Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই’

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিরোধীদলীয় প্রার্থীরা সেনা মোতায়েন চাইলেও এ এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, এ চার সিটিতে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। কমিশন এখন পর্যন্ত সেনা মোতায়েনের ব্যাপারে লিখিত কোনো অভিযোগও পায়নি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান ও নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনারসহ সকাল ১১টায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সাথে ইসির বৈঠক হয়। বৈঠকে পুলিশের আইজি হাসান মাহমুদ খন্দকার, র‌্যাবের ডিজি মোখলেছুর রহমান ছাড়াও ইসির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রকিবউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সুতরাং এখানে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন আছে বলে ইসি মনে করছে না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সরকারদলীয় প্রার্থী আজমত উল্লাহর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পেলে তদন্তসাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিইসি বিরোধী দলকে লক্ষ্য করে বলেন, ৫ জুন বেগম খালেদা জিয়া গাজীপুর যাবেন সেখানে যেন নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন না হয় তার দিকে খেলায় রাখার জন্য বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, প্রত্যেক নির্বাচনের ন্যায় এ ৪ সিটি নির্বাচনেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার, ভিডিপি, মোবাইল কোর্ট, স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে।

এছাড়াও প্রত্যেক সিটিতে ভোটার সংখ্যা ও এলাকার আয়তন অনুযায়ী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন রাখার কথা বলেন তিনি।

এ ৪ সিটিতে গত ২৭ মে থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত ২১ দিনের জন্য ৪০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৩ থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত ২০ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে বৈঠকে সিইসি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দলমত নির্বিশেষে চিহ্নিত অপরাধী, চাঁদাবাজ, মাস্তান, অস্ত্রবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রাক নির্বাচনী বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানান।

আইনশৃঙ্খলা কর্মপরিকল্পনার মধ্যে ভোটগ্রহণের দিনসহ আগে পরে মোট ৪দিন নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে সাধারণ কেন্দ্রের অস্ত্রসহ পুলিশ ৭ (১ এসআই, ১ এএসআইন ও ৫ কনস্টেবল, ব্যাটালিয়ন আসনার ১, অঙ্গীভূত আনসার ও এপিসি আনসার ১ জন করে), আনসার/ভিডিপি ১২ জন (নারী ৫ ও পুরুষ ৭)। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে অতিরিক্ত ২ জন।

উল্লেখ্য, ২৯ এপ্রিল ৪ সিটির তফসিল ঘোষণা করে ভোটগ্রহণ নির্ধারিত হয় ১৫ জুন। এ ৪ সিটিতে মেয়র পদে লড়বেন ২৪, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৬৬০ এবং সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ২০২ জন।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট