Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

উপকূল অতিক্রম করে মহাসেন ত্রিপুরায়

ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মহাসেন বাংলাদেশের নোয়াখালি, চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করে ভারতের ত্রিপুরার দিকে চলে গেছে। বিকাল সোয়া চারটায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শাহ আলম এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় বিপদ সঙ্কেত বহাল রয়েছে। ঘূর্নিঝড়ে বরগুনা, ভোলা ও পটুয়াখালীতে সাত জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
আজ সকাল ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে মহাসেন সর্বপ্রথম পটুয়াখালি জেলার খেপুপাড়ায় আঘাত হানে। বরগুনা, ভোলা, মেঘনা মোহনা হয়ে নোয়াখালী, ফেনী ও চট্টগ্রাম অতিক্রম করে। স্থলভাগে আঘাত হানার পর মহাসেন দুর্বল হয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. শাহ আলম বলেন, স্থলভাগে আসার পরে প্রচুর বৃষ্টিপাতের কারণে ঘূর্ণিঝড়টি ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করার সময় এটি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার বেগে এগিয়ে যায়। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সাগরের পানি ফুলে ফেঁপে ওঠায় উপকূলীয় জেলাগুলোর অনেক নিচু এলাকা তলিয়ে গেছে দুই থেকে তিন ফুট পানির নিচে। উপকূলবর্তী ১২টি জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারকে ৭ নম্বর এবং মংলা সমুদ্রবন্দরকে ৫ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা, ট্রলার ও সমুদ্রগামী জাহাজকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে বলেও সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঝড় মোকাবেলায় বাংলাদেশের উপকূলের জেলাগুলোতে ইতোমধ্যে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে সরকারি কর্মকর্তাদের ছুটি। চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ওঠা-নামা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। চট্টগ্রামের শাহ আমানত ও কক্সকাজার বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ ওঠানামাও বন্ধ রয়েছে। মহাসেনের তাণ্ডবে ইতোমধ্যে শ্রীলঙ্কায় সাত জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের ৮২ লাখ মানুষ এই ঝড়ের কারণে হুমকির মুখে রয়েছে বলে সতর্ক করে দিয়েছে জাতিসংঘ।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট