Widgetized Section

Go to Admin » Appearance » Widgets » and move Gabfire Widget: Social into that MastheadOverlay zone

জামায়াতের তিন নেতা আদালত অবমাননায় অভিযুক্ত

ঢাকা: বিচারাধীন বিষয়ে বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে জামায়াতের তিন নেতাকে অভিযুক্ত করেছে ট্রাইব্যুনাল।
এ বিষয়ে আগামী ৯ মে পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এ আদেশ দেন।
জামায়াতের তিন নেতা হচ্ছেন-ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ এমপি এবং কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী কমিটির সহকারী সেক্রেটারি মো. সেলিম উদ্দিন।
প্রসিকউটর মোখলেছুর রহমান বাদল বলেন, “বিচারাধীন বিষয়ে বক্তব্য দেয়ায় জামায়াতের তিন নেতার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল রুল জারি করেছিলেন। এরপর তাদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। কিন্তু পুলিশ তাদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। বাকি দুই জনকে গ্রেফতার করতে পারেনি।”
তিনি বলেন, “আজ জামায়াতের তিন নেতার মধ্যে সেলিম উদ্দিনের পক্ষে লিখিত জবাব দেয়া হয়েছে কিন্তু আদালত তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি।”
তবে আগামী ৯ মে পুনরায় তিনি লিখিত জবাব দিতে পারবেন বলেও আাদালত জানিয়েছেন।
আসামিপক্ষে শুনানি করেন মুন্সি আহসান কবির ও অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম।
উল্লেখ্য তিন জামায়াত নেতার মধ্যে মো. সেলিম উদ্দিন গ্রেফতার হলেও ট্রাইব্যুনাল থেকে জামিন পেয়েছেন। তবে তিনি অন্য মামলায় কারাগারে আটক রয়েছেন।
অন্য দু’জনকে ট্রাইব্যুনালের আদেশ থাকা সত্ত্বেও গ্রেফতার করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের এ তিন নেতার বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে শো’কজ নোটিশ জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মতিঝিলে জামায়াতের এক সমাবেশে ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘‘দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেবেন না।’’ সব কিছু হিসাব করে রায় দেন।
তিনি বলেন, ‘‘একটা রায়ই শেষ নয়। রায়ের পর রায়, এরপর বহু প্রতিক্রিয়া আছে। বিষয়টি হালকাভাবে দেখলে চলবে না। দেশকে ‘গৃহযুদ্ধ’ থেকে বাঁচাতে হলে বিতর্কিত ট্রাইব্যুনাল থেকে রায় দেয়ার কোনো সুযোগ নাই।’’

একই সমাবেশে হামিদুর রহমান আযাদ এমপি বলেন, ‘‘স্কাইপে সংলাপের গোপন তথ্য প্রকাশিত হওয়ার পর এ ট্রাইব্যুনাল আর এক মুহূর্তও চলতে পারে না।’’

এছাড়া রফিকুল ইসলাম খান গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রেস ব্রিফিংয়ে একই ধরনের বক্তব্য দেন।

এ সংক্রান্ত সংবাদ বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়। এ সংবাদের সূত্র ধরে ৭ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনাল জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে শো’কজ নোটিশ জারি করে সশরীরে হাজির হয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা চায় ট্রাইব্যুনাল।

Share this:
Share this page via Facebook Share this page via Twitter

LIKE US on FACEBOOK নিউজ সোর্স b24/মজ / ডেস্ট