Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

খালেদার নির্দেশেই হেফাজতের ধ্বংসযজ্ঞ: ১৪ দল

ঢাকা: বিএনাপি চেয়ারপারসন ও বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে হেফাজতে ইসলাম ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ১৪ দলের নেতারা।
মঙ্গলবার দুপুরে ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে ১৪ দলের এক বৈঠক পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তারা এ অভিযোগ করেন।
আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেন, “যারা দেশ গণতন্ত্র ও ধর্মকে সম্মান করে তা কিভাবে এ ধরনের কাজ করতে পারে? খালেদা জিয়ার নির্দেশে তারা এটা করেছে। বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত ঢাকাকে তছনছ করতে চেয়েছিল।”
বিনা রক্তপাতে হেফাজত কর্মীদের মতিঝিল থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে বলে দাবি করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, “বিএনপি কথায় কথায় ৭১’র গণহত্যার সঙ্গে তুলনা করার মাধ্যমে সেই গণহত্যাকে ছোট করতে চায়। মতিঝিলের ঘটনাকেও তারা গণহত্যা বলে মিথ্যাচার করছেন। যে দেশের মিডিয়া এত শক্তিশালী সেখানে এ ধরনের মিথ্যাচার করে পার পাওয়া যাবে না।”
তিনি বলেন, “তথাকথিত হেফাজতের ইসলামের সঙ্গে খালেদা জিয়া হঠাৎ করে সমাবেশের কর্মসূচি দিয়ে অরাজকতা সৃষ্টির মাধ্যমে গোটা রাজধানী তছনছ করতে চেয়েছিল।”
তোফায়েল বলেন, “বিএনপি চেয়েছিল হেফাজতকে ৫ মে মাঠে রেখে ৬ মে থেকে বিএনপি-জামায়াত একত্রে মাঠে নেমে গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করবে। খালেদা জিয়ার ঘোষণার পর বায়তুল মোকাররম এলাকায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ হয়।”
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, “হেফাজত, জামায়াত ও বিএনপি মিলে নির্বাচিত সরকারকে অশুভ উদ্দেশ্যে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে।”
তিনি বলেন, “হেফাজতে ইসলাম তাদের অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে দুর্ভাগ্যজনকভাবে চরম নৈরাজ্যের সৃষ্টি করে। তারা স্বর্ণের দোকান লুট করার লক্ষ্যে আগুন লাগায়। তারা লুটপাটের উদ্দেশ্যে জনতা ব্যাংক ও এটিএম বুথে হামলা করে।”
হেফাজতে ইসলাম ও জামায়াত-বিএনপি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ মন্তব্য করে নাসিম আরো বলেন, ‘তারা যে আগুন নিয়ে খেলছে সে আগুন থেকে তারা নিজেরাই বাঁচতে পারবে না।”
নৈরাজ্যে ও সহিংসতার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শফীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা সাংবাকিদের এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, “এই নৈরাজ্যের জন্য দায়ী আহমদ শফী ও খালেদা জিয়া। হেফাজতের নৈরাজ্যের কর্মসূচির পাশে বিএনপি নেতাদের দাঁড়াতে বলে খালেদা জিয়া সহিংসতাকে উস্কে দিয়েছেন। আমার আশা করি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।”
ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, “হেফাজতের সমাবেশকে ঘিরে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তার দায় খালেদা জিয়া ও শফীকে নিতে হবে।”
তিনি বলেন, “মতিঝিলের সমাবেশে কোনো আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার হয়নি। শুধু রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছে।”
সংবাদ সম্মেলনপূর্ব বৈঠকে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, জাসদের কার্যকরী সভাপতি মাঈনউদ্দিন খান বাদল, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়া, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, দফতর সম্পাদক আব্দুল মান্নান খান, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস প্রমুখ।
Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট