Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

সিলেটে পৌঁছে গেছে সরঞ্জাম, মাঠে আইনশৃংখলা বাহিনী

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট উৎসবের অপেক্ষায় রয়েছেন নগরবাসী। ইতিমধ্যে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে ব্যালট ও বাঙসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। শুক্রবার সকাল থেকে নির্বাচন কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা নিয়ে গেছেন ভোট গ্রহণের যাবতীয় সরঞ্জাম।

নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে মাঠে নেমেছে পড়েছেন আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। পুলিশ, র‌্যাব-এর পাশাপাশি বৃহস্পতিবার থেকে নগরীতে তিন প্লাটুন বিজিবির সদস্য টহল দিতে দেখা গেছে। নির্বাচনের ঘণ্টা যখন বাজছে তখন ভোট উৎসবে মেতে উঠার অপেক্ষা করছেন নগরবাসী।

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২ লাখ ৯১ হাজার ৪৬ জন ভোটার রয়েছেন। ২৭টি ওয়ার্ডে ১২৮টি ভোট কেন্দ্র ও ৮৯৬টি বুথ রয়েছে।

নির্বাচন কর্মকর্তা এসএম এজহারুল হক জানিয়েছেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা অনুযায়ী ব্যালট বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিটি বুথের জন্য একটি করে ব্যালট বাঙ বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া ছবিসহ ভোটার তালিকা, সিল, কালি, মোমবাতিসহ যাবতীয় কাগজপত্র সরবরাহ করা হয়েছে।

তিনি জানান, সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এবার ২৭টি ওয়ার্ডের ১২৮টি ভোট সেন্টারে ২ হাজার ৮শ’ ১৫ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে ১শ’ ২৭ জন প্রিসাইডিং অফিসার, ৮শ’ ৯৬ জন সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও ১ হাজার ৭শ’ ৯২ জন পোলিং অফিসার থাকবেন। তাদের ইতিমধ্যে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সব মিলিয়ে নির্বাচনের যাবতীয় প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করেছেন নির্বাচন কমিশন। নগরীর ২নং ওয়ার্ডে প্রথমবারের মতো ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)-এর ব্যবহার হতে যাচ্ছে। তাই ওই ওয়ার্ডের তিনটি সেন্টারে বরাদ্দ করা হয়েছে যাবতীয় যন্ত্রপাতি।

এবার দুই নং ওয়ার্ডের প্রায় ৬ হাজার ভোটার এ পদ্ধতিতে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে জানান নির্বাচন কর্মকর্তা। এজন্য ডামি ভোট গ্রহণের মাধ্যমে তাদের ব্যবহার পদ্ধতি শিখিয়ে দেয়া হয়েছে।

এদিকে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনকালীন আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শুক্রবার থেকে ২৭ জন ম্যাজিস্ট্রেট এবং আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৪ হাজার সদস্য মাঠে নেমেছেন।

ভোট গ্রহণের আগে-পরে ও ভোট গ্রহণের দিন আইনশৃংখলা বাহিনীর এ সকল সদস্য সার্বক্ষণিক মাঠে নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কর্মকর্তা ও মেট্রোপলিটন পুলিশ।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে আরো জানা গেছে, সিটি করপোরেশন এলাকার আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে ২৭ জন ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি মাঠে নামছেন ৫ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ২২ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভোট গ্রহণের দিন ভোট কেন্দ্রসমূহে অবস্থান করবেন। ভোট কেন্দ্রের বাইরে দায়িত্ব পালন করবেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ তাৎক্ষণিক অপরাধ আমলে নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণও অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাজা দিতে পারবেন।

কমিশন সূত্র জানায়, সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ১২৭টি ভোট কেন্দ্রে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ও আনসার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন।

ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রের প্রত্যেকটিতে ৯ জন পুলিশসহ থাকবেন আইনশৃংখলা বাহিনীর ২৪ জন সদস্য। ঝুঁকি ছাড়া ভোট কেন্দ্রের প্রতি কেন্দ্রে ৭ জন পুলিশসহ আইনশৃংখলা বাহিনীর ২২ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ভোট কেন্দ্রসমূহ ও ভোট কেন্দ্রের বাইরে নিয়োজিত থাকবেন বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) ১শ’ ৮০ জন সদস্য।

এছাড়াও ভোট কেন্দ্রের বাইরে র‌্যাবের সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন। তবে র‌্যাবের কতজন সদস্য মাঠে থাকবেন তা জানাতে পারেনি নির্বাচন কমিশনের ওই সূত্র।

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা প্রতিরোধে ভোটের পরদিন নগরীতে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যের পাশাপাশি পুলিশ ও র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্য, সাদা পোশাকধারী পুলিশ সদস্যরাও মাঠে নিয়োজিত থাকবেন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট