নেরও ঘোষণা দেয়া হয়। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রকাশিত ফল এবং কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখেন। আন্দোলন চালিয়ে যেতে আজ সকাল ১১টা থেকে ফের অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তারা। দাবি আদায়ে গঠন করা হয়েছে ১০ সদস্যের কমিটি। ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েছেন এমন শিক্ষার্থীরাও যোগ দিয়েছেন আন্দোলনে। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। ৮ই জুলাই ৩৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। এবারই প্রথমবারের মতো প্রিলিমিনারিতেই  কোটা সংরক্ষণ করে ফল প্রকাশ করা হয়। পিএসসি’র এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মঙ্গলবার থেকে আন্দোলন শুরু করেন বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা। গতকাল সকাল থেকে তারা শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ কারণে সকাল থেকে রাজধানীজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। শাহবাগকে ‘মেধামূল্যায়ন মঞ্চ’ ঘোষণা করে ফল বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা। তাদের এ আন্দোলন চলাকালেই ফল স্থগিত করার  ঘোষণা দেয় পিএসসি। পিএসসি ফল পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিলেও শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে অনড়। সংগ্রহ করা হচ্ছে গণস্বাক্ষর। কোটা পদ্ধতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করারও আলোচনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকজন শীর্ষ আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করেছেন আন্দোলনকারীরা। সাধারণ ক্যাডারের ৪৪২টি পদসহ মোট ২০৫২টি পদে নিয়োগ দিতে গত ৭ই ফেব্রুয়ারি ৩৪তম বিসিএসের বিজ্ঞাপন দেয়া হয়। দুই লাখ ২১ হাজার ৫৭৫ জন প্রার্থী এই পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন করেন। গত ২৪শে মে প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে এক লাখ ৯৫ হাজার পরীক্ষার্থী এতে অংশ নেন। গত  সোমবার এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় এবং মোট ১২ হাজার ৩৩ জন উত্তীর্ণ হন। উত্তীর্ণ ১২ হাজার ৩৩ জনের মধ্যে ৩০ ভাগ মুক্তিযোদ্ধা কোটায়, পাঁচ ভাগ উপজাতি কোটায় ও ১০ ভাগ নারী  কোটায় নেয়া হয়েছে। এই হিসাবে  মোট উত্তীর্ণদের মধ্যে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মুক্তিযোদ্ধা কোটায় এবং  প্রায় দেড় হাজার নারী ও উপজাতি কোটায় এসেছেন।
পিএসসি’র বিজ্ঞপ্তি: শিক্ষার্থীদের ব্যাপক আন্দোলনের মুখে গতকাল বৈঠকে বসে পিএসসি। বৈঠক শেষে পিএসসি’র ওয়েবসাইটে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ.ই.ম নেছার উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় ‘সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ০৮/০৭/২০১৩ তারিখে প্রকাশিত ৩৪তম বিসিএস’র প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে কিছু সংখ্যক প্রার্থীর মধ্যে সৃষ্ট ভুল বুঝাবুঝির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে’। এবিষয়ে জানতে চাইলে পিএসসি চেয়ারম্যান এ. টি. আহমেদুল হক চৌধুরী বলেন, ৩৪তম বিসিএসের ফল পুনর্মূল্যায়ন হবে। সেটা কিভাবে হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পরীক্ষার উত্তরপত্র আগের নিয়মে মূল্যায়ন করা হবে। কোটা পদ্ধতি নিয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি রাজি হননি।
৫৬ ভাগই কোটা: পিএসসি’র অধীনে চাকরিতে বর্তমানে ৫৬ ভাগই কোটা। এর মধ্যে ৩০ ভাগ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটা। এ কোটায় প্রার্থী না পাওয়ায় বর্তমান সরকার মুক্তিযোদ্ধার নাতি-পুতি কোটা প্রথা চালু করে। ১০ ভাগ রয়েছে নারী কোটা। ১০ ভাগ বিভাগীয় কোটা। ৫ ভাগ উপজাতি কোটা এবং ১ ভাগ প্রতিবন্ধী কোটা। বর্তমান সরকারের নিয়ম অনুযায়ী কোটার লোকজন পাওয়া না গেলে তা সংরক্ষিত রাখতে হবে। আগে তা মেধা কোটা দিয়ে পূরণ করা হতো। এছাড়া, লবিং-তদবির, দুর্নীতি-স্বজনপ্রীতি আবার ভাগ বসায় মেধা কোটায়। এর ফলে মেধাবীরা চাকরিতে আসতে পারছেন না। পিএসসি’র আগের নিয়ম অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরই কোটার প্রার্থীদের মূল্যায়ন করা হতো। কিন্তু ৩৪তম বিসিএসে কোটা পদ্ধতি সংরক্ষণ করা হয় প্রিলিমিনারি পরীক্ষাতেই। শুধু তাই নয়, তাদের উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয় আলাদাভাবে। যেখানে মেধাবীরা ৭০ বা ৭৫ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেননি সেখানে বিভিন্ন কোটায় ৫৫ বা ৫৬ পেয়েও উত্তীর্ণ হয়।
১০ সদস্যের কমিটি: রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয়া শিক্ষার্থীরা ‘মেধামূল্যায়ন মঞ্চ’ গঠন করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার  ঘোষণা দিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আব্দুর রহীমকে আহ্বায়ক করে ১০ সদস্যের এ মঞ্চ গঠন করা হয়েছে। অবরোধ চলাকালে শাহবাগে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর  ড. আমজাদ আলী। তিনি বলেন, আমার ছাত্রদের দাবির সঙ্গে আমি একমত। কেউ ৮০ নম্বর পেয়ে ফেল করবে, আর কেউ ৫০ পেয়ে পাস করবে-এই বৈষম্য চলতে পারে না। কোটার ভিত্তিতে নিয়োগ  দেয়া হলেও মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কর্মসূচি পালনের জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। সকাল  থেকে অবরোধ চলায় শাহবাগ হয়ে আশেপাশের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে রাজধানীর অর্ধেক এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। ফার্মগেট, নিউ মার্কেট, মৎস্যভবন থেকে পল্টন এবং কাকরাইল এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে যানজট। এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবরোধকারীদের মূল রাস্তা ছেড়ে কর্মসূচি পালনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ৩৪তম বিসিএস-এর ফল বাতিলের ঘোষণা এলেই  কেবল তারা কর্মসূচি থেকে সরে দাঁড়াবেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চাকরিপ্রার্থীরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। এর ফলে শাহবাগের সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। অবরোধকারীরা জানান, এত দিন প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত পর্যায়ে কোটা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হতো। কিন্তু ৩৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পর্যায় থেকেই কোটা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। এতে মেধাবীদের একটা বড় অংশ শুরুতেই সরকারি চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। এ পদ্ধতির ফলে কম নম্বর পেয়েও অনেকে মুক্তিযোদ্ধা, আদিবাসী ও নারী কোটায় লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়ে যাবেন। আর অপেক্ষাকৃত বেশি নম্বর পেয়েও এই  কোটার বাইরের অনেকে সুযোগ  থেকে বঞ্চিত হবেন।
বঞ্চিতদের যত কথা: মেধা মূল্যায়ন কমিটির আহ্বায়ক আব্দুর রহীম বলেন, আমি একজন ক্যাডার হতে চাই। কিন্তু পিএসসি যে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে তাতে আমি ক্যাডার হবো কিভাবে? তিনি বলেন, কোটা পদ্ধতি বাতিল না হলে মেধাবীরা প্রশাসনে আসতে পারবে না। বঞ্চিত শিক্ষার্থী ঢাবি’র ইংরেজি বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাস করা শিক্ষার্থী নাজিম বলেন, আমি ৭৮ নম্বর পেয়েও পাস করতে পারিনি। অথচ আমার পরিচিত মুক্তিযোদ্ধা কোটায় একজন ৬২ পেয়েও উত্তীর্ণ হয়েছে। এটা বৈষম্য। আরেক শিক্ষার্থী হামিদ বলেন, কোটা পদ্ধতি চলতে পারে না। মুক্তিযোদ্ধাদের সব সুযোগ-সুবিধা দেয়া হোক তাতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু আমার অধিকার কেড়ে নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নাতি-পুতিকে কেন সুবিধা দেয়া হবে? বৈষম্য রোধের জন্য মুক্তিসংগ্রাম হয়েছে। কিন্তু নতুন করে আবার  বৈষম্য শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ছাত্র আতাউর বলেন, কোটা পদ্ধতি বাতিল না হলে মেধাবীরা সুযোগ পাবে না। এ পদ্ধতি অবশ্যই মেধা ধ্বংসের। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র মোরশেদ বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন তারা অবশ্যই সম্মানীয় ব্যক্তি। কিন্তু কোটা পদ্ধতি সৃষ্টি করে তাদের অসম্মান করা হয়েছে। নৃবিজ্ঞানের ছাত্র মনির উদ্দিন বলেন, আমি অনেক ভাল পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে পারিনি। এখানে মেধার মূল্যায়ন হচ্ছে না।
উত্তীর্ণরাও আন্দোলনে: ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ ঢাবি’র ইংরেজি বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাস করা ছাত্র আজাদ বলেন, আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও আন্দোলনে যোগ দিয়েছি। কারণ পিএসসি অন্যায় আচরণ করছে। এক দেশে দুই নীতি চলতে পারে না। কোটা পদ্ধতি বাতিলই একমাত্র সমাধান বলে জানান তিনি। আরেক ছাত্রী  ইয়াসমিন বলেন, আমি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেও ভরসা পাচ্ছি না। এটা যৌক্তিক আন্দোলন। কোটা পদ্ধতি বাতিল ছাড়া কোন সমাধান নেই।
শুরুতেই বঞ্চনার শিকার: বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি সব প্রথম শ্রেণীর চাকরিতে নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে। কোটা পদ্ধতির কারণে বিসিএস পরীক্ষায় মেধাবীরা এমনিতেই সঙ্কটে থাকেন। আবার নতুন পদ্ধতির কারণে সরকারের অনেক পদ বছরের পর বছর শূন্য পড়ে থাকে। বারবার পরীক্ষা নিয়েও এসব পদ পূরণ করা যায় না। এ পরিস্থিতিতে এবার ৩৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পর্যায়  থেকেই কোটা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। তাতে মেধাবীদের একটা বড় অংশ শুরুতেই সরকারি চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। এর আগে প্রিলিমিনারি, লিখিত ও  মৌখিক পরীক্ষার পর চূড়ান্ত পর্যায়ে  কোটা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হতো। কিন্তু এবার প্রিলিমিনারিতেই এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, এর ফলে কম নম্বর পেয়েও অনেকে মুক্তিযোদ্ধা, আদিবাসী ও নারী  কোটায় লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়ে যাবেন। আর অপেক্ষাকৃত বেশি নম্বর পেয়েও এই  কোটার বাইরের অনেকে সুযোগ  থেকে বঞ্চিত হবেন। তবে পিএসসি শিক্ষার্থীদের এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে বলেছে, প্রিলিমিনারি থেকে এবার কোটা ঠিক করা হলেও মেধাবীরা  কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। ৩৪তম বিসিএসের দায়িত্বে থাকা পিএসসির সদস্য মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান বলেন,  মৌখিক পরীক্ষার পর কোটা ঠিক করতে গিয়ে দেখা যায় অনেক পদ শূন্য পড়ে থাকে। প্রার্থী থাকে না।  সে কারণে এবার প্রিলিমিনারি পর্যায়  থেকেই যে কোটায় যতগুলো পদ আসে তার বিপরীতে প্রার্থী নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তবে কাট নম্বর (একটি নির্দিষ্ট নম্বর যার বেশি  পেলে লিখিত পরীক্ষার জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়) সবার একই রাখা হয়েছে। ফলে মেধাবীদের শুরুতেই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই। আইনের বাইরে গিয়ে পিএসসি কিছু করেনি।
অবরোধ চলবে: ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধকারীদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফল স্থগিত করে তা পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি)। কিন্তু  শিক্ষার্থীরা পিএসসি’র এ সিদ্ধান্ত না মেনে শাহবাগে অবস্থানের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। গতকাল বিকালে তারা সংবাদ সম্মেলন করে কয়েক দফা দাবি তুলে ধরেন। তাদের প্রথম দাবি হলো, চাকরিতে বিদ্যমান সব ধরনের কোটা বাতিল করে শুধু  মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সব নিয়োগ দিতে হবে। দ্বিতীয় দাবি হলো, ৩৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল বাতিল করতে হবে। এসব দাবি আদায়ে তারা আজ সকাল ১১টা থেকে শাহবাগে অবস্থান করবেন।
স্লোগানে মুখরিত শাহবাগ : ‘ছি ! ছি! ছি! পিএসসি, এটা তুই করলি কি’, ‘কোটা প্রথা বাতিল কর- নইলে মোদের গুলি কর’, ‘মেধাহীন আমলা চাই না এই বাংলায়’, ‘মেধাবীরা আসছে- রাজধানী কাঁপছে’, ‘কোটা দিয়ে কামলা নয়, মেধা দিয়ে আমলা চাই’, ‘প্রিলি  কোটার গুণাগুণ, দুই লাখ মেধা খুন’, ‘প্রিলি কোটায় হইছি পাস, পিএসসিকে দিবো বাঁশ’সহ বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত ছিল শাহবাগ। সকাল থেকে দিনভর আন্দোলন চললেও কোন সহিংসতা ঘটেনি।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট