Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কালো আইনে হচ্ছে: ব্যারিস্টার রাজ্জাক


ঢাকা, ১৫ ফেব্রুয়ারি: মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের নামে অবিচার করা হচ্ছে এবং এ আইনকে তিনি কালো আইন বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ডিফেন্স পক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক।

বুধবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘‘মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনাল আন্তর্জাতিক আইন মেনে বিচার করছে না।’’

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘‘ট্রাইব্যুনালের বিচারকার্য নিয়ে জাতিসংঘের করা অভিযোগের জবাব দিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। আর এর ফলে এটাই প্রতীয়মান হয় ট্রাইব্যুনালে বিচারের নামে অবিচার করা হচ্ছে।’’

এ সময় তিনি জাতিসংঘের এবং পর্যবেক্ষকদের ট্রাইব্যুনাল নিয়ে করা মন্তব্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ আইসিসি. এর রোম সংবিধি অনুমোদন করেছে যেখানে যুদ্ধাপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে একটি মডেল রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক বাধ্য বাধকতা মেনে চলার কথা রয়েছে সেখানে।’’

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ১৯৭৩ এর অধীনে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এর সমালোচনা করে বলে এই আইন শুধু আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নয় বরং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের অনেক নিচে।’’

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, আন্তর্জাতিক এনজিওসমূহ, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত এ্যামেবসেডর-এট-লার্জ এবং স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা এই আইনের সমালোচনা করেছেন বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, ‘‘আন্তর্জাতিক বার এসোসিয়েশন (আই.বি.এ.) যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত কমিটির কাছে বৃটিশ পার্লামেন্টের মানবাধিকার সংক্রান্ত সংসদীয় গ্রুপের অনুরোধক্রমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত আইন (আই.সি.টি.এ) ১৯৭৩ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ সে ব্যাপারে একটি মতামত প্রদান করেছেন। এই আইন বাংলাদেশ কর্তৃক স্বীকৃত সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদ (আই.সি.সি.পি.আর.) এর ১৪ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন যা ট্রাইব্যুনালকে সমালোচনার মুখে ঠেলে দিয়েছে।’’

তিনি জানান, ইংল্যান্ডের প্রবীণ আইনজীবী মাইকেল জে বেলফ কিউসি তার এক বিস্তারিত অভিমতে ১৯৭৩ সালের আইনের কঠোর সমালোচনা করেছেন। একই ধরনের সমালোচনা করে ভারতের সাবেক এর্টনী জেনারেল এবং সিনিয়র এডভোকেট সোলী জে সোরাবজি, আয়ারল্যান্ড গ্যালওয়ে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মানবাধিকার আইনের প্রফেসর উইলিয়াম এ শাবাজ, মি. স্টিভেন কে কিউসি, গ্রেগর গাই স্মিথ এবং মিস্ কোলি রোহান।’’

তিনি বলেন, ‘‘জাতিসংঘ ওয়ার্কিং গ্রুপ তার অভিমতে ‘সাজা প্রদানের পূর্বের আটকাদেশকে সাধারণ নিয়ম নয় – বরং ব্যতিক্রম’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।’’ তিনি বলেন, ট্রাইবুনাল ৮ জন আসামীর মধ্যে ৬ জনকে ১ বছরের অধিক কাল ধরে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ গঠন ছাড়াই আটক রেখেছে। এটা সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার (ইউডিএইচআর) এর ৯ অনুচ্ছেদ এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার সংক্রান্ত আমত্মর্জাতিক সনদ (আইসিসিপিআর) এর ৯ অনুচ্ছেদের লংঘন।

তিনি জানান, জাতিসংঘ ওয়ার্কিং গ্রুপ সুনির্দিষ্টভাবে মন্তব্যে বলেছে, মতিউর রহমান নিজামী, আবদুল কাদের মোল্লা, মোহাম্মদ কামারুজ্জামান, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, দেলোয়ার হোসাইন সাইদী এবং সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এর আটকাদেশ নিবর্তনমূলক যা সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণার ৯ অনুচ্ছেদ এবং আই.সি.সি.পি. আর এর ৯ অনুচ্ছেদের লংঘন।’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘আশা করি সরকার আন্তর্জাতিক আইনের সব স্বীকৃত রীতিনীতি অনুসরণ করে জাতিসংঘের ওয়ার্কিং গ্রুপের অভিমত অবিলম্বে বাস্তবায়ন করবে।’’

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সেক্রেটারি জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামসহ সিনিয়র আইনজীবীরা।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট


2 Responses to মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার কালো আইনে হচ্ছে: ব্যারিস্টার রাজ্জাক

  1. sikiş izle

    March 13, 2012 at 9:44 am

    Greetings thanks for fantastic put up i used to be looking for this situation very last 2 nights. I will search for upcoming valuable posts. Have entertaining admin.

  2. smackdown oyunları

    March 14, 2012 at 3:14 pm

    Hello admin very good post considerably thanks adored this blog seriously very much