Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পায়নি বিএনপি: দুদু

ঢাকা: ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হতে চেয়েও বিএনপি সুযোগ পায়নি’ এমন অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, “নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে আবদুল হামিদের শপথ নেয়ার অনুষ্ঠানে যোগদানের কোনো আমন্ত্রণপত্রও এখনো বিএনপির কাছে পৌঁছায়নি।”

বুধবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে টানা ৩৬ ঘণ্টার হরতালের শেষ দিনে সাংবাদিকদের কাছে হরতাল চিত্র তুলে ধরার সময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। তবে আজও তালাবদ্ধ কার্যা লয়ে নিচে নামেননি দুদু। কার্যাতলয়ের তিন তলায় সংবাদ সম্মেলন কক্ষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

উল্লেখ্য, জোটের আটক নেতা-কর্মীদের মুক্তি, তাদের নামে মামলা প্রত্যাহার, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, সরকারের পদত্যাগের দাবিতে টানা ৩৬ ঘণ্টার হরতালের ডাক দেয় বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোট। মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়ে এই হরতাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হওয়ার কথা।

দুদু বলেন, “নতুন রাষ্ট্রপতি একটি দলের একজন মানুষের একক প্রত্যাশা ও সিদ্ধান্তে নির্বাচিত। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আমরা বারবার সম্পৃক্ত হতে চেয়েছি। কিন্তু আমাদের সম্পৃক্ত করা হয়নি।”

বিষয়টিতে সমর্থন বা বিরোধিতার ব্যাপারে দল এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেও জানান তিনি। রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিএনপি যোগ দেবে না বলেও ইঙ্গিত দেন দুদু।

দেশব্যাপী টানা ৩৬ ঘণ্টার হরতাল স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালিত হচ্ছে দাবি করে দুদু বলেন, ‘‘এটা হরতাল, কারফিউ নয়। সরকারের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপনের পন্থা। ভারি যানবাহন কোথাও চলছে না। দেশবাসী অনাস্থা দেখিয়েছে সরকারের প্রতি। তারা জানিয়েছে, এই সরকারের আর দরকার নেই। তাদের মেয়াদ শেষ।”

তিনি বলেন, “সরকারকে বলবো, অবিলম্বে পদত্যাগ করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। যে নামেই হোক, দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধানে নির্বাচন হতে হবে।”

এ সময় হরতালকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন জায়গায় পিকেটিং, মিছিলে সরকার দলীয় লোকজনের হামলা ও পুলিশ আটক করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এদিকে মঙ্গলবারের হরতালের মতোই আছে নয়াপল্টন এলাকা। আজও সকাল থেকে কেন্দ্রীয় কার্যাতলয়ে সাংবাদিক ছাড়া কেউ প্রবেশ করেনি, বেরও হয়নি। সকাল থেকে এ এলাকায় কোনো মিছিল বা পিকেটিং হয়নি।
আর বরাবরের মতোই কার্যাললয়ের সামনে ও আশপাশের অলিগলিতে বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। কার্যাপলয়ের উল্টো দিকে আজও র্যা বের উপস্থিতি আছে এবং পুলিশের সাজোয়া যানও অপেক্ষমাণ আছে কার্যা লয়ের পূর্ব দিকে।

কেন্দ্রীয় কার্যা লয়ে দুদুর সঙ্গে আরো যারা অবস্থান করছেন, তারা হলেন- সহ-দফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামসহ কয়েকজন অঙ্গ সংগঠনের কর্মী এবং কার্যা লয়ের কর্মকর্তা কর্মচারী।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট