Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

শেয়ারবাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ২২ হাজার কোটি টাকা অধিক ক্ষতি

শেয়ারবাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করেছে সরকারি প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)। সংস্থাটি হিসাব কষে দেখিয়েছে গত দুই বছরে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা ২২ হাজার কোটি টাকারও বেশি আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

তারা মার্জিন ও নন-মার্জিনের (বিও) মাধ্যমে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। শেয়ারবাজারে যাদের বিনিয়োগ সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা তাদেরকেই ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।

আর এসব ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীর ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য এক বছরের জন্য তাদের অর্জিত সুদের সর্বোচ্চ অর্ধেক (৫০ ভাগ) মওকুফ করারও প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি বাকি সুদ একটি ব্লক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে তা ত্রৈমাসিক হিসেবে তিন বছরে পরিশোধের সুযোগ রাখার কথাও বলা হয়। তবে এই সুদ মওকুফের প্রক্রিয়াটি হবে ‘কেস-টু-কেস’ ভিত্তিতে এবং শুধু চলতি ২০১১-১২ অর্থবছরের জন্যই তা প্রযোজ্য হবে। একই সাথে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিওতে ২০ শতাংশ কোটা রাখারও প্রস্তাব করা হয়েছে।

আইসিবির নেতৃত্বে সরকার গঠিত ‘বিশেষ স্কিম প্রণয়ন কমিটি’ এই প্রস্তাবগুলো দিয়েছে। কমিটি তাদের সুপারিশসহ প্রতিবেদনটি গত ১২ ফেব্রুয়ারি অর্থমন্ত্রী ও ব্যাংকিং বিভাগের সচিবের কাছে হস্তান্তর করে।

প্রতিবেদনটি নিয়ে আলোচনার জন্য আগামী রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ে এক জরুরি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে কমিটির সুপারিশ ছাড়াও শেয়ারবাজারের সার্বিক পরিসি’তি নিয়ে আলোচনা হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

স্কিম কমিটির প্রতিবেদনে ২০০৯ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর সময়কালে শেয়ারবাজারের বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করার কথা উল্লেখ করা হয়। এতে বলা হয়েছে- ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত নিজস্ব অর্থ জমা প্রদানকারীকে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এই ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মোট ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা ছিল ১৭ লাখ ৮৪ হাজার। এর মধ্যে শূন্য থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা প্রদানকারী হিসাবের সংখ্যা ১৫ লাখ ২৬ হাজার এবং ১০ লাখ টাকার অধিক হিসাবের সংখ্যা রয়েছে দুই লাখ ৫৮ হাজার। এ সময় সুদ হয়েছে দুই হাজার ৬২৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। যার মধ্যে ১০ লাখ টাকার ঊর্ধ্বের হিসাবে সুদ রয়েছে দুই হাজার ১২৯ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত হিসেবে সুদ রয়েছে ৪৯৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের যে ১৭ লাখ ৮৪ হাজার হিসাব রয়েছে তার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত নন-মার্জিন হিসাবের সংখ্যা ১১ লাখ ১৫ হাজার। তাদের ক্ষতির পরিমাণ ১২ হাজার ২৭৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা। অন্য দিকে মার্জিন হিসাবের সংখ্যা রয়েছে ছয় লাখ ৬৯ হাজার। তাদের ক্ষতির পরিমাণ ১০ হাজার ৭০ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

স্কিম কমিটি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে বেশ কয়েকটি সুপারিশ বাস্তবায়নের প্রস্তাব করেছে। সুপারিশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- মার্চেন্ট ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউজসহ সংশ্লিষ্ট ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, প্রতিষ্ঠানের ক্ষতিগ্রস্ত হিসাবগুলো কেস-টু-কেস মেরিট ভিত্তিতে এক বছর (২০১১-১২) সময়ে অর্জিত সুদের সর্বোচ্চ ৫০ ভাগ মওকুফ করা। তবে এই মওকুফের পরিমাণ কোনো অবস্থাতেই নিরুপিত মূলধনী ক্ষতির পরিমাণ থেকে বেশি হতে পারবে না। মওকুফের পর যদি অবশিষ্ট সুদ থাকে তবে তাকে একটি সুদবিহীন ব্লক হিসেবে স্থানান্তর করে তা তিন বছরে ত্রৈমাসিক সমান কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেয়া যেতে পারে। প্রস্তাবিত সুদ মওকুফ বা পুনঃতফসিল সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান দাতা-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে কেস-টু-কেস ভিত্তিতেও বিবেচনা করা যেতে পারে বলে সুপারিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই সাথে মিউচুয়াল ফান্ড ও প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য নির্ধারিত কোটার মতো মার্জিন ঋণ হিসাব ও নন-মার্জিন হিসাব (বিও) উভয় ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য চলতি ২০১২ এবং আগামী ২০১৩ সালে ইস্যুকৃত সব পাবলিক ইস্যুতে (আইপিও) ২০ শতাংশ কোটা বরাদ্দ রাখার সুপারিশ করেছে এই কমিটি। এতে উল্লেখ করা হয়, ভিন্ন হিসাবে স্থানান্তরিত ঋণের অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বা ব্যাংকের ‘সিঙ্গেল পার্টি এক্সপোজার’ এবং ‘ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপোজার’ থেকে বাদ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ করা যেতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বোঝানোর চেষ্টা করা হবে, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা অপেক্ষাকৃত কম ঝুঁকিপূর্ণ। তাই ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা যাতে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করে সে জন্য এই ফান্ডকে আরো আকর্ষণীয় করা যেতে পারে।

প্রসঙ্গত, সামপ্রতিক সময়ের পুঁজিবাজারে অস্বাভাবিকতা রোধ, স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার্থে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ (এসইসি) একটি প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। এরই অংশ হিসেবে সরকার গত বছরের ২৭ নভেম্বর আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যবিশিষ্ট এই স্কিম কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও এসইসির একাধিক সূত্র জানায়, স্কিম কমিটি যে সুপারিশগুলো দিয়েছে তা নিয়ে আগামী রোববারের বৈঠকে আলোচনা হবে। এখান থেকে চূড়ান্ত করা হবে কোন সুপারিশগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। তবে সুদ মওকুফ ও ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিওতে ২০ শতাংশ কোটা রাখার বিষয়টি অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করার সম্ভাবনা রয়েছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


6 Responses to শেয়ারবাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ২২ হাজার কোটি টাকা অধিক ক্ষতি

  1. sikiş izle

    March 13, 2012 at 6:32 am

    I used to be in search of this blog site very last 3 times good weblog owner fantastic posts every little thing is great

  2. ucuz notebook

    March 14, 2012 at 4:29 am

    I was searching for this webpage survive three days and nights wonderful blog site operator excellent posts everything is wonderful

  3. escort ilanlari

    March 14, 2012 at 5:09 am

    Good one blog proprietor results website post great sharings in such a web site generally have entertaining

  4. sikvar

    March 14, 2012 at 6:08 am

    i cant get how you are able to reveal like this incredible posts admin much thanks

  5. smackdown oyunları

    March 14, 2012 at 2:54 pm

    oh my god terrific put up admin will check your web site continually

  6. samsung 1080p hdtv

    March 14, 2012 at 11:51 pm

    I started reading your article and realized I had some preconceived ideas about this topic. Your compelling views made me rethink myself. In this case it was a good thing. http://www.samsung1080phdtv.net/