Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

তত্ত্বাবধায়ক কোনোভাবেই সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী

ঢাকা: আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমদ বলেছেন, “নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। তবে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার পদ্ধতি কী হতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।”

শনিবার হোটেল  রূপসী বাংলায় ‘ইউএসএইড আর্থিক সহায়তা জাস্টিস ফর অল’ প্রোগ্রামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “সংবিধানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে বিধানটি চালু করা হয়েছিল তা আমাদের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ বাতিল করেছেন। আদালত এই বলে বাতিল করেছেন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা আমাদের সংবিধনের মূল স্তম্ভের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সুতরাং এই বিধানটি আবার সংবিধানে আনা সম্ভব নয়।”

মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন অন্তবর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে যা ওয়েস্ট-মিনিস্টার পদ্ধতিতে। সেই অন্তবর্তী সরকারের রূপরেখা কী হতে পারে সে বিষয়ে সংলাপ হতে পারে।”

আইনমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন।নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এ কমিশনের প্রত্যেক সদস্য শপথবাক্য উচ্চারণ করে পদ গ্রহণ করেন।কাজেই তাদের ওপর আস্থা রাখা যায়।ইতিপূ্র্বে নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে দৃষ্টান্ত রেখেছে। এই সরকারের আমলে যতগুলো উপ-নির্বাচন হয়েছে কোথাও কেউ প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারেনি।” তিনি বলেন, “এটাই গণতন্ত্র।”

মন্ত্রী বলেন, “এভাবেই আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশে নির্বাচন হয়ে থাকে।” এর আগে মন্ত্রী নাগরিকদের আইনগত সহায়তা প্রদান কার্যক্রমকে শক্তিশালিকরণের লক্ষে জাস্টিস ফর অল প্রোগ্রাম উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সংলাপ আহ্বানকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মোজেনা।

তিনি সম্প্রতি সাভারের রানা প্লাজা ধসে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটলে বাংলাদেশ হবে পরবর্তী এশিয়ান টাইগার।”

সংলাপের বিষয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে সংলাপের প্রয়োজন আছে।”

সংলাপের মাধ্যম বাংলাদেশ তার সংকটময় পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণ করে এগিয়ে যাবে সেটাই দেখতে চায় আমেরিকা।

এ ছাড়া সংলাপ শুরুর ভিত্তি তৈরি করতে রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধের ওপর জোর দেন মজীনা।

ইউএসএইড এর আর্থিক সহায়তা ও ন্যাশনাল সেন্টার ফর স্টেট কোর্টস পাঁচ বছর মেয়াদি এই প্রোগ্রাম উদ্বোধন করা হয়। এর মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রাপ্তি, জেন্ডার সমতা এবং আইনগত সক্ষমতা অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে।

এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন- আইন সচিব এএসএসএম জহিরুল হক ও ন্যাশনাল লিগ্যাল এইড সার্ভিসের পরিচালক সৈয়দ আমিরুল ইসলাম।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট