Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়বে ও কমবে

 চলতি ২০১৩-১৪ অর্থবছরের বাজেটে বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম বাড়বে। এর মধ্যে রয়েছে গুঁড়াদুধ, গুঁড়া মসলা, লৌহজাত পণ্য, এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারসহ বেশ কয়েকটি পণ্য। এসব পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করায় দাম বাড়ছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এ প্রস্তাব করেন।

বাজেটে গুঁড়াদুধ ও গুঁড়াদুধ তৈরির কাঁচামালের শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে, গুঁড়া মসলায় ১২.২৫ থেকে ২৫ শতাংশ, ফিটকিরি ও চুনাপাথর ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ, জাইলিন আইসুমারে মিশ্রণ কেমিক্যাল ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ, ইলাইথ্রোমাইসিন ইথাইল সাকসিনেট ইরাথ্রোমাইসিন স্টিয়ারেট, অ্যাজিথ্রোমাইসিনের ওপর ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

রেলওয়ে স্লিপার ১২ থেকে ২৫ শতাংশ, লোহা ও লৌহজাত পণ্য ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ, এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার (৫ হজারে লিটারের কম) ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ, গোলাপ ও বিভিন্ন ফুল ১২ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ করা হয়েছে।

প্রিন্টিং প্লেটে ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ, বাসবার ট্রাংকিং সিস্টেম ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ এবং বোর্ড, প্যানেল কনসোল, ডেস্ক ও ক্যাবিনেটের ওপর ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে।

এছাড়া পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিগারেট কোম্পানিগুলো ৩৫ শতাংশ এবং তালিকা বহির্ভূত কোম্পানিগুলো ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ হারে কর দিচ্ছে। প্রস্তাবিত বাজেটে উভয় ক্ষেত্রের করের হার বাড়িয়ে যথাক্রমে ৪০ শতাংশ ও ৪৫ শতাংশ করা হয়েছে।

এদিকে বিদ্যমান কর্পোরেট কর অনুযায়ী পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মোবাইল কোম্পানিগুলো ৩৫ শতাংশ ও তালিকা বহির্ভূত মোবাইল কোম্পানিগুলো ৪৫ শতাংশ হারে কর দিচ্ছে। প্রস্তাবিত বাজেটে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মোবাইল কোম্পানিগুলোর করের হার বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হয়েছে।

ফলে সিমকার্ড, ডিজিটাল ক্যামেরা, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের দাম কিছুটা কমে আসবে।

এর বাইরে দেশে উৎপাদিত প্রসাধন সামগ্রী, মশার কয়েল, শেভিং ও টয়লেট্রিজ সামগ্রীর দাম কমছে। দেশীয় শিল্পের প্রতিরক্ষণ ও আমদানি পণ্যের সঙ্গে মূল্য প্রতিযোগী করতে দেশীয় উৎপাদিত কতিপয় প্রসাধনী ও টয়লেট্রিজ সামগ্রীর বিদ্যমান সম্পূরক শুল্ক ২০ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ প্রস্তাব করায় এগুলোর এ মূল্যহ্রাস হচ্ছে।

পোল্ট্রি, ডেয়ারি, ফিশ ফিড, সকল প্রকার সার, ইনসুলিন, ইনসুলিন পেন, স্ট্রেপটোকাইনেজ, পঙ্গ ও প্রতিবন্ধীদের ব্যবহার্য হুইল চেয়ার, অন্ধদের জন্য তৈরি করা ঘড়ি, হাসপাতাল শয্যা পণ্যের উৎপাদিত পর্যায়ে মূসক অব্যাহতির প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এসব পন্যের দামও কমবে।

ইলেকট্রনিক্স পন্যের মধ্যে ওয়েব ক্যাম ও ডিজিটাল ক্যামেরার ওপর আমদানি শুল্ক বর্তমানে ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে এগুলোও পাওয়া যাবে আগের চেয়ে কম দামে। গাড়ির অত্যাবশ্যকীয় অংশ গ্লাস ও উইন্ডশিল্ড, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল, এলইডি ল্যাম্প, মেডিকেল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের কাঁচামাল এফইপি/টেফলন টিউবের আমদানি শুল্ক ২৫ থেকে ১০ শতাংশ করা হচ্ছে।

একইভাবে অগ্নিনির্বাপন যন্ত্রাংশ, মিনিবাসের চেসিস, সার্ভার র‌্যাক ও সিম কার্ডের দাম কমবে। এছাড়া লাইফ বোর্ড, জাহাজের যন্ত্রপাতি, ডাম্প ট্রাক, সুপারশপের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যেমন- কেবিনেট, শোকেস, ডিসপ্লে কাউন্টার ইত্যাদির দামও কমে আসছে।

অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেন, ডিজিটাল দেশ গড়া সরকারের অঙ্গীকার। এ সরকারের মেয়াদে বিগত বছরগুলোতে গৃহীত বেশকিছু পদক্ষেপ নেয়ার কথাও জানান তিনি। ওয়েব ক্যাম, ডিজিটাল ক্যামেরায় বর্তমানে ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

সিমকার্ড উৎপাদনকারীর স্বার্থে আমদানি পর্যায়ে ৩০ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের বদলে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী, পাশাপাশি অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল আমদানির ক্ষেত্রেও বর্তমানের ১২ শতাংশ শুল্ক হার কমিয়ে ৫ শতাংশ এবং দেশীয় পর্যায়ে উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণের ক্ষেত্রে ২৫ ও ১২ শতাংশ শুল্ক হার কমিয়ে কোনো শুল্ক আরোপ না করার জন্যও প্রস্তাব দেন তিনি।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট