Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

উদ্ধার কাজে চলছে মেশিন অভিযান

সাভার: সাভারের ধসে পড়া রানা প্লাজার ভেতর থেকে জীবিত ও মৃত মানুষদের উদ্ধারের জন্য মেশিনের মাধ্যমে উপর তলার কংক্রিট সরানোর কাজ চলছে।

রোববার বেলা ১১টার দিকে নবম পদাতিক ডিভিশনের জিএসি মেজর জেনারেল চৌধুরী হাসান সোহরাওয়ার্দী রানা প্লাজার সামনে সংবাদ ব্রিফিংয়ের পর পরই ভারী যন্ত্রপাতির ব্যবহার শুরু হয়।

সংবাদ ব্রিফিংয়ে জিএসি জানান, ভেতরে যেসব উদ্ধারকর্মী আছেন, তাদের সবাইকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বের হয়ে আসার অনুরোধ করা হয়েছে। তারা বেরিয়ে আসার পরেই ভবনে মেশিনের ব্যবহার শুরু করা হবে। আর এ কাজে যুক্ত থাকবে সেনাবাহিনীর স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস ও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি। বাইরে থেকে সহযোগিতা করবে বিমান বাহিনী, পুলিশ, র‌্যাবসহ স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

তবে মেশিন ব্যবহার করলে ভেতরে জীবিত মানুষেরা আরো বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়বেন কি না- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “জীবিতদের উদ্ধারের জন্যই এই পদ্ধতি এবং এটি আধুনিক ও দ্রুততম পদ্ধতি।” তিনি অবশ্য এও বলেন যে, তারা এখন আর ভবনের ভেতরে জীবিত মানুষের স্পন্দন পাচ্ছেন না। কিছু মানুষ জীবিত থাকতে পারেন যাদের হয়তো এখন জ্ঞান নেই।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটের অধ্যাপকরাও এই পদ্ধতিকে সর্বোৎকৃষ্ট বলে সমর্থন দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উদ্ধার অভিযানে দেশে সব ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে দাবি করে হাসান সোহরাওয়ার্দী বলেন, “আমাদের সবচেয়ে বেশি আছে মানুষের মমত্ববোধ আর দেশপ্রেম। উদ্ধারকর্মীদের সঙ্গে সাধারণ মানুষ যেভাবে নিজের জীবনবাজি রেখে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছেন, তা দিয়েই বোঝা যায় আমাদের দেশের মানুষ কতটা মানবিক। তারা রক্ত দিয়ে, খাবার দিয়ে, এমনকি যন্ত্রপাতি দিয়েও আমাদের সার্বিক সহায়তা দিয়েছেন।”

এ উদ্ধার অভিযানকে অত্যন্ত কঠিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এ পর্যন্ত দু হাজার ৪৩৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে এবং উদ্ধারের সময় কেউই মারা যাননি। এমনকি উদ্ধারকর্মীদের কেউও মারা যাননি। তার মানে আমরা খুবই সচেতনভাবে কাজটি করছি এবং এখানে আল্লাহর ওপর পুরোপুরি ভরসা রেখে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। সেইসঙ্গে সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নিজেই সার্বক্ষণিক এই অভিযানের প্রতি নজর রাখছেন।”

জিএসি জানান, এখন পর্যন্ত ৩৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ভেতরে এখনো কী পরিমাণ লোক আটকে আছে, তা নিশ্চিত নয়।

এদিকে, ধসে পড়া বহুতল ভবনটি থেকে এখন পর্যন্ত ৩৬৫ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এখনো নিখোঁজ অসংখ্য মানুষ। রোববার সকালে আরো চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ভেতরে প্রাণের সন্ধান করছেন উদ্ধারকারীরা।
Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট