Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

কিশোরগঞ্জের নির্বাচন মাগুরার উপনির্বাচনকেও হার মানিয়েছে

ভোট ডাকাতি করে গণতন্ত্রকে নোংরাভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন কিশোরগঞ্জের উপনির্বাচনের পরাজিত প্রার্থী মহিতুল ইসলাম। আজ দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, কিশোরগঞ্জ-৪ একটি ভিআইপি আসন। সেখানে সরকার ভোট ডাকাতি করে গণতন্ত্রকে নোংরাভাবে হত্যা করেছে। এভাবে ভোট ডাকাতি করলে দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ কি? নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ করে আওয়ামী লীগের এই বিদ্রোহী প্রার্থী বলেন, এই নির্বাচন মাগুরার উপনির্বাচনকেও হার মানিয়েছে। ৫০টি কেন্দ্রে ভোট চুরি করা হয়েছে। ৩১টি কেন্দ্রে ভোট ডাকাতি করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের দেয়ার অভিযোগ করেন মুহিতুল। ৩১ কেন্দ্রে উপনির্বাচন দাবি করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাছে ৩১টি কেন্দ্রে পুনঃনির্বাচন দাবি করছি। কমিশন যদি নির্বাচন না দেয় আইনি লড়াইয়ের হুমকি দেন তিনি।

অসীম বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণের মনোভাব দেখে আমি জয়ের ব্যপারে নিশ্চিত ছিলাম। ভোট ডাকাতি করে আমার বিজয় ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। ৩১টি কেন্দ্রে নজীরবিহীন লুটপাট করা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তার সমর্থকরা কয়েকদিন আগে থেকেই এই কাজ শুরু করেছিলেন। নির্বাচনের আগেই তারা ভোটারদেরকে বলেছে, যাকেই ভোট দেয়া হোক না কেন পাশ করবো আমরাই। নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে তারা কোথাও একটা গণমিছিল বের করতে পারেনি। তাদের সেই রকম লোক সমাগম ছিলনা। কিন্তু নির্বাচনের ফলাফলে তারা বিজয়ী হয়েছে। এই ফলাফল আমি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছি। এলাকার জনগণও প্রত্যাখ্যান করেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, প্রেসিডেন্ট পুত্র রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিকের নিজ কেন্দ্রে কামালপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এজেন্টকে ঢুকতেই দেয়া হয়নি। বাকী কেন্দ্রে এজেন্টরা ঢুকতে পারলেও সকাল ১০টার মধ্যে বের করে দেয়া হয়েছে। কাউকে মারধর করা হয়েছে। কোন কোন কেন্দ্রে পুলিশ দিয়ে বের করে দেয়া হয়েছে। ওই দিন রিটার্নিং অফিসারকে আমি বারবার টেলিফোনে জানিয়েছি। তিনি ব্যাবস্থা নেয়ার কথা বললেও কিছুক্ষণ পর আমাকে জানিয়েছেন কোন ঘটনা ঘটেনি। ৩১টি কেন্দ্রের ভোটের ফলাফলের সঙ্গে বাস্তবতার সম্পর্ক নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, একটি নিরাপদ কেন্দ্রে আমি ১৫০০ ভোট পেয়েছি। তার পাশের কেন্দ্রেই আমি ভোট পেয়েছি মাত্র ৮টি। কোথাও ১২টি। কোথাও পেয়েছি ২৩টি। কোথাও ৯১টি। আমার অষ্টগ্রাম উপজেলায় সাতটি ইউনিয়নে আমি ড্যাম পপুলারিটি নিয়ে বিজয়ী হয়েছি। হাজারেরও বেশি ব্যবধানে এগিয়ে ছিলাম প্রতিটি কেন্দ্রে। কিন্তু অষ্টগ্রামের আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নের কেন্দ্রগুলোতে আমি ভোট পেয়েছি মাত্র ৫/৭টি করে। এটা হতে পারে না। দুই হাজারেরও বেশি করে ভোট ওই সব কেন্দ্রে ডাকাতি করা হয়েছে। অষ্টগ্রামের আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নের ৭টি ও কলমা ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করে সেখানে আবার ভোট দেয়ার দাবি করেন অসীম।
উল্লেখ্য, গত ৩রা জুলাই কিশোরগঞ্জে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৯৯ হাজার ৫৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন প্রেসিডেন্ট পুত্র রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মহিতুল ইসলাম পান ৫৯ হাজার ৭০ ভোট।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট