Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

‘মামলার ভয় দেখিয়ে সরকার আমাকে পকেটে রাখতে চায়’

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সরকার জাতীয় পার্টিকে উপেক্ষা করেছে দাবি করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, এডভোকেট আবদুল হামিদকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করার জন্যে আমিই প্রথম প্রস্তাব দিয়েছিলাম। সরকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আগে আমার কোন পরামর্শ নেয়নি। এ ক্ষেত্রে জাতীয় পার্টিকে উপেক্ষা করেছে সরকার। এরশাদ বলেন, দেশে নির্বাচনের কোন পরিবেশ নেই। পরিবেশ সৃষ্টি করুন, তাহলেই জাতীয় পার্টি নির্বাচনে যাবে। না হলে নির্বাচনে যাবে না। তিনি বলেন, মামলার ভয় দেখিয়ে সরকার আমাকে পকেটে রাখতে চায়। আমি আর কারও পকেটে থাকবো না। যতদিন বাঁচবো, সম্মান নিয়েই বাঁচবো। দালাল হয়ে বাঁচতে চাই না।
বিকালে জাতীয় যুবসংহতির ৩০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীর হোটেল সুন্দরবনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এরশাদ বলেন, হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে যারা জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে তারা ডাহা মিথ্যা কথা বলে। তারা হেফাজতকে নিয়ে চিন্তিত। জামায়াতে ইসলামীর কাছ থেকে হেফাজতে ইসলাম টাকা নিয়েছে বলে যারা প্রচার করছে তারা ইসলামের শত্রু। আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি। এ ধরণের কোন ঘটনা ঘটেনি।
প্রেসিডেন্ট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আবদুল হামিদ এডভোকেট একজন সজ্জ্বন ব্যক্তি। ভাল মানুষ। স্পীকার হিসেবে তিনি নিরপক্ষে থাকার চেষ্টা করেছেন। আশা করবো প্রেসিডেন্ট হিসেবেও তিনি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবেন। জাতির ক্রান্তিলগ্নে তিনি যথাযথ দায়িত্ব পালন করবেন বলে আশা রাখি। তিনি বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় এক নেত্রী উত্তর মেরু এবং আরেক নেত্রী দক্ষিণ মেরুতে অবস্থান করছেন। নতুন প্রেসিডেন্ট তার যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে ২ নেত্রীকে এক করতে পারলে দেশবাসী তার জন্যে দোয়া করবে। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু দুর্নীতিতে কে কতভাগ পেয়েছে জানা গেছে। কেবল একটি ভাগের কথা জানা যায়নি। সেটি ২ ভাগের বিষয়। শতকরা ২ ভাগ কার পকেটে যাচ্ছিল সেটি জাতি জানতে চায়। এরশাদ বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে কখনও দেখিনি যে, সরকার হরতাল দেয়। হেফাজতের সমাবেশ পন্ড করতে ছুটির দিনে সরকার হরতাল, অবরোধ দিয়ে বিশ্বের বুকে কলঙ্কজনক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তারপরও হেফাজতের মহাসমাবেশ ঠেকাতে পারেনি। এর মাধ্যমে সরকার ভুল করেছে। এখন সব ইসলামী দল সরকার পতনে এক হয়েছে। তারা শাহবাগের ব্লগারদের শাস্তি চায়। বঙ্গবন্ধু বা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বললে শাস্তি হয়। আর প্রিয় নবীর অবমাননা করলে শাস্তি হবে না, তা হতে পারে না। এরশাদ বলেন, ইসলাম বিরোধীদের শাস্তি দিতেই হবে। হেফাজত নিয়ে সরকার প্রথমে বলেছে- তাদের কযেকটি দাবি গ্রহণ করা হতে পারে। এখন বলছে- ১টি দাবিও মানা হবে না। সরকার এখন সকালে এক কথা দুপুরে আরেক কথা বলে।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট