Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

জিএসপি সুবিধা : যুক্তরাষ্ট্রের পথে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

ভবন ধস, অগ্নিকান্ড ও হতাহতের ঘটনায় পোশাক শিল্প নিয়ে বেশ বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র জিএসপি সুবিধা বাতিলের সিদ্ধান্ত দেশের পোশাক খাতের জন্য একটি বড় ধরনের হুমকি। যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি বাতিলের ধারাবাহিকতায় খুব দ্রুত ইউরোপীয় ইউনিয়নও বাংলাদেশের রপ্তানি সুবিধা বাতিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। শুক্রবার ব্রিটিশ প্রভাবশালী দৈনিক দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট অনলাইন সংস্করণের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

‘বাংলাদেশ হিটস ব্যাক এট ইউএস ডিসিশন টু সাসপেন্ড ট্রেড প্রিভিলেজেস টু দ্য কান্ট্রি’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের কারখানায় একের পর এক ধারাবাহিক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড ও ভবন ধসের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র জিএসপি সুবিধা প্রত্যাহার করেছে। এ বছরই কারখানায় মর্মান্তিক ভবন ধসের ঘটনায় দেশটিতে ১২০০ লোক প্রাণ হারিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের জিএসপি প্রত্যাহারের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে দেশটির রপ্তানি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশ সুবিধা হারাবে। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক, খেলা  ও প্লাস্টিক সামগ্রী, তামাকসহ বিভিন্ন দ্রব্য রপ্তানি করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও দ্রুত এ ধরনের সিদ্ধান্তে নিয়ে যেতে পারে। আর সত্যি এটি ঘটে গেলে তা বাংলাদেশকে খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলবে।

জিএসপি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ ট্রেড সংগঠন এএফএল-সিআইও লেবার ফাউন্ডেশনের সভাপতি রিচার্ড ট্রুমকা বার্তা সংস্থা এপিকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের জিএসপি প্রত্যাহার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, যে দেশ মৃত্যুর মতো দুর্ঘটনাকেও পাত্তা দেয় না, যেখানে কাজের পরিবেশ ও শ্রমিকদের অধিকার অবজ্ঞা করা হয়, শমিক সংগঠনের স্বাধীনতা দেয়া হয় না, সেক্ষেত্রে তাদের জিএসপি হারানোর মতো সিদ্ধান্ত মেনে নিতে হবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় যুক্তরাষ্ট্র। আর এ সিদ্ধান্ত সঠিক দাবি করে এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেন, আমি মনে করি বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সঠিক। তিনি বলেন, বাংলাদেশ কারখানা শ্রমিকদের যথাযথ অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

এদিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের পোশাক শ্রমিকদের জন্য উদ্বেগের। আর যুক্তরাষ্ট্র এমন একটি সময়ে এ সিদ্ধান্ত নিলো যে মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকার পোশাক শিল্পের নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট