Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

বাংলাদেশের চতুর্থ টেস্ট জয়

হারারে: খেলার নিয়তি হলো জয়-পরাজয়। সেই হিসেবে ‘জয়’ নিয়ে আগড়ুম-বাগডুম করাটা নিরেট গোয়ার্তুমি কিংবা নিরবুদ্ধিতা। কিন্তু জয় যদি হয় কাকবন্ধ্যা, তবে আনন্দের আতিশয্যে শোভাযাত্রা করা যেতেই পারে। সেজন্য চার বছর বাদে কোনো দলের বিপক্ষে টেস্ট জয়ে বাংলাদেশের এতো উচ্ছ্বাস। প্রতিপক্ষ হোক না জিম্বাবুয়ে! পঞ্চম দিন দ্বিতীয় সেশনে সাকিবের বলে কাইল জারভিস প্যাভিলিয়নে হাঁটা দিতেই বাংলাদেশীদের বাঁধভাঙ্গা উদযাপন। চতুর্থ টেস্ট জয়ের আনন্দ।

সোমবার নতুন ভোরের সাথে সাথে ‘জয়’ উঁকি দিচ্ছিলো বাংলাদেশ শিবিরে। এজন্য হারারেতে দ্বিতীয় টেস্টের শেষ দিনে মুশফিকুর রহিমদের প্রয়োজন ছিল ছয়টি উইকেট। আর ব্রেন্ডন টেইলর বাহিনীর ২৬৩ রান। কিন্তু টেস্টের শেষ দিনের হিসেবে এই রান স্বাগতিকদের জন্য হিমালয়ে চড়ার মতো দুরুহ। তবে অবশ্যই অসম্ভন নয়। জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ‘গ্লাডিয়েটর্সের’ মতো একাই লড়ে এই ‘নাকি’ সম্ভাবনাকে প্রায় জাগিয়েও তুলেছিলেন। তবে গ্লাডিয়েটর্সের ইতিহাস বদলাতে পারেননি মাসাকাদজা। শেষ পর্যন্ত শতক (১১১*) হাকালেও নিঃষঙ্গ লড়াই চালিয়ে তাকে ধরা দিতে হয়েছে মুশফিকদের ফাঁদে। অপরাজিত থেকেও বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ের ১৪৩ রানের দ্বিতীয় পরাজয়কে ঠেকাতে পারেননি তিনি। ক্রিজে থেকেই দেখেছেন দলের পরাজয়।

হারারে টেস্টের শেষ দিনে পরাজয় ঠেকাতে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছেনে হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। শিঙ্গি মাসাকাদজাকে নিয়ে পঞ্চম দিন ড্রিংক বিরতি পর্যন্ত নিবিঘ্নে কাটিয়েছিলেন তিনি। তবে বিরতির পরই স্বাগতিক শিবিরে হানা দেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ১৬৪ রানে পঞ্চম উইকেট হিসেবে সাজঘরে ফেরেন জিম্বাবুয়ান বোলার শিঙ্গি। দ্রুত ফেরেন এলটন চিগম্বুরাও। ১৬৯ রানে সোহাগ গাজীর মায়াবী স্পিনে বিভ্রান্ত হন তিনি। এরপর জিয়ার জোড়া আঘাত। রিচমন্ড মাতুমবামি ও গ্রায়েম ক্রেমারকে বিদায় করেন এই অলরাউন্ডার। ২১৯ রানে নবম উইকেট হিসেবে আউট হন কেগান মেথ। তখন টাইগাররা জয়ের উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলো। কিন্তু শেষ উইকেটে বাংলাদেশকে ঝুলিয়ে রাখে মাসাকাদজা ও জারভিস। ৯৫.৩ ওভারে ২৫৭ রানে গিয়ে সেই কাঁটা তোলেন সাকিব। এলভিডব্লিউয়ে কাইল জারভিসকে সাজঘরে ফিরিয়ে।

হারারেতে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৬০ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৩ রান করে ম্যাচ সেরা হন বাংলাদেশ অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। গোটা সিরিজে ভালো বোলিং করে সিরিজ সেরা রবিউল ইসলাম।

বাংলাদেশ: প্রথম ইনিংস-৩৯১/১০ ও দ্বিতীয় ইনিংস-২৯১/৯ডিকে.
জিম্বাবুয়ে: প্রথম ইনিংস-২৮২/১০ ও দ্বিতীয় ইনিংস-২৫৭/১০
ফল: বাংলাদেশ ১৪৩ রানে জয়ী।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট